ঢাকা ১০:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
৫ প্লট, ৪ ফ্ল্যাট ও একাধিক বিলাসবহুল গাড়ি, প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার সম্পদের অভিযোগ প্রধানমন্ত্রীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি: কালুখালীর সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একযোগে বৃক্ষরোপণ বিদেশি মালিকানাধীন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নিয়ম তৃতীয় বিয়ে নিয়ে ‘মহাবিপদে’ আমির খান! খেলা শুরুর আগে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের দুই গ্রুপের মধ্যে তুমুল মারামারি, আটক ৩ সমগ্র উত্তরবঙ্গের ইয়াবার ডিলার শা আপেল কে নিয়ে নানান বিতর্কের গুণজন যৌন নিপীড়ন মামলায় ৫৬ লাখ ডলারের বেশি ক্ষতিপূরণ দিলেন ট্রাম্প শেখ হাসিনা ও ১০ শিল্প গ্রুপের ৭৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ জব্দ বাংলাদেশে বিয়ের ব্যাপারে নাগরিকদের সতর্ক করল চীন বিনা প্রেসক্রিপশনে অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি রোধে কঠোর অভিযান চলবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বিদেশি মালিকানাধীন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নিয়ম

দেশের বিদেশি মালিকানাধীন শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য বৈদেশিক ঋণ গ্রহণের বিধিমালা শিথিল করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন এ সিদ্ধান্তের ফলে প্যারেন্ট কোম্পানি, সহযোগী (অ্যাফিলিয়েট) প্রতিষ্ঠান এবং শেয়ারহোল্ডারদের কাছ থেকে সাধারণ অনুমোদনের আওতায় স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি বৈদেশিক ঋণ নিতে পারবে এসব প্রতিষ্ঠান।

বুধবার (১৫ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ (ফরেন এক্সচেঞ্জ পলিসি ডিপার্টমেন্ট) থেকে এ-সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করা হয়েছে।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড), অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইজেড), হাইটেক পার্কসহ বিভিন্ন বিশেষায়িত অঞ্চলে পরিচালিত এবং এসব অঞ্চলের বাইরে উৎপাদন ও সেবাখাতে পরিচালিত সম্পূর্ণ বিদেশি মালিকানাধীন শিল্পপ্রতিষ্ঠান নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে বৈদেশিক ঋণ গ্রহণ করতে পারবে।

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, এক বছরের কম মেয়াদি স্বল্পমেয়াদি ঋণের ক্ষেত্রে বিশেষায়িত অঞ্চলের বাইরের প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্বানুমোদন ছাড়াই চলতি মূলধনের জন্য সুদমুক্ত ঋণ নিতে পারবে। এছাড়া কাঁচামাল সংগ্রহসহ প্রকৃত ব্যবসায়িক প্রয়োজনে বার্ষিক সর্বোচ্চ ৩ শতাংশ অল-ইন-কস্টে সুদযুক্ত ঋণ গ্রহণের সুযোগ থাকবে। এসব ঋণ মেয়াদ শেষে এককালীন পরিশোধ করতে হবে এবং সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত রোলওভার করা যাবে।

এক থেকে পাঁচ বছর মেয়াদি মধ্যমেয়াদি ঋণের ক্ষেত্রে মূলধনী ব্যয়, যেমন যন্ত্রপাতি, সরঞ্জাম ও নির্মাণকাজের জন্য সর্বোচ্চ ৫ কোটি (৫০ মিলিয়ন) মার্কিন ডলার পর্যন্ত সুদমুক্ত ঋণ নেওয়া যাবে। পাশাপাশি সর্বোচ্চ ৫০ লাখ (৫ মিলিয়ন) মার্কিন ডলার পর্যন্ত সুদযুক্ত ঋণ গ্রহণের সুযোগ রাখা হয়েছে।

এছাড়া, পাঁচ বছরের বেশি মেয়াদি দীর্ঘমেয়াদি বৈদেশিক ঋণও গ্রহণ করা যাবে। এ ধরনের ঋণে সুদ প্রযোজ্য হলে তার হার বার্ষিক সর্বোচ্চ ৩ শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে হবে।

