ঢাকা ০৬:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪, ৯ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দৃষ্টিনন্দন সবুজ ছাদ বাগান সৃজন করে বৃক্ষরোপনে জাতীয় পুরষ্কার পেলেন হামিদা পারভীন

বৈচিত্র্যময় ছাদ বাগানের কারিগর হামিদা পারভীন

হামিদা পারভীন পিপিএম। ঢাকা মহানগর পুলিশ (DMP) এর যুগ্ম পুলিশ কমিশনার, প্রোটেকশন এ‍্যান্ড ডিপ্লোমেটিক সিকিউরিটি। এই পদে পদায়নের পূর্বে দীর্ঘদিন (২০১৯-২০২২পর্যন্ত) দায়িত্ব পালন করেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উইমেন সাপোর্ট এন্ড ইনভেস্টিগেশন ডিভিশনে।২০১৯ সালে হামিদা পারভীন পিপিএম উইমেন সাপোর্ট এন্ড ইনভেস্টিগেশন ডিভিশনের উপ-পুলিশ কমিশনারের দায়িত্বভার গ্রহণ করেই ডিভিশনের ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার, তদন্ত ইউনিট এবং কুইক রেসপন্স টিমের কার্যক্রমে আধুনিক ও মানবিক পুলিশিং এর সমন্বয় ঘটিয়ে বাংলাদেশ পুলিশের প্রথম সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠানকে নির্যাতিতদের ভরসাস্থল হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

তিনি স্কুল-কলেজ, গার্মেন্টস সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন পরিচালনার মাধ্যমে সাইবার ক্রাইম, মাদক, বাল্যবিবাহ, ইভটিজিং এবং নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে ব্যাপক পরিসরে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলেন। শিশু ও বয়স্ক ভিকটিমদের জন্য Victim Support Center কে তিনি আনন্দ আশ্রমে রূপান্তরিত করেছিলেন। উক্ত ডিভিশনে প্রশংসনীয় এসব ভূমিকা রাখার পুরষ্কার স্বরূপ তাকে ২০২২ সালে তৃতীয়বারের জন‍্য “IGP’s Examplary Good Services Badge” প্রদান করা হয়।

 

২০১৬ সালে তিনি পুলিশ সুপার হিসাবে পদোন্নতি পেয়ে DMP ‘র Protection বিভাগে প্রথম নারী কর্মকর্তা হিসাবে ৩ বছরের বেশী সময় নিয়োজিত থেকে মহামান‍্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, দেশী – বিদেশী সকল VVIP/VIP দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছেন।দীর্ঘ সময়ে এ বিভাগের দায়িত্ব পালনে তার পেশাদারিত্ব, দক্ষতা, বিচক্ষনতার স্বীকৃতি স্বরূপ দুইবার (২০১৬, ২০১৮)তাকে IGP’s Examplary Good Services Badge এবং ২০১৭ সালে পুলিশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পদক President Police Medal (PPM) প্রদান করা হয়েছে।

