বাংলাদেশের প্রকৌশলীদের পেশাগত উৎকর্ষ সাধন, মানোন্নয়ন এবং প্রকৌশল পেশায় বিরাজমান সমস্যাবলি সমাধানকল্পে পদক্ষেপ গ্রহণসহ প্রকৌশলীদের সকল সমস্যা সমাধান ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়নে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদানসহ দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে আসছে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (আইইবি)।
বর্তমান সরকার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে দেশের প্রায় সকল সেক্টরের উন্নয়ন ও সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে এবং ইতোমধ্যে বেশকিছু সংস্কারও প্রতীয়মান হয়েছে। বাংলাদেশের প্রকৌশলীদের প্রতিনিধিত্বকারী একমাত্র জাতীয় পেশাজীবী প্রতিষ্ঠান হিসেবে আইইবি দেশের প্রকৌশলীদের পেশাগত উন্নয়ন এবং প্রকৌশল খাতে সংস্কারের বিষয়ে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
সন্ধায় গাজীপুর এল জি ই ডি কনফারেন্স রুমে আইইবির ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি)-এর সদর দপ্তর নেতৃবৃন্দের সাথে শনিবার সন্ধ্যায় আইইবি গাজীপুর কেন্দ্রের প্রকৌশলীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন, ইঞ্জি. খান মঞ্জুর মোর্শেদ ভিপি (একাডেমিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল), আইইবি . ইঞ্জি. শেখ আল-আমিন ভিপি (এইচআরডি), আইইবি . ইঞ্জিনিয়ার নিয়াজ উদ্দিন ভূঁইয়া ভিপি (এসএন্ডডব্লিউ / সেবা ও কল্যাণ), আইইবি . ইঞ্জি. এটিএম তানভীর-উল-হাসান (তমাল) ভিপি (প্রশাসন ও অর্থ), আইইবি . প্রকৌশলী আহসানুল রাসেল: এইচএজিএস (প্রশাসন ও অর্থ), আইইবি . প্রকৌশলী সাব্বির আহমেদ ওসমানী এইচএজিএস (সেবা ও কল্যাণ), আইইবি . ইঞ্জি. আবদুল্লাহ আল-মামুন ভিসি (একাডেমিক অ্যান্ড এইচআরডি), ঢাকা সেন্টার, আইইবি . ইঞ্জি. একেএম আসাদুজ্জামান (চুন্নু) অনারারি সেক্রেটারি, ঢাকা সেন্টার, আইইবি . ইঞ্জি. রবিউল আলম (উজ্জল) কেন্দ্রীয় কাউন্সিল সদস্য, ঢাকা কেন্দ্র, আইইবি।
মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রকৌশলী মোহাম্মদ হারুন আল রশীদ, উক্ত সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন প্রকৌশলী মুরাদ আলী খান, প্রকৌশলের ডঃ আহসান হাবীব পলাশ, প্রকৌশলী মোহাম্মদ আসাদুল হক , ডক্টর হুমায়ুন কবির, প্রকৌশলী বারকিয়া খাতুন, প্রকৌশলী আবু খালেদ হাসান, প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান রাকিব, প্রকৌশলী মাহমুদুল হাসান আইইবি’র কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ও প্রকৌশলীবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট কমিটির সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনায় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের প্রকৌশলীরা মেধা, প্রজ্ঞা, শ্রম, দেশপ্রেম ও পেশাগত দক্ষতায় সবসময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছেন। যেখানে প্রকৌশলীরা তাদের মেধা ও সৃজনশীলতাকে দেশের উন্নয়নে কাজে লাগাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে উদ্ভাবন, গবেষণা ও প্রযুক্তিভিত্তিক কর্মসংস্থানের সুযোগ আরও সম্প্রসারণ করা হবে। দেশের প্রকৌশল খাতের উন্নয়ন এবং শিল্প-একাডেমিয়া সহযোগিতা জোরদারে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অরবিন্দ রায়, স্টাফ রিপোর্টার 





















