ঢাকা ১১:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মা মারা যাওয়ার পরও মায়ের মুখ দেখতে দেয়নি হাসিনা সরকার : জয়নুল আবদিন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ আজ বুড়িচংয়ে মেয়াদোত্তীর্ণ ও নিষিদ্ধ বালাইনাশক বিক্রি, মোবাইল কোর্টে জরিমানা মিডিয়াকে লাঠির মতো ব্যবহার করে স্বৈরাচারী শাসকগোষ্ঠী : রিজভী কুমিল্লায় জাইতুন ও মিয়ামী রেস্টুরেন্টে ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযান, জরিমানা ৭০ হাজার টাকা ডিএমপির ৫ অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনারকে বদলি ঢাকায় পৌঁছেছেন আইপিইউ সেক্রেটারি জেনারেল অ্যান্ডা ফিলিপ ১৮০ দিনে সরকারের বিরুদ্ধে ৪৬৪টি অপতথ্য প্রচার হয়েছে : জাহেদ উর রহমান কুমিল্লায় আকস্মিক উচ্ছেদ অভিযান, অর্ধশতাধিক ভ্যান-ফুডকার্ট বিনষ্টের অভিযোগ গুম প্রতিরোধে ১৪ দাবিতে স্পিকারের কাছে ১১ দলীয় জোটের স্মারকলিপি

কুমিল্লার আড়াইশ বছরের পুরনো হাতি পুকুর ভরাট, অতঃপর মামলা

কুমিল্লা নগরীর ১৭ নং ওয়ার্ডের ২য় মুরাদপুর এলাকায় অবস্থিত আড়াইশ বছরের পুরনো হাতি পুকুরের একাংশ ভরাটের পর পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্দেশনা মেনে ভরাট কার্যক্রম বন্ধ ও ভরাটকৃত মাটি অপসারণ না করার কারনে কোতয়ালী মডেল থানায় ফৌজদারী আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

জানা গেছে, গত ১৪ জুলাই পরিবেশ অধিদপ্তর কুমিল্লা কার্যালয়ের পরিদর্শক নূর উদ্দিন বাদী হয়ে কুমিল্লা নগরীর ২য় মুরাদপুর হাতি পুকুরের উত্তর-পূর্ব পাড়ের সোনা মিয়ার ছেলে আবদুল জলিল, ২য় মুরাদপুর হাতি পুকুরের পূর্ব পাড়ের মৃত এস এম নুর আলম এর ছেলে এস এম চঞ্চল সহ অজ্ঞাত আসামীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।

কুমিল্লা পরিবেশ অধিদপ্তরের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, হাতি পুকুরটি ২য় মুরাদপুর রোডের মুরাদপুর মোজার ২৪৮৩ এবং ৩০০ নম্বর খতিয়ানের অন্তর্ভূক্ত ৭৬ নম্বর দাগের ২.৩১২৫ একর আয়তনের। গত মে মাসের ২৮ তারিখ পুকুরের ৫ শতাংশ জায়গা ভরাটের লিখিত অভিযোগ পায় পরিবেশ অধিদপ্তর। অভিযোগ পাওয়ার দিনই পরিদর্শন শেষে অভিযোগের সত্যতা পেয়ে পুকুরের ভরাটকৃত অংশের মাটি সরিয়ে পূর্বের অবস্থায় ফিরানোর নির্দেশ দেয়া হয়। নির্দেশনা না মানায় বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০) এর ধারা ৪(২), ৬(ঙ) ও ১২ ধারা লঙ্ঘনের অপরাধে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।

পরিবেশ অধিদপ্তর কুমিল্লা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোসাব্বের হোসেন মুহাম্মদ রাজীব বলেন, পুকুর রক্ষায় আমরা যতেষ্ট আন্তরিক। পুকুর বা জলাশয় কোনভাবেই ভরাট করার সুযোগ নেই। আমরা এর আগেও পুকুর ভরাটের অভিযোগে মামলা দায়ের করেছি। পুকুর ভরাটে কাউকে ছাড় দেয়া হবেনা।