তিনি ২০১৯ থেকে ২০২২ সালের ৮ই নভেম্বর পযর্ন্ত উইমেন সাপোর্ট এন্ড ইনভেস্টিগেশন ডিভিশনে মানবিক পুলিশিং এর পাশাপাশি
সাড়ে সাত হাজার স্কয়ারফিটের অফিস ভবনের প্রায় পাঁচ হাজার স্কয়ারফিটের ছাদে ১০২০ টি বিভিন্ন সাইজের টব এবং ড্রাম দিয়ে, বীজতলা তৈরী করে, ছাদের কার্নিশে গাছ লাগিয়ে বিজ্ঞানসম্মতভাবে ছোট্ট একটা সবুজ অরণ্য সৃজন করেছেন। এই ছাদ বাগান সৃজনে তার বৃক্ষ প্রেম, শখ, ছাদ বাগান সৃজনে আধুনিক চিন্তা-ভাবনা, একাডেমিক শিক্ষা এবং প্রচেষ্টা একাকার হয়েছে। ছাদে রোপন করেছেন ১২ প্রজাতির বনজ, ৪৮ প্রজাতির ফলদ,৩০ প্রকার ভেসজ,৭৭ প্রজিতির শোভাবর্ধনকারী,১৫ প্রজাতির দেশীয় বিলুপ্তপ্রায় ,২১ প্রজাতির সব্জি ও অন‍্যান‍্য, ১২ প্রজাতির বিরল/অন‍্যান‍্য সহ বিভিন্ন
মশলা এবং ঔষধি গাছ। তিনি ছাদেই বীজতলা তৈরী করতেন।বীজতলার সেই চারা দিয়েই বিভিন্ন শাক-সব্জির ফলন ফলাতেন। তিনি নিজে জৈব সার তৈরী করে বিষমুক্ত নিরাপদ শাক-সব্জি চাষ করেছেন। ছুটির দিনে এবং অবসর সময়ে ছাদে কাজ করেছেন, গাছের যত্ন করেছেন। ছাদ বাগানের বিভিন্ন গাছে পাখির আশ্রয়স্থল স্থাপন, কৃত্রিম ঝর্ণা স্থাপন, ছোট্ট একটা চৌবাচ্চায় পদ্ম পাতা দিয়ে শোভিত করে মাছ চাষ, দৃষ্টিনন্দন মাচায় দেশীয় সব্জি চাষ তার সৃজিত ছাদ বাগানকে বৈচিত্র্যময় এবং দৃষ্টিনন্দন করেছে। প্রতিদিন তিনি ছাদে নতুন নতুন গাছ সংযোজন করেছেন।
বছরব‍্যাপী টাটকা শাক-সব্জি, মৌসুমী ফল,ঔষধী-মশলা জাতীয় গাছ আর অসংখ্য বাহারী ফুলের সমারোহ ঐ ডিভিশনের পুলিশের সব সদস‍্যদের যেমন অফুরন্ত আনন্দ দিয়েছে তেমনি ছাদ বাগানে ফলিত শাক-সব্জি-ঔষধি গাছ-ফল উপহার হিসাবে সহকর্মীদের দিতে পেরে তিনি নিজেও মানসিক শান্তি পেয়েছেন। তার সৃজিত ছাদ বাগান পরিদর্শনের ব‍্যবস্থা করে পরিচিতজনদের ছাদ বাগান করতে উদ্বুদ্ধ করেছেন। তার বৈচিত্র্যময় ছাদ বাগান Rtv,Gtv, CNI সহ বিভিন্ন মিডিয়াতে প্রচারিত হয়েছে। বৃক্ষরোপণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় পুরষ্কার -২০২১ এর জন‍্য তিনি তার সৃজিত ছাদ বাগানের সচিত্র তথ‍্য দিয়ে আবেদন করেন। বিভিন্ন ধাপে যাচাই-বাছাই শুরু হয়। বনবিভাগের বিভিন্ন কমিটি পর্যায়ক্রমে সরেজমিনে পরিদর্শন করে। পরিশেষে “বৃক্ষরোপণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় পুরষ্কার -২০২১” এর ঙ- শ্রেণিতে বাড়ীর ছাদে বাগান সৃজন(ব‍্যক্তি/প্রতিষ্ঠান) ক‍্যাটাগরিতে হামিদা পারভীন পিপিএম এর সৃজিত “উইমেন সাপোর্ট এন্ড ইনভেস্টিগেশন ডিভিশন” এর ছাদ বাগান প্রথম স্থান অধিকার করে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী স্বনির্ভর কৃষি নিশ্চিতে এক ইঞ্চি জমিও পতিত কিংবা অনাবাদী রাখা যাবেনা মর্মে অনুশাসন দিয়েছেন। এই অনুশাসন বাস্তবায়নে হামিদা পারভীন উইমেন সাপোর্ট এন্ড ইনভেস্টিগেশন ডিভিশনের ছাদে বিভিন্ন ধরণের ফলদ, বনজ , শাক-সব্জি ও ফুলগাছ রোপণের পদক্ষেপ নেন।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় ছাদবাগানে বৈচিত্র্যময় বাগান সৃজন করে স্বনির্ভর কৃষি তথা স্বনির্ভর বাংলাদেশ বিনির্মানে স্বীয় অঙ্গীকার অটুট রেখে তিনি তার বতর্মান কর্মস্থলের পতিত এবং অব‍্যবহৃত জমিতে শুরু করেছেন বৃক্ষ রোপন অভিযান।

