ঢাকা ০৯:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনী ওয়াদাগুলো একটি একটি পূরণ করছেন: মঈন খান নেপালে ভয়াবহ পাহাড়ি ঢলে নিহত বেড়ে ৯৫, নিখোঁজ ৪০৩ পল্লবীতে পিস্তল ঠেকিয়ে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, রাসেলসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা ব্রাহ্মণপাড়া​ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে স্বর্ণের চেইন চুরি, নারী চোরচক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার মুরাদনগরে নিষিদ্ধ সংগঠনের ৬ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার ‘পাশে আছি’, বালেন্দ্র শাহকে ফোন মোদির, দিলেন সাহায্যের আশ্বাস মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগে মানতে হবে যেসব নির্দেশনা আত্রাইয়ে মাদকবিরোধী অভিযানে ৫ জনের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড উপকূলে ২ কোটি কেওড়া গাছ লাগানো হবে: পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ৫ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা

পাকিস্তানের পার্লামেন্ট ভেঙে দিলেন প্রেসিডেন্ট

পাকিস্তান জাতীয় পরিষদ (পার্লামেন্ট) ভেঙে দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভি।

প্রেসিডেন্টের দপ্তর আইওয়ান-ই-সদরের জারি করা এক নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সংবিধানের ৫৮ ধারা অনুযায়ী পার্লামেন্ট ভেঙে দেওয়া হয়েছে।

 

এর মাধ্যমে শেহবাজ সরকারের শাসনের অবসান ঘটেছে। একই সঙ্গে পাকিস্তানের ফেডারেল কেবিনেটের কার্যকারিতাও শেষ হয়েছে এবং দেশটিতে নতুন নির্বাচনের পথ উন্মুক্ত হয়েছে।

দেশটির প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফের পরামর্শের ভিত্তিতেই এটি করা হয়েছে। পাকিস্তানের প্রভাবশালী দৈনিক ডন জানিয়েছে, বুধবার (৯ আগস্ট) প্রেসিডেন্ট আলভির কাছে পার্লামেন্ট ভেঙে দিতে চিঠি পাঠান শেহবাজ শরীফ। তার পরামর্শে বুধবার মধ্যরাতে প্রেসিডেন্ট পার্লামেন্ট ভেঙে দেন।

শেহবাজ শরীর সরকারের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল ১২ আগস্ট। এর তিনদিন আগেই দায়িত্ব ছেড়ে দিলেন তিনি।

পাকিস্তানের সংবিধান অনুযায়ী, জাতীয় পরিষদ মেয়াদ পূর্ণ করলে ৬০ দিনের মধ্যে সাধারণ নির্বাচন হবে। তবে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই জাতীয় পরিষদ ভেঙে দিলে ৯০ দিনের মধ্যে সাধারণ নির্বাচন দিতে হয়। আর সে হিসাবে আগামী ৯০ দিনের মধ্যে পাকিস্তানে নতুন পার্লামেন্টের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এখন তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের প্রস্তুতি চলবে। জাতীয় পরিষদে বিরোধীদলীয় নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করবেন শাহবাজ শরিফ। তারা ব্যর্থ হলে জাতীয় পরিষদের স্পিকার তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে সেই কমিটির মাধ্যমে অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রীর নাম নির্বাচন করবেন। তারাও ব্যর্থ হলে পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশন দুই দিনের মধ্যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।

গত বছরের এপ্রিলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে অনাস্থা ভোটে ক্ষমতাচ্যুত করে প্রধানমন্ত্রী হন শেহবাজ শরীফ। এরপর প্রধানমন্ত্রিত্ব হারানো ইমরানকে দমনেই ব্যস্ত ছিল শেহবাজ শরীফের সরকার।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনী ওয়াদাগুলো একটি একটি পূরণ করছেন: মঈন খান

পাকিস্তানের পার্লামেন্ট ভেঙে দিলেন প্রেসিডেন্ট

আপডেট সময় ১১:৪৭:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ অগাস্ট ২০২৩

পাকিস্তান জাতীয় পরিষদ (পার্লামেন্ট) ভেঙে দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভি।

প্রেসিডেন্টের দপ্তর আইওয়ান-ই-সদরের জারি করা এক নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সংবিধানের ৫৮ ধারা অনুযায়ী পার্লামেন্ট ভেঙে দেওয়া হয়েছে।

 

এর মাধ্যমে শেহবাজ সরকারের শাসনের অবসান ঘটেছে। একই সঙ্গে পাকিস্তানের ফেডারেল কেবিনেটের কার্যকারিতাও শেষ হয়েছে এবং দেশটিতে নতুন নির্বাচনের পথ উন্মুক্ত হয়েছে।

দেশটির প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফের পরামর্শের ভিত্তিতেই এটি করা হয়েছে। পাকিস্তানের প্রভাবশালী দৈনিক ডন জানিয়েছে, বুধবার (৯ আগস্ট) প্রেসিডেন্ট আলভির কাছে পার্লামেন্ট ভেঙে দিতে চিঠি পাঠান শেহবাজ শরীফ। তার পরামর্শে বুধবার মধ্যরাতে প্রেসিডেন্ট পার্লামেন্ট ভেঙে দেন।

শেহবাজ শরীর সরকারের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল ১২ আগস্ট। এর তিনদিন আগেই দায়িত্ব ছেড়ে দিলেন তিনি।

পাকিস্তানের সংবিধান অনুযায়ী, জাতীয় পরিষদ মেয়াদ পূর্ণ করলে ৬০ দিনের মধ্যে সাধারণ নির্বাচন হবে। তবে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই জাতীয় পরিষদ ভেঙে দিলে ৯০ দিনের মধ্যে সাধারণ নির্বাচন দিতে হয়। আর সে হিসাবে আগামী ৯০ দিনের মধ্যে পাকিস্তানে নতুন পার্লামেন্টের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এখন তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের প্রস্তুতি চলবে। জাতীয় পরিষদে বিরোধীদলীয় নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করবেন শাহবাজ শরিফ। তারা ব্যর্থ হলে জাতীয় পরিষদের স্পিকার তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে সেই কমিটির মাধ্যমে অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রীর নাম নির্বাচন করবেন। তারাও ব্যর্থ হলে পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশন দুই দিনের মধ্যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।

গত বছরের এপ্রিলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে অনাস্থা ভোটে ক্ষমতাচ্যুত করে প্রধানমন্ত্রী হন শেহবাজ শরীফ। এরপর প্রধানমন্ত্রিত্ব হারানো ইমরানকে দমনেই ব্যস্ত ছিল শেহবাজ শরীফের সরকার।