ঢাকা ০১:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

লামায় পাহাড় কেটে পরিবেশ ধ্বংসের অভিযোগ

বান্দরবানের লামা উপজেলার রূপসীপাড়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত সামাই ছড়ি অইক্কা ঝিড়ি এলাকার সাবেক লামা উপজেলা কৃষকদলের সভাপতি এজিএ সালাউদ্দিন জাফর নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে বেপরোয়াভাবে পাহাড় কাটার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় প্রাকৃতিক পরিবেশ, ঝিড়ি ও পরিবেশগত ভারসাম্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে।
​পাহাড় কেটে সমতল ও কাদাময় জমিতে রূপান্তর করা হচ্ছে। সেখানে মাটিকাটা এক্সকাভেটর বা স্কেভেটর দিয়ে পাহাড়ের মাটি সাবাড় করার দৃশ্য স্পষ্ট। এতে প্রাকৃতিক ঝিড়ির স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে এবং স্থানীয় পরিবেশের উপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
​স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ,পরিবেশ আইন তোয়াক্কা না করেই দীর্ঘদিন ধরে এই পাহাড়ি মাটি কাটা ও ঝিড়ি ভরাট কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এর ফলে বর্ষার মৌসুমে পাহাড়ি ধস এবং হঠাৎ বন্যার ঝুঁকি অনেক বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

​পরিবেশ সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়া যেকোনো ধরণের পাহাড় কাটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। পরিবেশ সচেতন মহল ও এলাকাবাসী অবিলম্বে এই অবৈধ পাহাড় কাটা বন্ধে উপজেলা প্রশাসন এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের কঠোর হস্তক্ষেপর দাবি জানিয়েছেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিএসসিতে দুর্নীতির অভিযোগ, ইউসুফ-জিয়াসহ ৪ জনকে মন্ত্রণালয়ের শুনানিতে তলব

লামায় পাহাড় কেটে পরিবেশ ধ্বংসের অভিযোগ

আপডেট সময় ১১:৪৮:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

বান্দরবানের লামা উপজেলার রূপসীপাড়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত সামাই ছড়ি অইক্কা ঝিড়ি এলাকার সাবেক লামা উপজেলা কৃষকদলের সভাপতি এজিএ সালাউদ্দিন জাফর নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে বেপরোয়াভাবে পাহাড় কাটার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় প্রাকৃতিক পরিবেশ, ঝিড়ি ও পরিবেশগত ভারসাম্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে।
​পাহাড় কেটে সমতল ও কাদাময় জমিতে রূপান্তর করা হচ্ছে। সেখানে মাটিকাটা এক্সকাভেটর বা স্কেভেটর দিয়ে পাহাড়ের মাটি সাবাড় করার দৃশ্য স্পষ্ট। এতে প্রাকৃতিক ঝিড়ির স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে এবং স্থানীয় পরিবেশের উপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
​স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ,পরিবেশ আইন তোয়াক্কা না করেই দীর্ঘদিন ধরে এই পাহাড়ি মাটি কাটা ও ঝিড়ি ভরাট কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এর ফলে বর্ষার মৌসুমে পাহাড়ি ধস এবং হঠাৎ বন্যার ঝুঁকি অনেক বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

​পরিবেশ সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়া যেকোনো ধরণের পাহাড় কাটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। পরিবেশ সচেতন মহল ও এলাকাবাসী অবিলম্বে এই অবৈধ পাহাড় কাটা বন্ধে উপজেলা প্রশাসন এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের কঠোর হস্তক্ষেপর দাবি জানিয়েছেন।