চুয়াডাঙ্গার দর্শনা সীমান্ত দিয়ে ভারতে ঢুকে পড়ার আগমূহুর্তে রবিউল ইসলাম (৩৪) নামে এক যুবককে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। আটকের সময় তার কাছে প্রায় ৭ কেজি ওজনের ৩৯টি সোনার বার পাওয়া গেছে।
শনিবার (১ আগস্ট) সন্ধ্যায় চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়নের (৬ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নাজমুল হাসান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা গেছে এ তথ্য।
আটক রবিউল ইসলাম চুয়াডাঙ্গার দর্শনা উপজেলার ছয়ঘরিয়া গ্রামের আহমদ আলী বিশ্বাসের ছেলে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি উদ্ধার হওয়া সোনা ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে বহন করার কথা স্বীকার করেছেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা থানার পারকেষ্টপুর সীমান্ত দিয়ে বিপুল পরিমাণ সোনা ভারতে পাচারের চেষ্টা চলছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে ৬ বিজিবির একটি টহল দল এলাকায় অবস্থান নেয়।
শনিবার বিকেল ৪টা ২০ মিনিটের দিকে সীমান্ত পিলার ৭৮-এর দিকে মোটরসাইকেলে যাওয়ার সময় সন্দেহভাজন এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। পরে তার দেহ তল্লাশি করে বিভিন্ন আকারের ৩৯টি সোনার বার উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার হওয়া সোনার মোট ওজন ৬ কেজি ৯৬৮ গ্রাম, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ১৩ কোটি ৩২ লাখ ৬৩ হাজার টাকা।
এছাড়াও অভিযানে একটি মোটরসাইকেল, একটি বাটন মোবাইল ফোন এবং নগদ ১৪০ টাকা জব্দ করা হয়েছে।
বিজিবি জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিকে জব্দ করা মোটরসাইকেলসহ দর্শনা থানায় হস্তান্তর এবং উদ্ধার করা সোনা চুয়াডাঙ্গা ট্রেজারি অফিসে জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নাজমুল হাসান বলেন, গত এক বছরে এটিই সবচেয়ে বড় সোনার চালান জব্দের ঘটনা। সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান ও সোনা পাচার প্রতিরোধে বিজিবির গোয়েন্দাভিত্তিক অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক 






















