ঢাকা ০৯:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রগকাটা জামায়াত-শিবির স্বরূপে ফিরেছে : নুরুল হক নুর একাত্তরে ভুল করা দলকে উসকানির রাজনীতি বন্ধের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর কুষ্টিয়ায় আমির হামজার গাড়ি ভাঙচুর, জামায়াত-গণঅধিকারের সংঘর্ষ কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপকের মরদেহ উদ্ধার আবারও ভূমিকম্পে কাঁপল ইন্দোনেশিয়া, নিহত ৪৭ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বসছে ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ লালমনিরহাটে আবাসিক হোটেলের আড়ালে ব্ল্যাকমেইল ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ পটুয়াখালী পৌরসভার প্রশাসকসহ ৩ কর্মকর্তাকে বিদায় সংবর্ধনা বেগম খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল ​ব্রাহ্মণপাড়ায় গলায় ফাঁস দিয়ে যুবকের আত্মহত্যা

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও শক্তিশালী করা হবে : আইন উপদেষ্টা

জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০০৯ সংশোধনের মাধ্যমে কমিশনকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করা হবে বলে জানিয়েছেন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।
তিনি বলেন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন গঠনে স্বচ্ছ, উন্মুক্ত ও প্রতিযোগিতামূলক প্রক্রিয়া দরকার। তাহলে প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বপ্রাপ্তরা নাগরিকদের মানবাধিকার রক্ষায় সর্বোচ্চ সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করবেন।

শনিবার (২৩ আগস্ট) সিলেটে অংশীজন কর্মশালায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন আইন উপদেষ্টা। আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সঙ্গে যৌথভাবে এ কর্মশালা আয়োজন করে। এতে সহযোগিতা করে ঢাকার সুইজারল্যান্ডের দূতাবাস ও ইউএনডিপি।

আইনের যথাযথ সংশোধন ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও আস্থাভাজন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন আইন উপদেষ্টা।
কর্মশালায় আইন ও সংসদবিষয়ক বিভাগের যুগ্ম সচিব এস এম শাফায়েত হোসেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন-২০০৯ এর ওপর একটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। এতে কমিশনের ম্যান্ডেট, সীমাবদ্ধতা ও চ্যালেঞ্জ তুলে ধরা হয়।

ইউএনডিপি বাংলাদেশের উপ-আবাসিক প্রতিনিধি আনোয়ারুল হক বক্তৃতায় আইনটির বিভিন্ন ধারা সংশোধনের মাধ্যমে শক্তিশালী মানবাধিকার কমিশনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।

আইন ও সংসদবিষয়ক বিভাগের সচিব হাফিজ আহমেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে কর্মশালায় বক্তৃতা করেন— সিলেটের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম। অংশ নেন সরকারি কর্মকর্তা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, মানবাধিকার কর্মী, আইনজীবী, শিক্ষাবিদ, গণমাধ্যমকর্মী ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার ব্যক্তিরা।

কর্মশালায় মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা প্রতিরোধ ও প্রতিকার এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের প্রয়োজনীয় সংস্কার বিষয়ে গঠনমূলক মতামত দেন বক্তারা। তারা আইনি সংস্কারের মাধ্যমে কমিশনের নিয়োগ প্রক্রিয়া শক্তিশালী করারও প্রস্তাব দেন।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রগকাটা জামায়াত-শিবির স্বরূপে ফিরেছে : নুরুল হক নুর

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও শক্তিশালী করা হবে : আইন উপদেষ্টা

আপডেট সময় ১২:০৮:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৫

জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০০৯ সংশোধনের মাধ্যমে কমিশনকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করা হবে বলে জানিয়েছেন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।
তিনি বলেন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন গঠনে স্বচ্ছ, উন্মুক্ত ও প্রতিযোগিতামূলক প্রক্রিয়া দরকার। তাহলে প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বপ্রাপ্তরা নাগরিকদের মানবাধিকার রক্ষায় সর্বোচ্চ সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করবেন।

শনিবার (২৩ আগস্ট) সিলেটে অংশীজন কর্মশালায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন আইন উপদেষ্টা। আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সঙ্গে যৌথভাবে এ কর্মশালা আয়োজন করে। এতে সহযোগিতা করে ঢাকার সুইজারল্যান্ডের দূতাবাস ও ইউএনডিপি।

আইনের যথাযথ সংশোধন ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও আস্থাভাজন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন আইন উপদেষ্টা।
কর্মশালায় আইন ও সংসদবিষয়ক বিভাগের যুগ্ম সচিব এস এম শাফায়েত হোসেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন-২০০৯ এর ওপর একটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। এতে কমিশনের ম্যান্ডেট, সীমাবদ্ধতা ও চ্যালেঞ্জ তুলে ধরা হয়।

ইউএনডিপি বাংলাদেশের উপ-আবাসিক প্রতিনিধি আনোয়ারুল হক বক্তৃতায় আইনটির বিভিন্ন ধারা সংশোধনের মাধ্যমে শক্তিশালী মানবাধিকার কমিশনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।

আইন ও সংসদবিষয়ক বিভাগের সচিব হাফিজ আহমেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে কর্মশালায় বক্তৃতা করেন— সিলেটের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম। অংশ নেন সরকারি কর্মকর্তা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, মানবাধিকার কর্মী, আইনজীবী, শিক্ষাবিদ, গণমাধ্যমকর্মী ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার ব্যক্তিরা।

কর্মশালায় মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা প্রতিরোধ ও প্রতিকার এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের প্রয়োজনীয় সংস্কার বিষয়ে গঠনমূলক মতামত দেন বক্তারা। তারা আইনি সংস্কারের মাধ্যমে কমিশনের নিয়োগ প্রক্রিয়া শক্তিশালী করারও প্রস্তাব দেন।