ঢাকা ১২:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হরমুজ প্রণালিকে মুক্ত করতে বেশি সময় লাগবে না : ট্রাম্প কেন্দ্রীয় চুক্তিতে যে পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে ভারত পিএসএলে নিরাপত্তা নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার উদ্বেগ, যা বলছে পিসিবি যমুনায় সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী পাটুরিয়ায় যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়, পারাপারে চলছে ১৮টি লঞ্চ চট্টগ্রামে ডিসির নির্দেশে যন্ত্রপাতি বিক্রি করে শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধ মন্ত্রী-এমপিরা কে কোথায় ঈদ করবেন? ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন শরীয়তপুর জেলা বি এন পি সাংগঠনিক সম্পাদক ও সখিপুর থানা বি এন পির আহ্বায়ক এস এম এ হামিদ ঈশ্বরদী থেকে এলো উদ্ধারকারী ট্রেন, সৈয়দপুর থেকে আসছে আরেকটি রূহানীনগর এর পক্ষ থেকে সম্মানিত ইমাম-মুয়াজ্জিনগণকে  হাদিয়া প্রদান

শিশুর দিকে তাকিয়ে যুদ্ধ বিরতি চাইলেন নোবেলজয়ী মালালা

আন্তর্জাতিক মহল থেকে বারবার যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানানো হলেও এখনও গাজায় নিরস্ত্র মানুষের ওপর হামলা চালাচ্ছে ইসরাইল। তাদের প্রতিহিংসার শিকার হচ্ছেন নিরপরাধ শিশুরা। যা নাড়িয়ে দিচ্ছে গোটা বিশ্বকে। গাজা যুদ্ধের ভয়াবহতা তুলে ধরে এবার যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছেন নোবেলজয়ী মালালা ইউসুফজাই।

অবরুদ্ধ ছিটমহলে ইসরাইলের বোমাবর্ষণ একটা ছোট্ট শিশুর ওপর কি মানসিক প্রভাব ফেলছে তা সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে এক পোস্ট দিয়ে বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছে তুলে ধরেছেন পাকিস্তানের এই নোবেলজয়ী।

গাজায় ইসরাইলের সামরিক আগ্রাসনের শিকার হয়ে স্ট্রেস ও ট্রমায় চার বছরের এক শিশুর চুল হারানোর গল্প তুলে ধরে মালালা ইনস্টাগ্রামে লিখেছেন, ‘ইসরাইলের বোমাবর্ষণে ফিলিস্তিনি মেয়েরা যে মানসিক আঘাতের সম্মুখীন হচ্ছে- শান্তি নেই, স্কুল নেই। আমাদের এখন যুদ্ধবিরতি দরকার এবং এই শিশুদের জীবন রক্ষা করা দরকার।’

মালালার শেয়ার করা ওই সাক্ষাৎকারটি সংবাদ মাধ্যম আল-জাজিরার নেওয়া। যেখানে সামা তাবিল নামের ৪ বছরের এক শিশুর চুল হারানোর পেছনের কারণ সামনে আনা হয়েছে। যেখানে ওই শিশুটি তার হারানো চুল ফেরত পেতে ও আগের মতো সুন্দর হতে বিদেশে উন্নত চিকিৎসার আকুতি জানিয়েছেন।

হৃদয়বিদারক ওই ভিডিও সাক্ষাৎকারে, ছোট্ট মেয়েটি বলেছে, সে স্কুলে ভাল ছাত্রী ছিল এবং স্কুলে যাওয়ার আগে প্রতিদিন তার চুল সুন্দর করে গোছাত। তবে
রাফাতে তাদের ক্যাম্পে ইসরাইলি বাহিনীর হামলার পর পরিবারের সাথে বাস্তুচ্যুত হতে হয় তাকে।

