দ.আফ্রিকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে চট্টগ্রামের যুবক নিহত

দক্ষিণ আফ্রিকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের মো. জহির উদ্দিন নামে এক প্রবাসী নিহত হয়েছে। সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাতে আফ্রিকার মেফ্লাউরের পুবালাঙ্গা এলাকায় নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত জহির (৪২) মিরসরাই উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের পূর্ব দুর্গাপুর গ্রামের নুর আহম্মদ ড্রাইভার বাড়ির নুর আহম্মদের ছেলে।
জানা গেছে, জীবিকার তাগিদে ২০০৯ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় পাড়ি জমান জহির উদ্দিন। যাওয়ার পর কষ্টে ছিলেন। পরে ওই দেশের পুবালাঙ্গা এলাকায় দোকান দিয়ে ব্যবসা শুরু করেন। ১৬ বছর তিনি দেশে আসেননি।

জহিরের বড় ভাই মো. রেজাউল করিম বলেন, জীবিকার তাগিদে ২০০৯ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় পাড়ি জমান। আর দেশে আসেনি। এখন লাশ হয়ে দেশে আসবে। মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) ভোর সাড়ে ৪টায় খবর আসে আমার ভাইকে সন্ত্রাসীরা তার নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে গুলি করে মেরে ফেলেছে।
তিনি বলেন, জহিরের মরদেহ দক্ষিণ আফ্রিকার মর্গে রয়েছে। এখান থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাঠানোর পর দেশে আনা হবে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দ.আফ্রিকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে চট্টগ্রামের যুবক নিহত

আপডেট সময় ০৪:০৬:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

দক্ষিণ আফ্রিকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের মো. জহির উদ্দিন নামে এক প্রবাসী নিহত হয়েছে। সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাতে আফ্রিকার মেফ্লাউরের পুবালাঙ্গা এলাকায় নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত জহির (৪২) মিরসরাই উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের পূর্ব দুর্গাপুর গ্রামের নুর আহম্মদ ড্রাইভার বাড়ির নুর আহম্মদের ছেলে।
জানা গেছে, জীবিকার তাগিদে ২০০৯ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় পাড়ি জমান জহির উদ্দিন। যাওয়ার পর কষ্টে ছিলেন। পরে ওই দেশের পুবালাঙ্গা এলাকায় দোকান দিয়ে ব্যবসা শুরু করেন। ১৬ বছর তিনি দেশে আসেননি।

জহিরের বড় ভাই মো. রেজাউল করিম বলেন, জীবিকার তাগিদে ২০০৯ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় পাড়ি জমান। আর দেশে আসেনি। এখন লাশ হয়ে দেশে আসবে। মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) ভোর সাড়ে ৪টায় খবর আসে আমার ভাইকে সন্ত্রাসীরা তার নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে গুলি করে মেরে ফেলেছে।
তিনি বলেন, জহিরের মরদেহ দক্ষিণ আফ্রিকার মর্গে রয়েছে। এখান থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাঠানোর পর দেশে আনা হবে।