ঢাকা ০৩:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
খালিয়াজুরী খাদ্যগুদামে ধান ক্রয়ে অনিয়মের অভিযোগ, ক্ষুব্ধ কৃষকরা কুড়িগ্রামে কাবিখা-কাবিটা প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ অনিয়মের অভিযোগের মধ্যেই বরিশালে বদলি ঢাকা দক্ষিণ সিটির প্রকৌশলী বোরহান পূর্ব রেলের ডিএফএ-স্টোর্সের এও কাজী সাঈদার অঢেল সম্পদের অভিযোগ দুর্নীতির অভিযোগের পরও ইইডির ঢাকা মেট্রো জোনে বহাল সাবেক প্রকৌশল নেতা শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সরকারি বরাদ্দ বণ্টনে অনিয়মের অভিযোগ ৩৫ কোটি টাকার মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে ফ্লাইট এক্সপার্টের বিরুদ্ধে মামলা অনিয়মের অভিযোগে রায়পুর জনস্বাস্থ্যের উপ-সহকারী প্রকৌশলী রমিজ উদ্দিন, দুদকের তদন্তের দাবি হাসিনা সরকারের আস্থাভাজন সাবেক অডিটর জেনারেলকে ঘিরে অর্থপাচার ও দুর্নীতির অভিযোগ মন্ত্রণালয়ের আপত্তি উপেক্ষা করে দুদক মামলার আসামিকে পিডি নিয়োগের অভিযোগ
পর্ব ১

প্রিমিয়ার ব্যাংকের ডিএমডি অমলেন্দুর বিরুদ্ধে গুরুতর দুর্নীতি-অনিয়মের অভিযোগ

স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ সরকারের রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে প্রিমিয়ার ব্যাংকে নজিরবিহীন আধিপত্য ও চরম বৈষম্য সৃষ্টির অভিযোগ উঠেছে ব্যাংকটির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) অমলেন্দু রায়ের বিরুদ্ধে।

গোপালগঞ্জের বাসিন্দা অমলেন্দু রায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং শেখ সেলিমের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ পরিচয় ব্যবহার করে ব্যাংকের অভ্যন্তরে একচ্ছত্র ক্ষমতার বলয় তৈরি করেছেন। ইউসিবিএল (UCBL) ব্যাংক থেকে এসে প্রায় ৫ থেকে সাড়ে ৫ লাখ টাকা উচ্চ বেতনে প্রিমিয়ার ব্যাংকে যোগদানের পর থেকেই তিনি ব্যাংকটিকে নিজের ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করছেন বলে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা অভিযোগ তুলেছেন। **ট্রেড লাইসেন্সের অজুহাতে প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ীদের হয়রানি**অনুসন্ধানে জানা যায়, অমলেন্দু রায় প্রিমিয়ার ব্যাংকে যোগ দেওয়ার পর থেকেই বিএনপি সমর্থিত বা নিরপেক্ষ সাধারণ ব্যবসায়ীদের সুনির্দিষ্ট টার্গেট করে নানামুখী হয়রানি শুরু করেছেন।

বিশেষ করে বিগত ৫ই আগস্ট সরকার পতনের পর অনেক ব্যবসায়ী নিরাপত্তা বা অন্য কোনো যৌক্তিক কারণে অফিস স্থানান্তর (চেঞ্জ) করেছেন। বাংলাদেশে ব্যবসা করার ক্ষেত্রে ট্রেড লাইসেন্স একটি অত্যন্ত সাধারণ ও নামমাত্র বিষয়, যা একটি সাধারণ মুদি দোকানেরও থাকে। কিন্তু অমলেন্দু রায়ের নির্দেশে হেড অফিস থেকে বিভিন্ন শাখা ম্যানেজারদের ওপর চাপ সৃষ্টি করে ব্যবসায়ীদের ট্রেড লাইসেন্স ও ঠিকানা যাচাইয়ের নামে ফাইল আটকে রাখা হচ্ছে। দীর্ঘ ২০ থেকে ৩৬ বছর ধরে সততার সাথে ব্যবসা করে আসা প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ীদেরও এই ঠুনকো অজুহাতে কোণঠাসা করা হচ্ছে।

মর্টগেজ ও সিসি লিমিট থাকার পরও ঋণ সুবিধা থেকে বঞ্চিত ব্যবসায়ীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, ব্যাংকিং নিয়ম অনুযায়ী গ্রাহকদের এফডিআর (FDR), এসওডি (SOD) বা সিসি (CC) লিমিট দেখার কথা। অনেক ব্যবসায়ীর ঋণের বিপরীতে ব্যাংকে তিন গুণ মূল্যের প্রপার্টি বা সম্পদ মর্টগেজ রাখা আছে। এমনকি ৩-৪টি ফ্ল্যাট বন্ধক রাখার বিপরীতে মাত্র একটি ফ্ল্যাটের সমপরিমাণ (নামমাত্র ৫০, ৬০ বা ৮০ লাখ টাকা) লোন নেওয়া সত্ত্বেও অমলেন্দু রায় উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাদের ব্যবসায়িক সুবিধা আটকে দিচ্ছেন।

বিগত ৫ বছরে যেসকল আমদানিকারক ও রপ্তানিকারক ব্যবসায়ীদের ৫০ থেকে ৬০ কোটি টাকার বিশাল ট্রানজেকশন রয়েছে, তাদের সিসি সীমা ও সরকারি প্রণোদনা আটকে দিয়ে ব্যবসা ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। এমডি-ডিএমডিদের বেতন ১ লক্ষ টাকা করার জোর দাবি**ব্যবসায়ী ও সাধারণ গ্রাহকদের মতে, মূলত গ্রাহকদের এফডিআর এবং আমানতের টাকা দিয়েই ব্যাংক পরিচালিত হয়। গ্রাহকদের সঠিক সেবা দেওয়ার মাধ্যমেই ব্যাংকের আয় নিশ্চিত হয় এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন দেওয়া হয়।

