ঢাকা ১২:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রগকাটা জামায়াত-শিবির স্বরূপে ফিরেছে : নুরুল হক নুর একাত্তরে ভুল করা দলকে উসকানির রাজনীতি বন্ধের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর কুষ্টিয়ায় আমির হামজার গাড়ি ভাঙচুর, জামায়াত-গণঅধিকারের সংঘর্ষ কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপকের মরদেহ উদ্ধার আবারও ভূমিকম্পে কাঁপল ইন্দোনেশিয়া, নিহত ৪৭ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বসছে ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ লালমনিরহাটে আবাসিক হোটেলের আড়ালে ব্ল্যাকমেইল ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ পটুয়াখালী পৌরসভার প্রশাসকসহ ৩ কর্মকর্তাকে বিদায় সংবর্ধনা বেগম খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল ​ব্রাহ্মণপাড়ায় গলায় ফাঁস দিয়ে যুবকের আত্মহত্যা

৮০টি ইলিশ বিক্রি হলো দুই লাখ ১৩ হাজার টাকায়

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার চেয়ারম্যান ঘাটে ৮০টি বড় আকারের ইলিশ দুই লাখ ১৩ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে।মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে মেসার্স আল্লাহর দান মৎস্য আড়তে নিলামের মাধ্যমে মাছগুলো কেনা হয়। আড়তদাররা জানান, প্রতিটি ইলিশের ওজন এক কেজির বেশি এবং কিছু মাছের ওজন দুই কেজিরও বেশি ছিল।

প্রায় পাঁচ দিন সাগরে মাছ ধরার পর ১৭ জন জেলেকে নিয়ে হাতিয়ার জেলে মো. শাহেদ মাঝি এই ইলিশগুলো নিয়ে আসেন। তিনি চেয়ারম্যান ঘাটের মেসার্স আল্লাহর দান মৎস্য আড়তে মাছগুলো নিলামে তোলেন। সেখানে ব্যবসায়ী নাহিদ ব্যাপারী ইলিশগুলো ২ লাখ ১৩ হাজার টাকায় কিনে নেন।

মেসার্স আল্লাহর দান মৎস্য আড়তের ম্যানেজার মো. ইরাক উদ্দিন বলেন, এই ধরনের মাছকে সেরা সাইজের ইলিশ বলা হয়। তাই ব্যবসায়ীরা প্রতিযোগিতার মাধ্যমে এগুলো কেনেন। আড়তের মালিক মো. আকবর হোসেন জানান, আগে প্রায়ই বড় ইলিশ ঘাটে আসত, এখন তেমন দেখা যায় না।

তিনি বলেন, মাছের মান ভালো হলে এবং আকার বড় হলে দাম বেশি হওয়া স্বাভাবিক। জেলেরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মাছ ধরেন, তাই তারা ভালো দাম পেলে খুশি হন।

হাতিয়া উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তা মো. ফাহাদ হাসান বলেন, চেয়ারম্যান ঘাটে প্রায়ই বড় আকারের মাছ ধরা পড়ে এবং এগুলোর দামও ভালো পাওয়া যায়। সরকারের মৎস্য আহরণ নিষেধাজ্ঞা কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হওয়ায় নদী ও সাগরে বড় মাছের প্রাচুর্য দেখা যাচ্ছে। সামনে জেলেরা আরও বেশি পরিমাণে বড় ইলিশ ধরতে পারবেন, যা তাদের জীবনযাত্রায় স্বস্তি আনবে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রগকাটা জামায়াত-শিবির স্বরূপে ফিরেছে : নুরুল হক নুর

৮০টি ইলিশ বিক্রি হলো দুই লাখ ১৩ হাজার টাকায়

আপডেট সময় ০২:৫৪:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার চেয়ারম্যান ঘাটে ৮০টি বড় আকারের ইলিশ দুই লাখ ১৩ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে।মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে মেসার্স আল্লাহর দান মৎস্য আড়তে নিলামের মাধ্যমে মাছগুলো কেনা হয়। আড়তদাররা জানান, প্রতিটি ইলিশের ওজন এক কেজির বেশি এবং কিছু মাছের ওজন দুই কেজিরও বেশি ছিল।

প্রায় পাঁচ দিন সাগরে মাছ ধরার পর ১৭ জন জেলেকে নিয়ে হাতিয়ার জেলে মো. শাহেদ মাঝি এই ইলিশগুলো নিয়ে আসেন। তিনি চেয়ারম্যান ঘাটের মেসার্স আল্লাহর দান মৎস্য আড়তে মাছগুলো নিলামে তোলেন। সেখানে ব্যবসায়ী নাহিদ ব্যাপারী ইলিশগুলো ২ লাখ ১৩ হাজার টাকায় কিনে নেন।

মেসার্স আল্লাহর দান মৎস্য আড়তের ম্যানেজার মো. ইরাক উদ্দিন বলেন, এই ধরনের মাছকে সেরা সাইজের ইলিশ বলা হয়। তাই ব্যবসায়ীরা প্রতিযোগিতার মাধ্যমে এগুলো কেনেন। আড়তের মালিক মো. আকবর হোসেন জানান, আগে প্রায়ই বড় ইলিশ ঘাটে আসত, এখন তেমন দেখা যায় না।

তিনি বলেন, মাছের মান ভালো হলে এবং আকার বড় হলে দাম বেশি হওয়া স্বাভাবিক। জেলেরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মাছ ধরেন, তাই তারা ভালো দাম পেলে খুশি হন।

হাতিয়া উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তা মো. ফাহাদ হাসান বলেন, চেয়ারম্যান ঘাটে প্রায়ই বড় আকারের মাছ ধরা পড়ে এবং এগুলোর দামও ভালো পাওয়া যায়। সরকারের মৎস্য আহরণ নিষেধাজ্ঞা কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হওয়ায় নদী ও সাগরে বড় মাছের প্রাচুর্য দেখা যাচ্ছে। সামনে জেলেরা আরও বেশি পরিমাণে বড় ইলিশ ধরতে পারবেন, যা তাদের জীবনযাত্রায় স্বস্তি আনবে।