সবুজে ভরা গ্রাম বাংলায় বেড়ে উঠা প্রকৃতিপ্রেমী এই কর্মকর্তা শৈশব থেকে অদ‍্যাবধি একান্ত নিজস্ব ভাবনা, গাছের প্রতি মমতা, ভালোবাসা আর প্রচেষ্টায় টুকরো টুকরো ফাঁকা জায়গাতেও ছোট পরিসরে বাগান করেছেন। তার চাকরীজীবনের প্রতিটি কর্মস্থলে তিনি আপন মনের মাধুরি মিশিয়ে অগনিত ফুল-ফলের টব দিয়ে বারান্দা-ব‍্যালকনি-ছাদ কে একটুকরো অরণ‍্য বানিয়ে যান্ত্রিক জীবনে স্নিগ্ধতা আনার পাশাপাশি চাকরির স্ট্রেস ম‍্যানেজ করেছেন।

পুলিশের মত চ‍্যালেঞ্জিং পেশায় থেকেও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ তথা বাংলাদেশ পুলিশের জন্যে “বৃক্ষরোপণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় পুরষ্কার -২০২১” অর্জনের সম্পূর্ণ কৃতিত্বের অধিকারী হামিদা পারভীন পিপিএম কে অভিনন্দন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাফলং সহ গোয়াইনঘাটের সবকটি পর্যটন কেন্দ্র খুলে দেওয়া হল

দৃষ্টিনন্দন সবুজ ছাদ বাগান সৃজন করে বৃক্ষরোপনে জাতীয় পুরষ্কার পেলেন হামিদা পারভীন

বৈচিত্র্যময় ছাদ বাগানের কারিগর হামিদা পারভীন

আপডেট সময় ১১:৩৯:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ জুন ২০২৩

হামিদা পারভীন পিপিএম। ঢাকা মহানগর পুলিশ (DMP) এর যুগ্ম পুলিশ কমিশনার, প্রোটেকশন এ‍্যান্ড ডিপ্লোমেটিক সিকিউরিটি। এই পদে পদায়নের পূর্বে দীর্ঘদিন (২০১৯-২০২২পর্যন্ত) দায়িত্ব পালন করেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উইমেন সাপোর্ট এন্ড ইনভেস্টিগেশন ডিভিশনে।২০১৯ সালে হামিদা পারভীন পিপিএম উইমেন সাপোর্ট এন্ড ইনভেস্টিগেশন ডিভিশনের উপ-পুলিশ কমিশনারের দায়িত্বভার গ্রহণ করেই ডিভিশনের ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার, তদন্ত ইউনিট এবং কুইক রেসপন্স টিমের কার্যক্রমে আধুনিক ও মানবিক পুলিশিং এর সমন্বয় ঘটিয়ে বাংলাদেশ পুলিশের প্রথম সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠানকে নির্যাতিতদের ভরসাস্থল হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

তিনি স্কুল-কলেজ, গার্মেন্টস সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন পরিচালনার মাধ্যমে সাইবার ক্রাইম, মাদক, বাল্যবিবাহ, ইভটিজিং এবং নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে ব্যাপক পরিসরে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলেন। শিশু ও বয়স্ক ভিকটিমদের জন্য Victim Support Center কে তিনি আনন্দ আশ্রমে রূপান্তরিত করেছিলেন। উক্ত ডিভিশনে প্রশংসনীয় এসব ভূমিকা রাখার পুরষ্কার স্বরূপ তাকে ২০২২ সালে তৃতীয়বারের জন‍্য “IGP’s Examplary Good Services Badge” প্রদান করা হয়।

