সংবাদ শিরোনাম ::
রং-বার্নিশের নামে অর্থ আত্মসাতের নানা অভিযোগ প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতিসহ নানা অনিয়মের বিস্তর অভিযোগ গণপূর্তে বিদায়ী সংবর্ধনার নামে ৫০ লাখ টাকার চাঁদা আদায়ের অভিযোগ ল্যাগেজ সিন্ডিকেটে বেপরোয়া এআরও আরেফিন ও জুনাব, বেনাপোলে রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ স্ট্যান্ড রিলিজের পরও ছাড়েননি দায়িত্ব, ২০ দিনে তুলেছেন ২০ লাখ টাকা ডিএসসিসির প্রকৌশলী আনিছুরকে ঘিরে দুর্নীতির অভিযোগ, তদন্তের নির্দেশ গলদে ভরা প্রকল্পের কেন্দ্রে প্রকল্প পরিচালক শেখ মো. আবু জাকির সেকান্দার বালিয়াকান্দি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তে উঠছে প্রশ্ন পদোন্নতি পেলেন জিয়াউর রহমানকে হত্যাকারী কর্নেল নওয়াজেশের মেয়ে নাশিদ গণপূর্তে আসবাব সরবরাহে হাতিলের অঘোষিত আধিপত্য

ইমামকে মাদ্রাসা থেকে অপসারণের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেন এলাকাবাসী

চাঁপাইনবাবগঞ্জে নিমগাছি দারুল উলুম জেসামিয়া ইসলামিয়া ক্বওমী মাদ্রাসার শিক্ষক আব্দুল আজিজকে অপসারণের প্রতিবাদে ও পুর্নবহালের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন মুসল্লী ও স্থানীয় গ্রামবাসী। শনিবার সকালে জেলা শহরের ফুলবাগান নতুনপাড়ায় মাদরাসার সামনে এই মানববন্ধনের আয়োজন করে স্থানীয় গ্রামবাসী ও শংকরবাটি চারতলা জামে মসজিদের মুসল্লীরা। এসময় বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তুলে ধরে ২৪ ঘন্টার মধ্যে মাদরাসার প্রিন্সিপাল মাহবুবুর রহমানের পদত্যাগ দাবি করেন তারা৷

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, শংকরবাটি চারতলা জামে মসজিদের ইমাম আব্দুল আজিজ একইসাথে দীর্ঘদিন ধরে নিমগাছি দারুল উলুম জেসামিয়া ইসলামিয়া ক্বওমী মাদ্রাসার শিক্ষক হিসেবে সম্মানের দায়িত্ব পালন করছিলেন৷ কিন্তু হঠাৎ করেই কোন কারন ছাড়াই অনৈতিক ও অবৈধভাবে তাকে অপসারণ করেছেন মাদরাসার অধ্যক্ষ মাহবুবুর রহমান ও মাদ্রাসার সভাপতি আলহাজ্ব ওমর ফারুক ও সেক্রেটারি কেবলাল হোসেন খোকা। প্রতিষ্ঠানের অর্থ আত্মসাতসহ নিজের অনিয়ম-দুর্নীতি ঢাকতেই তাকে অপসারণ করা হয়েছে। আব্দুল আজিজ ছাড়াও আরও তিন শিক্ষককে একইভাবে সরিয়েছেন প্রিন্সিপাল মাহবুবুর রহমান।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, স্থানীয় বাসিন্দা মো. মিন্টু, মো. মানিক, আশরাফুল হক, নুর-আলম, মো. শামিম ইসলাম, মো. আনজার আলী, মো. মেহেদী হাসানসহ অন্যান্যরা।

বক্তবে বক্তারা বলেন এছাড়াও প্রিন্সিপাল মাহবুবুর রহমানের নামে বেস কিছু অভিযোগ দেন এলাকাবাসী।
কয়েকজনের জানা গেছে মাহবুবুর রহমান মসজিদ মাদ্রাসা ও এতিমখানার নামে যে টাকা টা চাঁদা আদায় করতো সেই খান থেকে ২০% সে তার পকেটে রেখে দিতো। তাছাড়া আরো অনেক অভিযোগ তার নামে তুলে ধরেন এলাকাবাসী।