ব্যাংক ও ট্যাঙ্কের নগরী খ্যাত কুমিল্লার সেই ট্যাঙ্ক বা দিঘী আর আগের মতো নেই। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কায়দায় ভরাট হয়ে গেছে এসব দিঘী বা পুকুর। ভরাট হতে হতে অল্প কিছু দিঘী বা পুকুর টিকে আছে শহরের বুকে। সেই দিঘীগুলো এখন হুমকির মুখে। সুযোগ পেলেই ভরাট করার পায়তারা করছেন মালিকেরা।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মা মারা যাওয়ার পরও মায়ের মুখ দেখতে দেয়নি হাসিনা সরকার : জয়নুল আবদিন

কুমিল্লার আড়াইশ বছরের পুরনো হাতি পুকুর ভরাট, অতঃপর মামলা

আপডেট সময় ১০:৩৯:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ জুলাই ২০২৩

কুমিল্লা নগরীর ১৭ নং ওয়ার্ডের ২য় মুরাদপুর এলাকায় অবস্থিত আড়াইশ বছরের পুরনো হাতি পুকুরের একাংশ ভরাটের পর পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্দেশনা মেনে ভরাট কার্যক্রম বন্ধ ও ভরাটকৃত মাটি অপসারণ না করার কারনে কোতয়ালী মডেল থানায় ফৌজদারী আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

জানা গেছে, গত ১৪ জুলাই পরিবেশ অধিদপ্তর কুমিল্লা কার্যালয়ের পরিদর্শক নূর উদ্দিন বাদী হয়ে কুমিল্লা নগরীর ২য় মুরাদপুর হাতি পুকুরের উত্তর-পূর্ব পাড়ের সোনা মিয়ার ছেলে আবদুল জলিল, ২য় মুরাদপুর হাতি পুকুরের পূর্ব পাড়ের মৃত এস এম নুর আলম এর ছেলে এস এম চঞ্চল সহ অজ্ঞাত আসামীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।

কুমিল্লা পরিবেশ অধিদপ্তরের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, হাতি পুকুরটি ২য় মুরাদপুর রোডের মুরাদপুর মোজার ২৪৮৩ এবং ৩০০ নম্বর খতিয়ানের অন্তর্ভূক্ত ৭৬ নম্বর দাগের ২.৩১২৫ একর আয়তনের। গত মে মাসের ২৮ তারিখ পুকুরের ৫ শতাংশ জায়গা ভরাটের লিখিত অভিযোগ পায় পরিবেশ অধিদপ্তর। অভিযোগ পাওয়ার দিনই পরিদর্শন শেষে অভিযোগের সত্যতা পেয়ে পুকুরের ভরাটকৃত অংশের মাটি সরিয়ে পূর্বের অবস্থায় ফিরানোর নির্দেশ দেয়া হয়। নির্দেশনা না মানায় বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০) এর ধারা ৪(২), ৬(ঙ) ও ১২ ধারা লঙ্ঘনের অপরাধে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।

পরিবেশ অধিদপ্তর কুমিল্লা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোসাব্বের হোসেন মুহাম্মদ রাজীব বলেন, পুকুর রক্ষায় আমরা যতেষ্ট আন্তরিক। পুকুর বা জলাশয় কোনভাবেই ভরাট করার সুযোগ নেই। আমরা এর আগেও পুকুর ভরাটের অভিযোগে মামলা দায়ের করেছি। পুকুর ভরাটে কাউকে ছাড় দেয়া হবেনা।

ব্যাংক ও ট্যাঙ্কের নগরী খ্যাত কুমিল্লার সেই ট্যাঙ্ক বা দিঘী আর আগের মতো নেই। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কায়দায় ভরাট হয়ে গেছে এসব দিঘী বা পুকুর। ভরাট হতে হতে অল্প কিছু দিঘী বা পুকুর টিকে আছে শহরের বুকে। সেই দিঘীগুলো এখন হুমকির মুখে। সুযোগ পেলেই ভরাট করার পায়তারা করছেন মালিকেরা।