 

২০১৬ সালে তিনি পুলিশ সুপার হিসাবে পদোন্নতি পেয়ে DMP ‘র Protection বিভাগে প্রথম নারী কর্মকর্তা হিসাবে ৩ বছরের বেশী সময় নিয়োজিত থেকে মহামান‍্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, দেশী – বিদেশী সকল VVIP/VIP দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছেন।দীর্ঘ সময়ে এ বিভাগের দায়িত্ব পালনে তার পেশাদারিত্ব, দক্ষতা, বিচক্ষনতার স্বীকৃতি স্বরূপ দুইবার (২০১৬, ২০১৮)তাকে IGP’s Examplary Good Services Badge এবং ২০১৭ সালে পুলিশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পদক President Police Medal (PPM) প্রদান করা হয়েছে।

তিনি ২০১৯ থেকে ২০২২ সালের ৮ই নভেম্বর পযর্ন্ত উইমেন সাপোর্ট এন্ড ইনভেস্টিগেশন ডিভিশনে মানবিক পুলিশিং এর পাশাপাশি
সাড়ে সাত হাজার স্কয়ারফিটের অফিস ভবনের প্রায় পাঁচ হাজার স্কয়ারফিটের ছাদে ১০২০ টি বিভিন্ন সাইজের টব এবং ড্রাম দিয়ে, বীজতলা তৈরী করে, ছাদের কার্নিশে গাছ লাগিয়ে বিজ্ঞানসম্মতভাবে ছোট্ট একটা সবুজ অরণ্য সৃজন করেছেন। এই ছাদ বাগান সৃজনে তার বৃক্ষ প্রেম, শখ, ছাদ বাগান সৃজনে আধুনিক চিন্তা-ভাবনা, একাডেমিক শিক্ষা এবং প্রচেষ্টা একাকার হয়েছে। ছাদে রোপন করেছেন ১২ প্রজাতির বনজ, ৪৮ প্রজাতির ফলদ,৩০ প্রকার ভেসজ,৭৭ প্রজিতির শোভাবর্ধনকারী,১৫ প্রজাতির দেশীয় বিলুপ্তপ্রায় ,২১ প্রজাতির সব্জি ও অন‍্যান‍্য, ১২ প্রজাতির বিরল/অন‍্যান‍্য সহ বিভিন্ন
মশলা এবং ঔষধি গাছ। তিনি ছাদেই বীজতলা তৈরী করতেন।বীজতলার সেই চারা দিয়েই বিভিন্ন শাক-সব্জির ফলন ফলাতেন। তিনি নিজে জৈব সার তৈরী করে বিষমুক্ত নিরাপদ শাক-সব্জি চাষ করেছেন। ছুটির দিনে এবং অবসর সময়ে ছাদে কাজ করেছেন, গাছের যত্ন করেছেন। ছাদ বাগানের বিভিন্ন গাছে পাখির আশ্রয়স্থল স্থাপন, কৃত্রিম ঝর্ণা স্থাপন, ছোট্ট একটা চৌবাচ্চায় পদ্ম পাতা দিয়ে শোভিত করে মাছ চাষ, দৃষ্টিনন্দন মাচায় দেশীয় সব্জি চাষ তার সৃজিত ছাদ বাগানকে বৈচিত্র্যময় এবং দৃষ্টিনন্দন করেছে। প্রতিদিন তিনি ছাদে নতুন নতুন গাছ সংযোজন করেছেন।
