ঢাকা ০৫:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রগকাটা জামায়াত-শিবির স্বরূপে ফিরেছে : নুরুল হক নুর একাত্তরে ভুল করা দলকে উসকানির রাজনীতি বন্ধের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর কুষ্টিয়ায় আমির হামজার গাড়ি ভাঙচুর, জামায়াত-গণঅধিকারের সংঘর্ষ কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপকের মরদেহ উদ্ধার আবারও ভূমিকম্পে কাঁপল ইন্দোনেশিয়া, নিহত ৪৭ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বসছে ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ লালমনিরহাটে আবাসিক হোটেলের আড়ালে ব্ল্যাকমেইল ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ পটুয়াখালী পৌরসভার প্রশাসকসহ ৩ কর্মকর্তাকে বিদায় সংবর্ধনা বেগম খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল ​ব্রাহ্মণপাড়ায় গলায় ফাঁস দিয়ে যুবকের আত্মহত্যা

৪৮তম বিশেষ বিসিএসে উত্তীর্ণদের সবাইকে নিয়োগের দাবি

দেশে দীর্ঘদিন ধরেই চলছে চিকিৎসক সংকট। সরকারি হাসপাতালে শূন্য পদ দিন দিন বেড়েই চলছে। বিশেষ করে উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে চিকিৎসক সংকট এখন চরম আকার ধারণ করেছে। এ অবস্থায় ৪৮তম বিশেষ বিসিএসের নৈর্ব্যক্তিক (প্রিলিমিনারি) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৪ হাজার ৬৯৫ জন চিকিৎসকের সবাইকে নিয়োগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছে প্রার্থীরা।

বুধবার (২৭ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবের আকরাম খাঁ মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ‘৪৮তম বিশেষ বিসিএস চূড়ান্ত ফলপ্রত্যাশী চিকিৎসক ফোরাম’র ব্যানারে এই দাবি জানানো হয়।

সংগঠনের আহ্বায়ক ডা. গোলাম সামদানী বলেন, স্বাস্থ্য খাতে বর্তমানে প্রায় ১২ হাজার ৯৮০টি চিকিৎসক পদ শূন্য। এই শূন্যপদ পূরণ না হলে তৃণমূলের স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম ভেঙে পড়বে। তাই ৪৮তম বিশেষ বিসিএসে উত্তীর্ণ সব প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়ার পাশাপাশি পূর্বঘোষিত সংখ্যার বাইরে আরও অন্তত ২ হাজার চিকিৎসক বাড়তি নিয়োগ দিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, ৪৫তম, ৪৬তম ও ৪৭তম বিসিএসে চূড়ান্ত ফল প্রকাশের পর বহু চিকিৎসক পদত্যাগ করেছেন। ফলে অনেক পদ আবার শূন্য হয়ে পড়েছে। ‘যদি এবারও সীমিতসংখ্যক নিয়োগ দেওয়া হয়, তাহলে সংকট মেটানোর বদলে আবারও ঘাটতি থেকে যাবে’ বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা মনে করিয়ে দেন, ৩৯তম ও ৪২তম বিশেষ বিসিএসেও নির্ধারিত সংখ্যার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ২ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। এর ফলে গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবায় কিছুটা স্বস্তি ফেরে। একই ধারা অনুসরণ করলে এবারও কার্যকর সমাধান পাওয়া সম্ভব বলে তারা মনে করেন।

ফোরামের সদস্যরা জানান, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ইউনিয়ন পর্যায়ের স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে চিকিৎসক না থাকায় প্রতিদিন হাজারো রোগী সঠিক চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এ ছাড়া বিদ্যমান চিকিৎসকদের ওপর পড়ছে অযৌক্তিক চাপ, যা সেবার মান কমিয়ে দিচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত চিকিৎসকরা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য সংস্কার কমিশন এবং সরকারকে অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। তারা বলেন, চিকিৎসক সংকট মোকাবিলায় জরুরি ভিত্তিতে নিয়োগ প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া ছাড়া বিকল্প নেই।

eFJ

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রগকাটা জামায়াত-শিবির স্বরূপে ফিরেছে : নুরুল হক নুর

৪৮তম বিশেষ বিসিএসে উত্তীর্ণদের সবাইকে নিয়োগের দাবি

আপডেট সময় ০৬:১৪:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫

দেশে দীর্ঘদিন ধরেই চলছে চিকিৎসক সংকট। সরকারি হাসপাতালে শূন্য পদ দিন দিন বেড়েই চলছে। বিশেষ করে উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে চিকিৎসক সংকট এখন চরম আকার ধারণ করেছে। এ অবস্থায় ৪৮তম বিশেষ বিসিএসের নৈর্ব্যক্তিক (প্রিলিমিনারি) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৪ হাজার ৬৯৫ জন চিকিৎসকের সবাইকে নিয়োগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছে প্রার্থীরা।

বুধবার (২৭ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবের আকরাম খাঁ মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ‘৪৮তম বিশেষ বিসিএস চূড়ান্ত ফলপ্রত্যাশী চিকিৎসক ফোরাম’র ব্যানারে এই দাবি জানানো হয়।

সংগঠনের আহ্বায়ক ডা. গোলাম সামদানী বলেন, স্বাস্থ্য খাতে বর্তমানে প্রায় ১২ হাজার ৯৮০টি চিকিৎসক পদ শূন্য। এই শূন্যপদ পূরণ না হলে তৃণমূলের স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম ভেঙে পড়বে। তাই ৪৮তম বিশেষ বিসিএসে উত্তীর্ণ সব প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়ার পাশাপাশি পূর্বঘোষিত সংখ্যার বাইরে আরও অন্তত ২ হাজার চিকিৎসক বাড়তি নিয়োগ দিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, ৪৫তম, ৪৬তম ও ৪৭তম বিসিএসে চূড়ান্ত ফল প্রকাশের পর বহু চিকিৎসক পদত্যাগ করেছেন। ফলে অনেক পদ আবার শূন্য হয়ে পড়েছে। ‘যদি এবারও সীমিতসংখ্যক নিয়োগ দেওয়া হয়, তাহলে সংকট মেটানোর বদলে আবারও ঘাটতি থেকে যাবে’ বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা মনে করিয়ে দেন, ৩৯তম ও ৪২তম বিশেষ বিসিএসেও নির্ধারিত সংখ্যার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ২ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। এর ফলে গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবায় কিছুটা স্বস্তি ফেরে। একই ধারা অনুসরণ করলে এবারও কার্যকর সমাধান পাওয়া সম্ভব বলে তারা মনে করেন।

ফোরামের সদস্যরা জানান, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ইউনিয়ন পর্যায়ের স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে চিকিৎসক না থাকায় প্রতিদিন হাজারো রোগী সঠিক চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এ ছাড়া বিদ্যমান চিকিৎসকদের ওপর পড়ছে অযৌক্তিক চাপ, যা সেবার মান কমিয়ে দিচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত চিকিৎসকরা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য সংস্কার কমিশন এবং সরকারকে অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। তারা বলেন, চিকিৎসক সংকট মোকাবিলায় জরুরি ভিত্তিতে নিয়োগ প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া ছাড়া বিকল্প নেই।

eFJ