ঢাকা ১১:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বন মামলার নথি বদলে ফেলেছে বন সংরক্ষক এ.এস.এম. জহির উদ্দিন ফায়ারের গাড়ি চালক সাখাওয়াতের কোটি কোটি টাকা বন্যা মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে : জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী দেশে বিপুল কর্মক্ষম জনসংখ্যা রয়েছে, যা বিশ্বের কোথাও নেই : শিক্ষামন্ত্রী বিএনপি মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক ডা. পাভেলকে দেখতে হাসপাতালে প্রধানমন্ত্রী আর্জেন্টিনার বিপক্ষে নামার আগে সেরা খেলোয়াড়কে হারাল সুইজারল্যান্ড ফরিদপুরে বাসচাপায় নিহত ৪ ‘জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে’ : ব্রাহ্মণপাড়ায় এমপি জসিম উদ্দিন প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া ও চীন সফর অর্থনৈতিক সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিটের দামে ধস

বদরগঞ্জে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে বাড়িঘর ভষ্মিভুত,দশ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি

 

রংপুরের বদরগঞ্জে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে একই পরিবারের চার বাড়িঘর পুড়ে ভষ্মিভুত হয়েছে। গতকাল শুক্রবার গভীর রাতে উপজেলার দামোদরপুর ইউনিয়নের পশ্চিম ঝাড়পাড়া গ্রামে এঘটনা ঘটে।

গ্রামবাসি ও প্রত্যক্ষদর্শী সুত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাতে ওই গ্রামের আমজাদ হোসেন রাতের খাবার খেয়ে স্বপরিবারে ঘুমিয়ে পড়ে। তারা মধ্য রাতে একটি বিকট শব্দে ঘুম থেকে জেগে উঠে দেখতে পায় তাদের ঘরে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। এসময় তাদের আত্মচিৎকারে গ্রামবাসি ছুটে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে। ততক্ষণে আগুনের লেলিহান শিখা চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে আমজাদ হোসেন, তার ছেলে আজিজুল হক ও তার বৃদ্ধ শাশুড়ি জাহেদা খাতুনের সহ চারটি ঘরবাড়ি, ঘরের আসবাবপত্র, দুটি গাভী গরু, তিনটি ছাগল ও হাস মুরগী পুড়ে ভষ্মিভুত হয়। এতে করে তাদের প্রায় দশ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারনা করা হচ্ছে।

এপ্রসঙ্গে ওই গ্রামের আশিকুর রহমান জানায়, ভুক্তভোগীদের সোর চিৎকার শুনে গ্রামবাসি ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়েছিল। কিন্তু আগুনের প্রচন্ড তাপের কারণে লোকজন কাছাকাছি গিয়ে আগুন নেভাতে পারেনি। ততক্ষণে ঘরবাড়ি সহ সব কিছু পুড়ে গেছে ছাই হয়েছে।

খবর পেয়ে বদরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের লোকজন ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রন করে। কিন্তু তাতেও কোন লাভ হয়নি। তার আগেই সব কিছু পুড়ে যায়। বলতে পারেন আমজাদ হোসেন ও অন্যান্যরা এখন নিঃশ্ব আমরা চাই আপনাদের লেখনির মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্থরা যেন সরকারি ও বেসরকারিভাবে আর্থিক সাহায্য সহোযোগীতা পায়।

এবিষয়ে বদরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মিজানুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, অগ্নিকান্ডে ক্ষয়ক্ষতির ঘটনাটি শোনার পর ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারকে কম্বল ও কিছু চাল দেওয়া হয়েছে। এক প্রশ্নে জবাবে তিনি বলেন, আপাতত উপজেলা পরিষদের ফান্ডে কোন অর্থ নেই। তবে তারা লিখিতভাবে আবেদন করলে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে তাদের বিষয়টি বিবেচনা হবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বন মামলার নথি বদলে ফেলেছে বন সংরক্ষক এ.এস.এম. জহির উদ্দিন

বদরগঞ্জে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে বাড়িঘর ভষ্মিভুত,দশ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি

আপডেট সময় ০৯:২৮:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

রংপুরের বদরগঞ্জে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে একই পরিবারের চার বাড়িঘর পুড়ে ভষ্মিভুত হয়েছে। গতকাল শুক্রবার গভীর রাতে উপজেলার দামোদরপুর ইউনিয়নের পশ্চিম ঝাড়পাড়া গ্রামে এঘটনা ঘটে।

গ্রামবাসি ও প্রত্যক্ষদর্শী সুত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাতে ওই গ্রামের আমজাদ হোসেন রাতের খাবার খেয়ে স্বপরিবারে ঘুমিয়ে পড়ে। তারা মধ্য রাতে একটি বিকট শব্দে ঘুম থেকে জেগে উঠে দেখতে পায় তাদের ঘরে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। এসময় তাদের আত্মচিৎকারে গ্রামবাসি ছুটে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে। ততক্ষণে আগুনের লেলিহান শিখা চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে আমজাদ হোসেন, তার ছেলে আজিজুল হক ও তার বৃদ্ধ শাশুড়ি জাহেদা খাতুনের সহ চারটি ঘরবাড়ি, ঘরের আসবাবপত্র, দুটি গাভী গরু, তিনটি ছাগল ও হাস মুরগী পুড়ে ভষ্মিভুত হয়। এতে করে তাদের প্রায় দশ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারনা করা হচ্ছে।

এপ্রসঙ্গে ওই গ্রামের আশিকুর রহমান জানায়, ভুক্তভোগীদের সোর চিৎকার শুনে গ্রামবাসি ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়েছিল। কিন্তু আগুনের প্রচন্ড তাপের কারণে লোকজন কাছাকাছি গিয়ে আগুন নেভাতে পারেনি। ততক্ষণে ঘরবাড়ি সহ সব কিছু পুড়ে গেছে ছাই হয়েছে।

খবর পেয়ে বদরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের লোকজন ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রন করে। কিন্তু তাতেও কোন লাভ হয়নি। তার আগেই সব কিছু পুড়ে যায়। বলতে পারেন আমজাদ হোসেন ও অন্যান্যরা এখন নিঃশ্ব আমরা চাই আপনাদের লেখনির মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্থরা যেন সরকারি ও বেসরকারিভাবে আর্থিক সাহায্য সহোযোগীতা পায়।

এবিষয়ে বদরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মিজানুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, অগ্নিকান্ডে ক্ষয়ক্ষতির ঘটনাটি শোনার পর ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারকে কম্বল ও কিছু চাল দেওয়া হয়েছে। এক প্রশ্নে জবাবে তিনি বলেন, আপাতত উপজেলা পরিষদের ফান্ডে কোন অর্থ নেই। তবে তারা লিখিতভাবে আবেদন করলে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে তাদের বিষয়টি বিবেচনা হবে।