বছরব‍্যাপী টাটকা শাক-সব্জি, মৌসুমী ফল,ঔষধী-মশলা জাতীয় গাছ আর অসংখ্য বাহারী ফুলের সমারোহ ঐ ডিভিশনের পুলিশের সব সদস‍্যদের যেমন অফুরন্ত আনন্দ দিয়েছে তেমনি ছাদ বাগানে ফলিত শাক-সব্জি-ঔষধি গাছ-ফল উপহার হিসাবে সহকর্মীদের দিতে পেরে তিনি নিজেও মানসিক শান্তি পেয়েছেন। তার সৃজিত ছাদ বাগান পরিদর্শনের ব‍্যবস্থা করে পরিচিতজনদের ছাদ বাগান করতে উদ্বুদ্ধ করেছেন। তার বৈচিত্র্যময় ছাদ বাগান Rtv,Gtv, CNI সহ বিভিন্ন মিডিয়াতে প্রচারিত হয়েছে। বৃক্ষরোপণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় পুরষ্কার -২০২১ এর জন‍্য তিনি তার সৃজিত ছাদ বাগানের সচিত্র তথ‍্য দিয়ে আবেদন করেন। বিভিন্ন ধাপে যাচাই-বাছাই শুরু হয়। বনবিভাগের বিভিন্ন কমিটি পর্যায়ক্রমে সরেজমিনে পরিদর্শন করে। পরিশেষে “বৃক্ষরোপণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় পুরষ্কার -২০২১” এর ঙ- শ্রেণিতে বাড়ীর ছাদে বাগান সৃজন(ব‍্যক্তি/প্রতিষ্ঠান) ক‍্যাটাগরিতে হামিদা পারভীন পিপিএম এর সৃজিত “উইমেন সাপোর্ট এন্ড ইনভেস্টিগেশন ডিভিশন” এর ছাদ বাগান প্রথম স্থান অধিকার করে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী স্বনির্ভর কৃষি নিশ্চিতে এক ইঞ্চি জমিও পতিত কিংবা অনাবাদী রাখা যাবেনা মর্মে অনুশাসন দিয়েছেন। এই অনুশাসন বাস্তবায়নে হামিদা পারভীন উইমেন সাপোর্ট এন্ড ইনভেস্টিগেশন ডিভিশনের ছাদে বিভিন্ন ধরণের ফলদ, বনজ , শাক-সব্জি ও ফুলগাছ রোপণের পদক্ষেপ নেন।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় ছাদবাগানে বৈচিত্র্যময় বাগান সৃজন করে স্বনির্ভর কৃষি তথা স্বনির্ভর বাংলাদেশ বিনির্মানে স্বীয় অঙ্গীকার অটুট রেখে তিনি তার বতর্মান কর্মস্থলের পতিত এবং অব‍্যবহৃত জমিতে শুরু করেছেন বৃক্ষ রোপন অভিযান।

সবুজে ভরা গ্রাম বাংলায় বেড়ে উঠা প্রকৃতিপ্রেমী এই কর্মকর্তা শৈশব থেকে অদ‍্যাবধি একান্ত নিজস্ব ভাবনা, গাছের প্রতি মমতা, ভালোবাসা আর প্রচেষ্টায় টুকরো টুকরো ফাঁকা জায়গাতেও ছোট পরিসরে বাগান করেছেন। তার চাকরীজীবনের প্রতিটি কর্মস্থলে তিনি আপন মনের মাধুরি মিশিয়ে অগনিত ফুল-ফলের টব দিয়ে বারান্দা-ব‍্যালকনি-ছাদ কে একটুকরো অরণ‍্য বানিয়ে যান্ত্রিক জীবনে স্নিগ্ধতা আনার পাশাপাশি চাকরির স্ট্রেস ম‍্যানেজ করেছেন।

পুলিশের মত চ‍্যালেঞ্জিং পেশায় থেকেও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ তথা বাংলাদেশ পুলিশের জন্যে “বৃক্ষরোপণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় পুরষ্কার -২০২১” অর্জনের সম্পূর্ণ কৃতিত্বের অধিকারী হামিদা পারভীন পিপিএম কে অভিনন্দন।