বরগুনার পায়রা নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ স্কুলছাত্রী রাবেয়া আক্তার জুঁইয়ের (১৫) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
নিখোঁজের প্রায় একদিন পর সোমবার (১৭ আগস্ট) সন্ধ্যার দিকে তালতলী উপজেলার জয়ালভাঙা এলাকায় পায়রা নদীতে ভাসমান অবস্থায় তার মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে পুলিশের সহায়তায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত জুঁই ঢাকার মিরপুর এলাকার জনি চৌধুরীর মেয়ে। সে বাবার সঙ্গে বরগুনা সদর উপজেলার এম বালিয়াতলী ইউনিয়নের লতাকাটা এলাকায় বেড়াতে গিয়েছিল।
রোববার (১৬ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে এক স্বজনের সঙ্গে লতাকাটা খেয়াঘাটসংলগ্ন পায়রা নদীতে নামে জুঁই। এ সময় নদীতে তীব্র স্রোত থাকায় গোসলের একপর্যায়ে স্রোতের টানে পানিতে তলিয়ে যায় সে। পরে স্থানীয়রা নদীতে নেমে এবং জাল টেনে তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করলেও কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
খবর পেয়ে বরগুনা সদর ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা গিয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। তবে নদীতে তীব্র স্রোত থাকায় উদ্ধারকাজে বেগ পেতে হয়। পরে পটুয়াখালী ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি ইউনিটকেও খবর দেওয়া হয়।
এর পর সোমবার সন্ধ্যার দিকে তালতলী উপজেলার নলবুনিয়া জয়ালভাঙা এলাকায় পায়রা নদীতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরে স্বজনরা মরদেহটি নিখোঁজ জুঁইয়ের বলে শনাক্ত করেন।
বরগুনা সদর ফায়ার স্টেশনের স্টেশন কর্মকর্তা মো. ইমদাদুল হক জানান, নিখোঁজের পর থেকেই ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা উদ্ধার অভিযান চালিয়ে আসছিলেন। নদীতে তীব্র স্রোত থাকায় উদ্ধারকাজে নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতা ছিল।
বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহাদাৎ হাচনাইন পারভেজ জানান, জুঁই নিখোঁজ হওয়ার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে তালতলীর জয়ালভাঙা এলাকায় মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক 






















