ঢাকা ০৬:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলাদেশে প্রতিটি মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার হবে : আইনমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর চ্যালেঞ্জ গ্রহণ, বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান প্রস্তাব হাসনাতের বরগুনায় নানা বাড়িতে বেড়াতে এসে নদীর স্রোতে নিখোঁজ দশম শ্রেণির ছাত্রী জুই র‍্যালি ও পুরস্কার বিতরণে দৌলতখানে জাতীয় মৎস্য পক্ষ উদযাপিত আত্রাইয়ে নানার বাড়িতে বেড়াতে এসে নদীতে পড়ে দুই বছরের শিশুর মৃত্যু রাজৈরে যথাযোগ্য মর্যাদায় মৎস্য সপ্তাহ ২০২৬ পালিত মুরাদনগরে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ এর উদ্বোধন পাবনাকে সংযুক্ত করে ওয়াই সিস্টেম ব্রিজ হতে যাচ্ছে : শিমুল বিশ্বাস কমলনগরে মাদক বিরোধী সমাবেশ সিলেট গ্যাস ফিল্ডসে বেতন ৩৬ লাখ, ওভারটাইমও ৩৬ লাখ

ডিএনসিসির প্রকৌশলী খন্দকার মাহবুব আলমকে ঘিরে অবৈধ সম্পদ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) খন্দকার মাহবুব আলমকে ঘিরে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা, দ্রুত পদোন্নতি, ক্ষমতার অপব্যবহার, উন্নয়ন প্রকল্পের দরপত্র ও কাজ বণ্টনে প্রভাব বিস্তার, ঘুষ-দুর্নীতি এবং জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও সরকারি কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগকারীরা তার সম্পদ, প্রকল্পে ভূমিকা, দরপত্র প্রক্রিয়া এবং পদোন্নতির বিষয় তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
বিভিন্ন সময়ে তিনি ডিএনসিসির জোন-৩-এর নির্বাহী প্রকৌশলী এবং পরে ট্রাফিক ইঞ্জিনিয়ারিং সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৯ সালে তিনি সুপারিনটেনডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার (সিভিল) পদে দায়িত্ব পান। সর্বশেষ ২০২৬ সালের ১১ মার্চ তাকে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীর চলতি দায়িত্ব দেওয়া হয়।
তার ক্যারিয়ার অগ্রগতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগের কারণে। তিনি আওয়ামী লীগপন্থী হিসেবে পরিচিত বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত কর্মসূচির ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তা হিসেবে তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। ২০২৪ সালের মে মাসে তিনি ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হন। একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ৯ মে তিনি ওই দায়িত্ব পান।
বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদ আওয়ামী লীগপন্থী পেশাজীবীদের একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পরিচিত। মাহবুব আলম নিজেও সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক এবং জন্মশতবার্ষিকীর ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তা থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তবে তার বক্তব্য, ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তার দায়িত্ব তাকে সরকারের পক্ষ থেকেই দেওয়া হয়েছিল।
অভিযোগকারীদের প্রশ্ন, রাজনৈতিকভাবে পরিচিত একজন কর্মকর্তা রাজনৈতিক পরিবর্তনের পরও কীভাবে গুরুত্বপূর্ণ প্রকৌশল ও উন্নয়ন প্রকল্পের দায়িত্বে বহাল থাকলেন এবং পরবর্তীতে আরও গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পেলেন। তার ২০২৬ সালের পদোন্নতির সময়টিও এ কারণে আলোচনায় এসেছে।
সাবেক ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলামের মেয়াদে মাহবুব আলম গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো তাকে সাবেক মেয়রের ঘনিষ্ঠ ও বিশ্বস্ত কর্মকর্তা হিসেবে বর্ণনা করেছে। পরবর্তী সময়ে ডিএনসিসির প্রশাসক শফিকুল ইসলাম মিল্টনের সঙ্গেও তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে ।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ডিএনসিসির এক কর্মকর্তা বলেন, সাম্প্রতিক পদোন্নতির পর দরপত্র ও উন্নয়ন-সংক্রান্ত সিদ্ধান্তে মাহবুব আলমের প্রভাব আরও বেড়েছে। তার বর্তমান দায়িত্বের কারণে এ অভিযোগটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তবে ওই কর্মকর্তার বক্তব্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি।
