ঢাকা ১০:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সমন্বিত প্রচেষ্টায় ৪-৫ বছরেই অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী ঢাকাসহ সারাদেশে হঠাৎ সর্বোচ্চ সতর্কতা জা‌রি করলো পুলিশ সদর দপ্তর ৭ কেজি সোনা নিয়ে ভারতে ঢুকতে গিয়ে ধরা পড়লেন যুবক অপরিকল্পিত কেনাকাটায় অচল কোটি টাকার চিকিৎসা যন্ত্রপাতি: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী প্রবাসীর স্ত্রীর গোসলের ভিডিও করে ধরা খেলেন শফিকুল বিএনপি ব্যর্থ হলে দেশে কেউ বাস করতে পারবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী নির্বাহী পরিচালকদের দায়িত্ব বাড়াল বিএসইসি মধ্যস্থতার মাধ্যমে মামলাজট কমিয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব: আইনমন্ত্রী ইউক্রেনকে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির অনুমতি দেওয়া যাবে না : ট্রাম্প শিবগঞ্জ সীমান্তে ২৬ লাখ টাকার ভারতীয় ট্রাকের যন্ত্রাংশ জব্দ

ভিটামিন ‘এ প্লাস ক্যাপসুল’ পেল দুই কোটির বেশি শিশু

জাতীয় ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষ্যে সারা দেশে ২ কোটি ২২ লাখ শিশুকে ‘ভিটামিন-এ প্লাস’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়েছে। শনিবার মহাখালীর জাতীয় প্রতিষেধক ও সামাজিক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে (নিপসম) এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সামন্ত লাল সেন।

এ সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে অপুষ্টিজনিত কারণে শিশুদের মাঝে রাতকানা রোগের হার ছিল ৪ দশমিক ১০ শতাংশ। বঙ্গবন্ধু ১৯৭৪ সালে রাতকানা রোগ প্রতিরোধ কার্যক্রম গ্রহণ করে শিশুদের ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ানো শুরু করেন। এতে রাতকানা রোগে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা প্রায় নেই বললেই চলে।

বছরে দুবার শতকরা ৯৮ শতাংশ শিশুকে ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হচ্ছে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এতে ভিটামিন-এ এর অভাবজনিত অন্ধত্বের হার কমে শতকরা ১ ভাগের নিচে এসেছে। ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর ফলে শিশু মৃত্যুর হারও কমেছে। এই সাফল্য ধরে রাখতে জাতীয় ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাম্পেইনে ৬-৫৯ মাস বয়সি সব শিশুকে এই ক্যাপসুল খাওয়ানো চলমান রাখতে হবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে বর্তমানে ছয় থেকে ১১ মাস বয়সি প্রায় ২৭ লাখ এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সি প্রায় এক কোটি ৯৫ লাখ শিশু রয়েছে। শৈশবকালীন অন্ধত্ব প্রতিরোধ এবং শিশুমৃত্যুর হার কমাতে সারা দেশে দিনব্যাপী ছয় থেকে ৫৯ মাস বয়সি প্রায় ২ কোটি ২২ লাখ শিশুকে ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়।

এজন্য ১ লাখ ২০ হাজার ইপিআই কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়। এবার ঘূর্ণিঝড় রিমালের কারণে এক হাজার ২২৪টি টিকাকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শেষে এসব কেন্দ্রে টিকা দেওয়া হবে।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশীদ আলম, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন ও বিশ্বস্বাস্থ্য) ড. জিয়াউদ্দীন, অতিরিক্ত সচিব (হাসপাতাল অনুবিভাগ) মুহাম্মদ ওয়াহিদুজ্জামান, যুগ্ম সচিব (জনস্বাস্থ্য অধিশাখা) শিব্বির আহমেদ ওসমানী, নিপসমের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. শামিউল হক উপস্থিত ছিলেন।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সমন্বিত প্রচেষ্টায় ৪-৫ বছরেই অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

ভিটামিন ‘এ প্লাস ক্যাপসুল’ পেল দুই কোটির বেশি শিশু

আপডেট সময় ১২:৩২:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ জুন ২০২৪

জাতীয় ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষ্যে সারা দেশে ২ কোটি ২২ লাখ শিশুকে ‘ভিটামিন-এ প্লাস’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়েছে। শনিবার মহাখালীর জাতীয় প্রতিষেধক ও সামাজিক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে (নিপসম) এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সামন্ত লাল সেন।

এ সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে অপুষ্টিজনিত কারণে শিশুদের মাঝে রাতকানা রোগের হার ছিল ৪ দশমিক ১০ শতাংশ। বঙ্গবন্ধু ১৯৭৪ সালে রাতকানা রোগ প্রতিরোধ কার্যক্রম গ্রহণ করে শিশুদের ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ানো শুরু করেন। এতে রাতকানা রোগে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা প্রায় নেই বললেই চলে।

বছরে দুবার শতকরা ৯৮ শতাংশ শিশুকে ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হচ্ছে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এতে ভিটামিন-এ এর অভাবজনিত অন্ধত্বের হার কমে শতকরা ১ ভাগের নিচে এসেছে। ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর ফলে শিশু মৃত্যুর হারও কমেছে। এই সাফল্য ধরে রাখতে জাতীয় ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাম্পেইনে ৬-৫৯ মাস বয়সি সব শিশুকে এই ক্যাপসুল খাওয়ানো চলমান রাখতে হবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে বর্তমানে ছয় থেকে ১১ মাস বয়সি প্রায় ২৭ লাখ এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সি প্রায় এক কোটি ৯৫ লাখ শিশু রয়েছে। শৈশবকালীন অন্ধত্ব প্রতিরোধ এবং শিশুমৃত্যুর হার কমাতে সারা দেশে দিনব্যাপী ছয় থেকে ৫৯ মাস বয়সি প্রায় ২ কোটি ২২ লাখ শিশুকে ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়।

এজন্য ১ লাখ ২০ হাজার ইপিআই কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়। এবার ঘূর্ণিঝড় রিমালের কারণে এক হাজার ২২৪টি টিকাকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শেষে এসব কেন্দ্রে টিকা দেওয়া হবে।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশীদ আলম, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন ও বিশ্বস্বাস্থ্য) ড. জিয়াউদ্দীন, অতিরিক্ত সচিব (হাসপাতাল অনুবিভাগ) মুহাম্মদ ওয়াহিদুজ্জামান, যুগ্ম সচিব (জনস্বাস্থ্য অধিশাখা) শিব্বির আহমেদ ওসমানী, নিপসমের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. শামিউল হক উপস্থিত ছিলেন।