ঢাকা ১২:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বন মামলার নথি বদলে ফেলেছে বন সংরক্ষক এ.এস.এম. জহির উদ্দিন ফায়ারের গাড়ি চালক সাখাওয়াতের কোটি কোটি টাকা বন্যা মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে : জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী দেশে বিপুল কর্মক্ষম জনসংখ্যা রয়েছে, যা বিশ্বের কোথাও নেই : শিক্ষামন্ত্রী বিএনপি মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক ডা. পাভেলকে দেখতে হাসপাতালে প্রধানমন্ত্রী আর্জেন্টিনার বিপক্ষে নামার আগে সেরা খেলোয়াড়কে হারাল সুইজারল্যান্ড ফরিদপুরে বাসচাপায় নিহত ৪ ‘জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে’ : ব্রাহ্মণপাড়ায় এমপি জসিম উদ্দিন প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া ও চীন সফর অর্থনৈতিক সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিটের দামে ধস

বি কে ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন

বি কে ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপিত হয়েছে।
শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সাতক্ষীরা সদর শিকড়ী হাইস্কুলে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে র‍্যালি,আলোচনা-সভা,বিশেষ দোয়া-মোনাজাতসহ বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে উদযাপন করা হয়েছে দিবসটি।

আলোচনা-সভা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অত্র প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ ওহিদ উদ্দিন

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন সহকারী প্রধান শিক্ষক মোঃতোতাউর রহমান,বনি আমিন,পলাশ কুমার,মনিরুজ্জামান,আজহারু হক,খাদিজা খাতুন,রাফেজা,সুমি আফরোজ,সবুর হোসেন,শরিফুল ইসলাম সহ পতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ।

এসময় বক্তারা ১৯৫২ সালের ইতিহাস স্মরণ করে বলেন, ভাষা আন্দোলন ছিল ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রথম ধাপ। তৎকালীন পাকিস্তানের শতকরা ৫৬ জন মানুষের মুখের ভাষা ছিল বাংলা।তার পরেও ভাষার প্রশ্নে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ বলেছিলো উর্দু এবং একমাত্র উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা।তার বক্তব্যের প্রতিবাদে ছাত্র-জনতা ফেব্রুয়ারির ২১ তারিখ ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে রাজপথে মিছিল বের করে।
আইন ভঙ্গের দায়ে পুলিশ মিছিলে গুলি করে। শহীদ হন সালাম,রফিক,জব্বার, সফিক, বরকত সহনাম না জান আরো অনেকে।তাদের সর্বোচ্চ ত্যাগের বিনিময়ে আমরা পেয়েছিলাম বাংলা ভাষা।

এ সময় উপস্থিত শিক্ষার্থীদের ইতিহাস জানানোর উদ্দেশ্যে বক্তারা আরো বলেন, ১৯৯৯ খ্রিষ্টাব্দের ১৭ নভেম্বর অনুষ্ঠিত ইউনেস্কোর প্যারিস অধিবেশনে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস করার প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। এ ব্যাপারে বিশ্বের ১৮৮টি দেশ সমর্থন জানালে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
তারই ধারাবাহিকতায় ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে দিবসটি বাংলাদেশ সহ জাতিসংঘের সদস্যদেশসমূহে যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয়ে আসছ।

অনুষ্ঠানের শেষে দোয়া-মোনাজাতে উপস্থিত সকলে ১৯৫২ সালের ভাষা শহীদ এবং ২০২৪ সালের বিপ্লবে নিহত সকল ছাত্র জনতার জন্য আল্লাহর কাছে জান্নাতের সর্বোচ্চ সম্মাননা কামনা করেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বন মামলার নথি বদলে ফেলেছে বন সংরক্ষক এ.এস.এম. জহির উদ্দিন

বি কে ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন

আপডেট সময় ১২:৫৭:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

বি কে ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপিত হয়েছে।
শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সাতক্ষীরা সদর শিকড়ী হাইস্কুলে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে র‍্যালি,আলোচনা-সভা,বিশেষ দোয়া-মোনাজাতসহ বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে উদযাপন করা হয়েছে দিবসটি।

আলোচনা-সভা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অত্র প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ ওহিদ উদ্দিন

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন সহকারী প্রধান শিক্ষক মোঃতোতাউর রহমান,বনি আমিন,পলাশ কুমার,মনিরুজ্জামান,আজহারু হক,খাদিজা খাতুন,রাফেজা,সুমি আফরোজ,সবুর হোসেন,শরিফুল ইসলাম সহ পতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ।

এসময় বক্তারা ১৯৫২ সালের ইতিহাস স্মরণ করে বলেন, ভাষা আন্দোলন ছিল ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রথম ধাপ। তৎকালীন পাকিস্তানের শতকরা ৫৬ জন মানুষের মুখের ভাষা ছিল বাংলা।তার পরেও ভাষার প্রশ্নে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ বলেছিলো উর্দু এবং একমাত্র উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা।তার বক্তব্যের প্রতিবাদে ছাত্র-জনতা ফেব্রুয়ারির ২১ তারিখ ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে রাজপথে মিছিল বের করে।
আইন ভঙ্গের দায়ে পুলিশ মিছিলে গুলি করে। শহীদ হন সালাম,রফিক,জব্বার, সফিক, বরকত সহনাম না জান আরো অনেকে।তাদের সর্বোচ্চ ত্যাগের বিনিময়ে আমরা পেয়েছিলাম বাংলা ভাষা।

এ সময় উপস্থিত শিক্ষার্থীদের ইতিহাস জানানোর উদ্দেশ্যে বক্তারা আরো বলেন, ১৯৯৯ খ্রিষ্টাব্দের ১৭ নভেম্বর অনুষ্ঠিত ইউনেস্কোর প্যারিস অধিবেশনে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস করার প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। এ ব্যাপারে বিশ্বের ১৮৮টি দেশ সমর্থন জানালে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
তারই ধারাবাহিকতায় ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে দিবসটি বাংলাদেশ সহ জাতিসংঘের সদস্যদেশসমূহে যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয়ে আসছ।

অনুষ্ঠানের শেষে দোয়া-মোনাজাতে উপস্থিত সকলে ১৯৫২ সালের ভাষা শহীদ এবং ২০২৪ সালের বিপ্লবে নিহত সকল ছাত্র জনতার জন্য আল্লাহর কাছে জান্নাতের সর্বোচ্চ সম্মাননা কামনা করেন।