চুল হারানো নিয়ে সামা বলেন, হামলার সময় তিনি এবং তার পরিবার ঘুমিয়ে ছিলেন। পরে গুলি ও বোমা বিস্ফোরণের শব্দে তারা জেগে ওঠে। আর এ ঘটনার বেশ কয়েকদিন পর থেকেই তার মাথা থেকে চুল পড়া শুরু হয়। এ বিষয়ে সামার মা বলছে, বোমা হামলার পরে তার মেয়ে মৃতদেহ এবং ধ্বংসাবশেষ দেখেছিল যা তার ওপর প্রভাব ফেলেছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালিকে মুক্ত করতে বেশি সময় লাগবে না : ট্রাম্প

শিশুর দিকে তাকিয়ে যুদ্ধ বিরতি চাইলেন নোবেলজয়ী মালালা

আপডেট সময় ০২:০৩:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৪

আন্তর্জাতিক মহল থেকে বারবার যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানানো হলেও এখনও গাজায় নিরস্ত্র মানুষের ওপর হামলা চালাচ্ছে ইসরাইল। তাদের প্রতিহিংসার শিকার হচ্ছেন নিরপরাধ শিশুরা। যা নাড়িয়ে দিচ্ছে গোটা বিশ্বকে। গাজা যুদ্ধের ভয়াবহতা তুলে ধরে এবার যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছেন নোবেলজয়ী মালালা ইউসুফজাই।

অবরুদ্ধ ছিটমহলে ইসরাইলের বোমাবর্ষণ একটা ছোট্ট শিশুর ওপর কি মানসিক প্রভাব ফেলছে তা সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে এক পোস্ট দিয়ে বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছে তুলে ধরেছেন পাকিস্তানের এই নোবেলজয়ী।

গাজায় ইসরাইলের সামরিক আগ্রাসনের শিকার হয়ে স্ট্রেস ও ট্রমায় চার বছরের এক শিশুর চুল হারানোর গল্প তুলে ধরে মালালা ইনস্টাগ্রামে লিখেছেন, ‘ইসরাইলের বোমাবর্ষণে ফিলিস্তিনি মেয়েরা যে মানসিক আঘাতের সম্মুখীন হচ্ছে- শান্তি নেই, স্কুল নেই। আমাদের এখন যুদ্ধবিরতি দরকার এবং এই শিশুদের জীবন রক্ষা করা দরকার।’

মালালার শেয়ার করা ওই সাক্ষাৎকারটি সংবাদ মাধ্যম আল-জাজিরার নেওয়া। যেখানে সামা তাবিল নামের ৪ বছরের এক শিশুর চুল হারানোর পেছনের কারণ সামনে আনা হয়েছে। যেখানে ওই শিশুটি তার হারানো চুল ফেরত পেতে ও আগের মতো সুন্দর হতে বিদেশে উন্নত চিকিৎসার আকুতি জানিয়েছেন।

হৃদয়বিদারক ওই ভিডিও সাক্ষাৎকারে, ছোট্ট মেয়েটি বলেছে, সে স্কুলে ভাল ছাত্রী ছিল এবং স্কুলে যাওয়ার আগে প্রতিদিন তার চুল সুন্দর করে গোছাত। তবে
রাফাতে তাদের ক্যাম্পে ইসরাইলি বাহিনীর হামলার পর পরিবারের সাথে বাস্তুচ্যুত হতে হয় তাকে।

চুল হারানো নিয়ে সামা বলেন, হামলার সময় তিনি এবং তার পরিবার ঘুমিয়ে ছিলেন। পরে গুলি ও বোমা বিস্ফোরণের শব্দে তারা জেগে ওঠে। আর এ ঘটনার বেশ কয়েকদিন পর থেকেই তার মাথা থেকে চুল পড়া শুরু হয়। এ বিষয়ে সামার মা বলছে, বোমা হামলার পরে তার মেয়ে মৃতদেহ এবং ধ্বংসাবশেষ দেখেছিল যা তার ওপর প্রভাব ফেলেছে।