সার্কুলারে আরও বলা হয়েছে, বিদ্যমান নীতিমালার আওতায় বকেয়া বৈদেশিক ঋণ ইকুইটিতে রূপান্তরের সুবিধাও বহাল থাকবে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নতুন এ নীতিমালার ফলে বিদেশি মালিকানাধীন শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো কম খরচে বৈদেশিক অর্থায়নের সুযোগ পাবে। একইসঙ্গে বাংলাদেশে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) আকর্ষণে এ উদ্যোগ ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন তারা।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৫ প্লট, ৪ ফ্ল্যাট ও একাধিক বিলাসবহুল গাড়ি, প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার সম্পদের অভিযোগ

বিদেশি মালিকানাধীন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নিয়ম

আপডেট সময় ০৮:২২:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

দেশের বিদেশি মালিকানাধীন শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য বৈদেশিক ঋণ গ্রহণের বিধিমালা শিথিল করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন এ সিদ্ধান্তের ফলে প্যারেন্ট কোম্পানি, সহযোগী (অ্যাফিলিয়েট) প্রতিষ্ঠান এবং শেয়ারহোল্ডারদের কাছ থেকে সাধারণ অনুমোদনের আওতায় স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি বৈদেশিক ঋণ নিতে পারবে এসব প্রতিষ্ঠান।

বুধবার (১৫ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ (ফরেন এক্সচেঞ্জ পলিসি ডিপার্টমেন্ট) থেকে এ-সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করা হয়েছে।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড), অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইজেড), হাইটেক পার্কসহ বিভিন্ন বিশেষায়িত অঞ্চলে পরিচালিত এবং এসব অঞ্চলের বাইরে উৎপাদন ও সেবাখাতে পরিচালিত সম্পূর্ণ বিদেশি মালিকানাধীন শিল্পপ্রতিষ্ঠান নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে বৈদেশিক ঋণ গ্রহণ করতে পারবে।

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, এক বছরের কম মেয়াদি স্বল্পমেয়াদি ঋণের ক্ষেত্রে বিশেষায়িত অঞ্চলের বাইরের প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্বানুমোদন ছাড়াই চলতি মূলধনের জন্য সুদমুক্ত ঋণ নিতে পারবে। এছাড়া কাঁচামাল সংগ্রহসহ প্রকৃত ব্যবসায়িক প্রয়োজনে বার্ষিক সর্বোচ্চ ৩ শতাংশ অল-ইন-কস্টে সুদযুক্ত ঋণ গ্রহণের সুযোগ থাকবে। এসব ঋণ মেয়াদ শেষে এককালীন পরিশোধ করতে হবে এবং সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত রোলওভার করা যাবে।

এক থেকে পাঁচ বছর মেয়াদি মধ্যমেয়াদি ঋণের ক্ষেত্রে মূলধনী ব্যয়, যেমন যন্ত্রপাতি, সরঞ্জাম ও নির্মাণকাজের জন্য সর্বোচ্চ ৫ কোটি (৫০ মিলিয়ন) মার্কিন ডলার পর্যন্ত সুদমুক্ত ঋণ নেওয়া যাবে। পাশাপাশি সর্বোচ্চ ৫০ লাখ (৫ মিলিয়ন) মার্কিন ডলার পর্যন্ত সুদযুক্ত ঋণ গ্রহণের সুযোগ রাখা হয়েছে।

এছাড়া, পাঁচ বছরের বেশি মেয়াদি দীর্ঘমেয়াদি বৈদেশিক ঋণও গ্রহণ করা যাবে। এ ধরনের ঋণে সুদ প্রযোজ্য হলে তার হার বার্ষিক সর্বোচ্চ ৩ শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে হবে।

সার্কুলারে আরও বলা হয়েছে, বিদ্যমান নীতিমালার আওতায় বকেয়া বৈদেশিক ঋণ ইকুইটিতে রূপান্তরের সুবিধাও বহাল থাকবে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নতুন এ নীতিমালার ফলে বিদেশি মালিকানাধীন শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো কম খরচে বৈদেশিক অর্থায়নের সুযোগ পাবে। একইসঙ্গে বাংলাদেশে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) আকর্ষণে এ উদ্যোগ ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন তারা।