ঢাকা ০১:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হরমুজ প্রণালিকে মুক্ত করতে বেশি সময় লাগবে না : ট্রাম্প কেন্দ্রীয় চুক্তিতে যে পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে ভারত পিএসএলে নিরাপত্তা নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার উদ্বেগ, যা বলছে পিসিবি যমুনায় সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী পাটুরিয়ায় যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়, পারাপারে চলছে ১৮টি লঞ্চ চট্টগ্রামে ডিসির নির্দেশে যন্ত্রপাতি বিক্রি করে শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধ মন্ত্রী-এমপিরা কে কোথায় ঈদ করবেন? ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন শরীয়তপুর জেলা বি এন পি সাংগঠনিক সম্পাদক ও সখিপুর থানা বি এন পির আহ্বায়ক এস এম এ হামিদ ঈশ্বরদী থেকে এলো উদ্ধারকারী ট্রেন, সৈয়দপুর থেকে আসছে আরেকটি রূহানীনগর এর পক্ষ থেকে সম্মানিত ইমাম-মুয়াজ্জিনগণকে  হাদিয়া প্রদান

শরিয়তপুরে মা ইলিশ রক্ষার্থে সচেতনতার বার্তা

শরীয়তপুরের জাজিরায় ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের আওতায় “মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান ২০২৪” সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সচেতনতা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৫অক্টোবর) বিকালে উপজেলার পূর্বনাওডোনা ইউনিয়নের হাজী ওছিমদ্দিম মাদবর কান্দি এলাকায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় মাঝিরঘাট নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোঃ জসিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নৌ পুলিশের চাঁদপুর অঞ্চলের পুলিশ সুপার সৈয়দ মুশফিকুর রহমান। এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শরীয়তপুর জেলা পুলিশ সুপার মোঃ নজরুল ইসলাম, নৌ পুলিশের চাঁদপুর অঞ্চলের সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ ইমতিয়াজ আহাম্মদ, পদ্মাসেতু দক্ষিণ থানার অফিসার ইনচার্জ আকরাম হোসেন, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল শরীফ।

সভায় বক্তারা ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ সংরক্ষণের গুরুত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন। নৌ পুলিশ সুপার সৈয়দ মুশফিকুর রহমান বলেন, ১৩ অক্টোবর থেকে ৩ নভেম্বর পর্যন্ত মোট ২২ দিন ইলিশ ধরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে মৎস্য আইনে সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড বা ৫ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান প্রযোজ্য হবে। তিনি জেলেদের নিষিদ্ধ সময়ে ইলিশ মাছ ধরা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান এবং এই কার্যক্রম সফল করার জন্যে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

এসময় উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল শরীফ বলেন, নির্দিষ্ট সময়ে ইলিশের বংশ বিস্তারের জন্য ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় মা ইলিশ শিকার করলে পরবর্তী সময়ে ইলিশের সংকট দেখা দিবে। তাই নির্ধারিত সময়ে আইন মান্য করে সকলকে ইলিশ শিকার থেকে বিরত থাকতে হবে। স্থানীয় মৎস্যজীবীরা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, সচেতনতা বৃদ্ধি ও কঠোর মনিটরিংয়ের মাধ্যমে ইলিশের প্রজনন প্রক্রিয়াকে সুরক্ষিত করা সম্ভব হবে, যা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। সভায় উপস্থিত সকলে ইলিশ সম্পদ রক্ষার জন্যে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালিকে মুক্ত করতে বেশি সময় লাগবে না : ট্রাম্প

শরিয়তপুরে মা ইলিশ রক্ষার্থে সচেতনতার বার্তা

আপডেট সময় ০২:৩৭:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৪

শরীয়তপুরের জাজিরায় ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের আওতায় “মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান ২০২৪” সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সচেতনতা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৫অক্টোবর) বিকালে উপজেলার পূর্বনাওডোনা ইউনিয়নের হাজী ওছিমদ্দিম মাদবর কান্দি এলাকায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় মাঝিরঘাট নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোঃ জসিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নৌ পুলিশের চাঁদপুর অঞ্চলের পুলিশ সুপার সৈয়দ মুশফিকুর রহমান। এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শরীয়তপুর জেলা পুলিশ সুপার মোঃ নজরুল ইসলাম, নৌ পুলিশের চাঁদপুর অঞ্চলের সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ ইমতিয়াজ আহাম্মদ, পদ্মাসেতু দক্ষিণ থানার অফিসার ইনচার্জ আকরাম হোসেন, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল শরীফ।

সভায় বক্তারা ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ সংরক্ষণের গুরুত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন। নৌ পুলিশ সুপার সৈয়দ মুশফিকুর রহমান বলেন, ১৩ অক্টোবর থেকে ৩ নভেম্বর পর্যন্ত মোট ২২ দিন ইলিশ ধরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে মৎস্য আইনে সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড বা ৫ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান প্রযোজ্য হবে। তিনি জেলেদের নিষিদ্ধ সময়ে ইলিশ মাছ ধরা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান এবং এই কার্যক্রম সফল করার জন্যে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

এসময় উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল শরীফ বলেন, নির্দিষ্ট সময়ে ইলিশের বংশ বিস্তারের জন্য ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় মা ইলিশ শিকার করলে পরবর্তী সময়ে ইলিশের সংকট দেখা দিবে। তাই নির্ধারিত সময়ে আইন মান্য করে সকলকে ইলিশ শিকার থেকে বিরত থাকতে হবে। স্থানীয় মৎস্যজীবীরা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, সচেতনতা বৃদ্ধি ও কঠোর মনিটরিংয়ের মাধ্যমে ইলিশের প্রজনন প্রক্রিয়াকে সুরক্ষিত করা সম্ভব হবে, যা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। সভায় উপস্থিত সকলে ইলিশ সম্পদ রক্ষার জন্যে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।