এলাকাবাসী আরো জানান
প্রিন্সিপাল মাহবুবুর রহমান নিজ থেকে পদত্যাগ না করলে আবারও আমাদের ২২শো ঘরের জামাত। প্রতিটা ঘর থেকে এক জন এক জন করে লোক নিয়ে এসে কঠিন আন্দোলন করে তাকে পদত্যাগ করাতে বাথ্যা করা হবে বলে কঠিক হুশিয়ারী দেন এলাকাবাসী।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রং-বার্নিশের নামে অর্থ আত্মসাতের নানা অভিযোগ প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে

ইমামকে মাদ্রাসা থেকে অপসারণের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেন এলাকাবাসী

আপডেট সময় ০৬:৩৭:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৪

চাঁপাইনবাবগঞ্জে নিমগাছি দারুল উলুম জেসামিয়া ইসলামিয়া ক্বওমী মাদ্রাসার শিক্ষক আব্দুল আজিজকে অপসারণের প্রতিবাদে ও পুর্নবহালের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন মুসল্লী ও স্থানীয় গ্রামবাসী। শনিবার সকালে জেলা শহরের ফুলবাগান নতুনপাড়ায় মাদরাসার সামনে এই মানববন্ধনের আয়োজন করে স্থানীয় গ্রামবাসী ও শংকরবাটি চারতলা জামে মসজিদের মুসল্লীরা। এসময় বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তুলে ধরে ২৪ ঘন্টার মধ্যে মাদরাসার প্রিন্সিপাল মাহবুবুর রহমানের পদত্যাগ দাবি করেন তারা৷

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, শংকরবাটি চারতলা জামে মসজিদের ইমাম আব্দুল আজিজ একইসাথে দীর্ঘদিন ধরে নিমগাছি দারুল উলুম জেসামিয়া ইসলামিয়া ক্বওমী মাদ্রাসার শিক্ষক হিসেবে সম্মানের দায়িত্ব পালন করছিলেন৷ কিন্তু হঠাৎ করেই কোন কারন ছাড়াই অনৈতিক ও অবৈধভাবে তাকে অপসারণ করেছেন মাদরাসার অধ্যক্ষ মাহবুবুর রহমান ও মাদ্রাসার সভাপতি আলহাজ্ব ওমর ফারুক ও সেক্রেটারি কেবলাল হোসেন খোকা। প্রতিষ্ঠানের অর্থ আত্মসাতসহ নিজের অনিয়ম-দুর্নীতি ঢাকতেই তাকে অপসারণ করা হয়েছে। আব্দুল আজিজ ছাড়াও আরও তিন শিক্ষককে একইভাবে সরিয়েছেন প্রিন্সিপাল মাহবুবুর রহমান।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, স্থানীয় বাসিন্দা মো. মিন্টু, মো. মানিক, আশরাফুল হক, নুর-আলম, মো. শামিম ইসলাম, মো. আনজার আলী, মো. মেহেদী হাসানসহ অন্যান্যরা।

বক্তবে বক্তারা বলেন এছাড়াও প্রিন্সিপাল মাহবুবুর রহমানের নামে বেস কিছু অভিযোগ দেন এলাকাবাসী।
কয়েকজনের জানা গেছে মাহবুবুর রহমান মসজিদ মাদ্রাসা ও এতিমখানার নামে যে টাকা টা চাঁদা আদায় করতো সেই খান থেকে ২০% সে তার পকেটে রেখে দিতো। তাছাড়া আরো অনেক অভিযোগ তার নামে তুলে ধরেন এলাকাবাসী।

এলাকাবাসী আরো জানান
প্রিন্সিপাল মাহবুবুর রহমান নিজ থেকে পদত্যাগ না করলে আবারও আমাদের ২২শো ঘরের জামাত। প্রতিটা ঘর থেকে এক জন এক জন করে লোক নিয়ে এসে কঠিন আন্দোলন করে তাকে পদত্যাগ করাতে বাথ্যা করা হবে বলে কঠিক হুশিয়ারী দেন এলাকাবাসী।