ঢাকা ০৯:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে পোস্টগ্র্যাজুয়েট বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী তেজগাঁও থানায় আকস্মিক পরিদর্শনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ নিউজ নেটওয়ার্ক নীলফামারীর আহ্বায়ক কমিটি গঠন অল্প সময়ে জনগণের সব প্রত্যাশা পূরণ করা সম্ভব নয় : পানিসম্পদমন্ত্রী জাজিরায় স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভা মঠবাড়িয়ায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কীর্তি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিলেন তাকওয়া ফাউন্ডেশন মৌলভীবাজারের বড়লেখায় প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার রাজনীতি নিষিদ্ধ ববিতে জাতীয়তাবাদী কর্মচারী পরিষদের কাউন্সিল, পূর্ণাঙ্গ কমিটির আত্মপ্রকাশ   পোষা বিড়ালের আঁচড়ের পর থেকে ‘মিউ মিউ’ করছে শিশু আদ্রিতা ফের চালু এক্সিলারেটের টার্মিনাল, বাড়ছে গ্যাস সরবরাহ

ফের চালু এক্সিলারেটের টার্মিনাল, বাড়ছে গ্যাস সরবরাহ

তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহের অভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়া এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল তিনদিনের ব্যবধানে আবারও চালু হয়েছে। স্পট মার্কেট থেকে কেনা ব্রিটিশ পেট্রোলিয়ামের (বিপি) এলএনজিবাহী একটি কার্গো নির্ধারিত সময়ের এক দিন আগেই এসে পৌঁছানোর পর টার্মিনালে এলএনজি খালাস শুরু হয়েছে। এতে জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের সরবরাহও বাড়তে শুরু করেছে।

শনিবার (২২ আগস্ট) এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে পেট্রোবাংলা কর্তৃপক্ষ।
জানা যায়, তিন দিন আগে এক্সিলারেটের টার্মিনালে মজুত এলএনজি শেষ হয়ে যায়। এতে এই টার্মিনাল থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্প খাতে গ্যাস সংকটে এর প্রভাব পড়ে।

এর আগে, পেট্রোবাংলা জানিয়েছিল, এক্সিলারেটের টার্মিনালের জন্য পরবর্তী এলএনজি কার্গো রোববার আসতে পারে। ফলে, তার আগে আমদানি করা গ্যাসের সরবরাহে বড় ধরনের উন্নতির সম্ভাবনা কম ছিল। তবে, নির্ধারিত সময়ের আগেই নতুন কার্গো পৌঁছানোয় পরিস্থিতিতে কিছুটা পরিবর্তন এসেছে।

এদিকে বৃহস্পতিবার বিকেলে সামিটের টার্মিনালের জন্য আনা আরেকটি এলএনজি কার্গো ভিড়েছে। এতে ওই টার্মিনালে এলএনজির মজুত বেড়েছে। তবে, পেট্রোবাংলার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সামিটের টার্মিনাল আগে থেকেই সর্বোচ্চ সক্ষমতায় দৈনিক প্রায় ৫৭ কোটি ১০ লাখ ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করছে। তাই নতুন কার্গো এলেও তাৎক্ষণিকভাবে অতিরিক্ত গ্যাস সরবরাহের সুযোগ নেই।

গত বুধবার দুপুরের পর এক্সিলারেটের টার্মিনালে সরবরাহযোগ্য এলএনজির মজুত শেষ হয়ে যায়। এর ফলে, সেখান থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়। তবে সামিটের অন্য টার্মিনাল থেকে সরবরাহ অব্যাহত ছিল।

পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টায় এলএনজি থেকে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক ৫৭ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছিল। একই সময়ে দেশীয় গ্যাসক্ষেত্র থেকে সরবরাহ ছিল ১৬২ কোটি ৬০ লাখ ঘনফুট। সব মিলিয়ে গ্যাস সরবরাহ দাড়ায় ২১৯ কোটি ৬০ লাখ ঘনফুট।

দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩৮০ কোটি ঘনফুট। সেই হিসাবে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ হয়েছে ৫৭ দশমিক ৮ শতাংশ। ঘাটতি ছিল প্রায় ১৬০ কোটি ঘনফুট। দেশের দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের সম্মিলিত দৈনিক সরবরাহ সক্ষমতা প্রায় ১১০ কোটি ঘনফুট। এর বিপরীতে বৃহস্পতিবার সরবরাহ ছিল সক্ষমতার প্রায় ৫২ শতাংশ।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশে পোস্টগ্র্যাজুয়েট বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী

ফের চালু এক্সিলারেটের টার্মিনাল, বাড়ছে গ্যাস সরবরাহ

আপডেট সময় ০৭:৪৭:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহের অভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়া এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল তিনদিনের ব্যবধানে আবারও চালু হয়েছে। স্পট মার্কেট থেকে কেনা ব্রিটিশ পেট্রোলিয়ামের (বিপি) এলএনজিবাহী একটি কার্গো নির্ধারিত সময়ের এক দিন আগেই এসে পৌঁছানোর পর টার্মিনালে এলএনজি খালাস শুরু হয়েছে। এতে জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের সরবরাহও বাড়তে শুরু করেছে।

শনিবার (২২ আগস্ট) এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে পেট্রোবাংলা কর্তৃপক্ষ।
জানা যায়, তিন দিন আগে এক্সিলারেটের টার্মিনালে মজুত এলএনজি শেষ হয়ে যায়। এতে এই টার্মিনাল থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্প খাতে গ্যাস সংকটে এর প্রভাব পড়ে।

এর আগে, পেট্রোবাংলা জানিয়েছিল, এক্সিলারেটের টার্মিনালের জন্য পরবর্তী এলএনজি কার্গো রোববার আসতে পারে। ফলে, তার আগে আমদানি করা গ্যাসের সরবরাহে বড় ধরনের উন্নতির সম্ভাবনা কম ছিল। তবে, নির্ধারিত সময়ের আগেই নতুন কার্গো পৌঁছানোয় পরিস্থিতিতে কিছুটা পরিবর্তন এসেছে।

এদিকে বৃহস্পতিবার বিকেলে সামিটের টার্মিনালের জন্য আনা আরেকটি এলএনজি কার্গো ভিড়েছে। এতে ওই টার্মিনালে এলএনজির মজুত বেড়েছে। তবে, পেট্রোবাংলার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সামিটের টার্মিনাল আগে থেকেই সর্বোচ্চ সক্ষমতায় দৈনিক প্রায় ৫৭ কোটি ১০ লাখ ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করছে। তাই নতুন কার্গো এলেও তাৎক্ষণিকভাবে অতিরিক্ত গ্যাস সরবরাহের সুযোগ নেই।

গত বুধবার দুপুরের পর এক্সিলারেটের টার্মিনালে সরবরাহযোগ্য এলএনজির মজুত শেষ হয়ে যায়। এর ফলে, সেখান থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়। তবে সামিটের অন্য টার্মিনাল থেকে সরবরাহ অব্যাহত ছিল।

পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টায় এলএনজি থেকে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক ৫৭ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছিল। একই সময়ে দেশীয় গ্যাসক্ষেত্র থেকে সরবরাহ ছিল ১৬২ কোটি ৬০ লাখ ঘনফুট। সব মিলিয়ে গ্যাস সরবরাহ দাড়ায় ২১৯ কোটি ৬০ লাখ ঘনফুট।

দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩৮০ কোটি ঘনফুট। সেই হিসাবে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ হয়েছে ৫৭ দশমিক ৮ শতাংশ। ঘাটতি ছিল প্রায় ১৬০ কোটি ঘনফুট। দেশের দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের সম্মিলিত দৈনিক সরবরাহ সক্ষমতা প্রায় ১১০ কোটি ঘনফুট। এর বিপরীতে বৃহস্পতিবার সরবরাহ ছিল সক্ষমতার প্রায় ৫২ শতাংশ।