মাহবুব আলমের বিরুদ্ধে সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগগুলোর একটি হলো ডিএনসিসির বড় উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ বণ্টনে প্রভাব বিস্তার। অভিযোগে বলা হয়েছে, সরকারি অর্থায়নে পরিচালিত DRSP প্রকল্পের প্রায় ৮২২ কোটি টাকার কাজের মধ্যে প্রায় ৬০০ কোটি টাকার কাজ আওয়ামী লীগপন্থী বা রাজনৈতিকভাবে সংশ্লিষ্ট হিসেবে বিবেচিত ঠিকাদারদের দেওয়া হয়েছে।
অভিযোগকারীদের দাবি, প্রকল্পের দরপত্র, ঠিকাদার নির্বাচন এবং বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় তার প্রভাব ছিল। সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তার বক্তব্য অনুযায়ী, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীর চলতি দায়িত্ব পাওয়ার পর টেন্ডার ও উন্নয়ন-সংক্রান্ত সিদ্ধান্তে তার প্রভাব আরও বেড়েছে।
দুদকে দেওয়া অভিযোগে খন্দকার মাহবুব আলমের ব্যক্তিগত সম্পদ নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ঢাকায় তার একাধিক ফ্ল্যাট ও দোকান রয়েছে। তার নামে সাতটি ফ্ল্যাট ও কয়েকটি দোকান রয়েছে। পাশাপাশি দুটি দামি বা বিলাসবহুল গাড়ি থাকার অভিযোগও করা হয়েছে। আরও অভিযোগ করা হয়েছে, তার একটি ডুপ্লেক্স অ্যাপার্টমেন্ট সাজাতে প্রায় ৫ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে।
অভিযোগকারীদের মূল প্রশ্ন হলো—একজন সরকারি প্রকৌশলীর বৈধ আয় দিয়ে এসব সম্পদ অর্জন ও রক্ষণাবেক্ষণ করা সম্ভব কি না এবং এসব সম্পদের অর্থের উৎস কী।
তার বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগও রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট লেনদেন, ঘুষের অর্থের পরিমাণ, ঘুষদাতা বা ঘুষ গ্রহণের প্রত্যক্ষ প্রমাণ প্রকাশ্যে এসেছে।
তথ্য অনুযায়ী, তিনি ২০১৯ সালে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (পুর) পদে পদোন্নতি পান এবং পরবর্তী সময়ে সুপারিনটেনডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার (সিভিল) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০২৬ সালের ১১ মার্চ তাকে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীর চলতি দায়িত্ব দেওয়া হয়।
অন্যদিকে, তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে মন্তব্য জানতে মাহবুব আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি। প্রতিবেদক একাধিকবার ফোন ও WhatsApp-এর মাধ্যমে তার বক্তব্য জানতে চাইলেও তিনি কোনো উত্তর দেননি।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশে প্রতিটি মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার হবে : আইনমন্ত্রী

ডিএনসিসির প্রকৌশলী খন্দকার মাহবুব আলমকে ঘিরে অবৈধ সম্পদ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ

আপডেট সময় ০৫:০৯:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) খন্দকার মাহবুব আলমকে ঘিরে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা, দ্রুত পদোন্নতি, ক্ষমতার অপব্যবহার, উন্নয়ন প্রকল্পের দরপত্র ও কাজ বণ্টনে প্রভাব বিস্তার, ঘুষ-দুর্নীতি এবং জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও সরকারি কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগকারীরা তার সম্পদ, প্রকল্পে ভূমিকা, দরপত্র প্রক্রিয়া এবং পদোন্নতির বিষয় তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
বিভিন্ন সময়ে তিনি ডিএনসিসির জোন-৩-এর নির্বাহী প্রকৌশলী এবং পরে ট্রাফিক ইঞ্জিনিয়ারিং সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৯ সালে তিনি সুপারিনটেনডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার (সিভিল) পদে দায়িত্ব পান। সর্বশেষ ২০২৬ সালের ১১ মার্চ তাকে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীর চলতি দায়িত্ব দেওয়া হয়।
তার ক্যারিয়ার অগ্রগতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগের কারণে। তিনি আওয়ামী লীগপন্থী হিসেবে পরিচিত বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত কর্মসূচির ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তা হিসেবে তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। ২০২৪ সালের মে মাসে তিনি ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হন। একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ৯ মে তিনি ওই দায়িত্ব পান।
বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদ আওয়ামী লীগপন্থী পেশাজীবীদের একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পরিচিত। মাহবুব আলম নিজেও সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক এবং জন্মশতবার্ষিকীর ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তা থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তবে তার বক্তব্য, ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তার দায়িত্ব তাকে সরকারের পক্ষ থেকেই দেওয়া হয়েছিল।
অভিযোগকারীদের প্রশ্ন, রাজনৈতিকভাবে পরিচিত একজন কর্মকর্তা রাজনৈতিক পরিবর্তনের পরও কীভাবে গুরুত্বপূর্ণ প্রকৌশল ও উন্নয়ন প্রকল্পের দায়িত্বে বহাল থাকলেন এবং পরবর্তীতে আরও গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পেলেন। তার ২০২৬ সালের পদোন্নতির সময়টিও এ কারণে আলোচনায় এসেছে।
সাবেক ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলামের মেয়াদে মাহবুব আলম গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো তাকে সাবেক মেয়রের ঘনিষ্ঠ ও বিশ্বস্ত কর্মকর্তা হিসেবে বর্ণনা করেছে। পরবর্তী সময়ে ডিএনসিসির প্রশাসক শফিকুল ইসলাম মিল্টনের সঙ্গেও তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে ।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ডিএনসিসির এক কর্মকর্তা বলেন, সাম্প্রতিক পদোন্নতির পর দরপত্র ও উন্নয়ন-সংক্রান্ত সিদ্ধান্তে মাহবুব আলমের প্রভাব আরও বেড়েছে। তার বর্তমান দায়িত্বের কারণে এ অভিযোগটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তবে ওই কর্মকর্তার বক্তব্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি।
মাহবুব আলমের বিরুদ্ধে সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগগুলোর একটি হলো ডিএনসিসির বড় উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ বণ্টনে প্রভাব বিস্তার। অভিযোগে বলা হয়েছে, সরকারি অর্থায়নে পরিচালিত DRSP প্রকল্পের প্রায় ৮২২ কোটি টাকার কাজের মধ্যে প্রায় ৬০০ কোটি টাকার কাজ আওয়ামী লীগপন্থী বা রাজনৈতিকভাবে সংশ্লিষ্ট হিসেবে বিবেচিত ঠিকাদারদের দেওয়া হয়েছে।
অভিযোগকারীদের দাবি, প্রকল্পের দরপত্র, ঠিকাদার নির্বাচন এবং বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় তার প্রভাব ছিল। সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তার বক্তব্য অনুযায়ী, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীর চলতি দায়িত্ব পাওয়ার পর টেন্ডার ও উন্নয়ন-সংক্রান্ত সিদ্ধান্তে তার প্রভাব আরও বেড়েছে।
দুদকে দেওয়া অভিযোগে খন্দকার মাহবুব আলমের ব্যক্তিগত সম্পদ নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ঢাকায় তার একাধিক ফ্ল্যাট ও দোকান রয়েছে। তার নামে সাতটি ফ্ল্যাট ও কয়েকটি দোকান রয়েছে। পাশাপাশি দুটি দামি বা বিলাসবহুল গাড়ি থাকার অভিযোগও করা হয়েছে। আরও অভিযোগ করা হয়েছে, তার একটি ডুপ্লেক্স অ্যাপার্টমেন্ট সাজাতে প্রায় ৫ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে।
অভিযোগকারীদের মূল প্রশ্ন হলো—একজন সরকারি প্রকৌশলীর বৈধ আয় দিয়ে এসব সম্পদ অর্জন ও রক্ষণাবেক্ষণ করা সম্ভব কি না এবং এসব সম্পদের অর্থের উৎস কী।
তার বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগও রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট লেনদেন, ঘুষের অর্থের পরিমাণ, ঘুষদাতা বা ঘুষ গ্রহণের প্রত্যক্ষ প্রমাণ প্রকাশ্যে এসেছে।
তথ্য অনুযায়ী, তিনি ২০১৯ সালে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (পুর) পদে পদোন্নতি পান এবং পরবর্তী সময়ে সুপারিনটেনডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার (সিভিল) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০২৬ সালের ১১ মার্চ তাকে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীর চলতি দায়িত্ব দেওয়া হয়।
অন্যদিকে, তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে মন্তব্য জানতে মাহবুব আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি। প্রতিবেদক একাধিকবার ফোন ও WhatsApp-এর মাধ্যমে তার বক্তব্য জানতে চাইলেও তিনি কোনো উত্তর দেননি।