অথচ কোনো যৌক্তিক অবদান ছাড়াই ব্যাংকের ডিএমডি-এমডিরা প্রতি মাসে ১০, ১২, ২০ এমনকি ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত মোটা অঙ্কের বেতন নিচ্ছেন। এর পাশাপাশি বিভিন্ন লোন অনুমোদন ও এফডিআর করিয়ে দেওয়ার বিপরীতে তারা মোটা অঙ্কের ‘কমিশন’ ও গাড়ি-ফ্ল্যাটসহ নানা সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছেন।ব্যবসায়ীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, মাঠ পর্যায়ে আসল কাজ করেন অডিট অফিসার, এসভিপি (SVP) বা শাখা ব্যবস্থাপকেরা।

ডিএমডি বা এমডিদের তেমন কোনো মাঠ পর্যায়ের কাজই নেই। তাই দেশের ব্যাংক খাতকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে এবং জনগণের আমানত রক্ষা করতে দেশের সকল ব্যাংকের এমডি ও ডিএমডিদের মাসিক বেতন সর্বোচ্চ ১ লক্ষ টাকা নির্ধারণ করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট জোর দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা। একই সাথে তাদের গাড়ি, ফ্ল্যাট ও কমিশন সুবিধা পুরোপুরি বাতিল করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

জুলাই আন্দোলন দমনে অর্থায়ন ও অবৈধ সম্পদ অর্জন অমলেন্দু রায়ের বিরুদ্ধে আরও গুরুতর অভিযোগ উঠেছে যে, বিগত জুলাই মাসে সংঘটিত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন নস্যাৎ করতে এবং তৎকালীন স্বৈরাচারী সরকারের পক্ষে গোপনে কোটি কোটি টাকা অনুদান বা অর্থায়ন করেছেন। সাবেক ফ্যাসিস্ট সরকারের ব্যাংকিং প্যানেল ও প্রিমিয়ার ব্যাংকের তৎকালীন চেয়ারম্যান ইকবালের সাথে যোগসাজশে অমলেন্দু রায় শত শত কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়েছেন।

তার নিজের নামে এবং বিভিন্ন বেনামে বিপুল পরিমাণ ঋণ নেওয়া, অঢেল সম্পত্তি, বাড়ি, প্লট এবং বিভিন্ন বিদেশি ব্যবসায় অংশীদারিত্বের তথ্যও প্রকাশ পাচ্ছে।ভুক্তভোগী সাধারণ ব্যবসায়ী ও ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এই দুর্নীতিবাজ ও বৈষম্য সৃষ্টিকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অবিলম্বে সুষ্ঠু তদন্ত, ব্যাংক থেকে তার অপসারণ এবং দৃষ্টান্তমূলক আইনি শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। ব্যবসায়ীরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, অবিলম্বে অমলেন্দু রায়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া হলে তারা বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দিতে বাধ্য হবেন।*নিউজটি সম্পূর্ণ প্রফেশনাল ও জার্নালিস্টিক ফরম্যাটে সাজানো হয়েছে। কোনো শব্দ বা বাক্য পরিবর্তন করতে চাইলে বলতে পারেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

খালিয়াজুরী খাদ্যগুদামে ধান ক্রয়ে অনিয়মের অভিযোগ, ক্ষুব্ধ কৃষকরা

পর্ব ১

প্রিমিয়ার ব্যাংকের ডিএমডি অমলেন্দুর বিরুদ্ধে গুরুতর দুর্নীতি-অনিয়মের অভিযোগ

আপডেট সময় ০১:১৯:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ সরকারের রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে প্রিমিয়ার ব্যাংকে নজিরবিহীন আধিপত্য ও চরম বৈষম্য সৃষ্টির অভিযোগ উঠেছে ব্যাংকটির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) অমলেন্দু রায়ের বিরুদ্ধে।

গোপালগঞ্জের বাসিন্দা অমলেন্দু রায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং শেখ সেলিমের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ পরিচয় ব্যবহার করে ব্যাংকের অভ্যন্তরে একচ্ছত্র ক্ষমতার বলয় তৈরি করেছেন। ইউসিবিএল (UCBL) ব্যাংক থেকে এসে প্রায় ৫ থেকে সাড়ে ৫ লাখ টাকা উচ্চ বেতনে প্রিমিয়ার ব্যাংকে যোগদানের পর থেকেই তিনি ব্যাংকটিকে নিজের ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করছেন বলে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা অভিযোগ তুলেছেন। **ট্রেড লাইসেন্সের অজুহাতে প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ীদের হয়রানি**অনুসন্ধানে জানা যায়, অমলেন্দু রায় প্রিমিয়ার ব্যাংকে যোগ দেওয়ার পর থেকেই বিএনপি সমর্থিত বা নিরপেক্ষ সাধারণ ব্যবসায়ীদের সুনির্দিষ্ট টার্গেট করে নানামুখী হয়রানি শুরু করেছেন।

বিশেষ করে বিগত ৫ই আগস্ট সরকার পতনের পর অনেক ব্যবসায়ী নিরাপত্তা বা অন্য কোনো যৌক্তিক কারণে অফিস স্থানান্তর (চেঞ্জ) করেছেন। বাংলাদেশে ব্যবসা করার ক্ষেত্রে ট্রেড লাইসেন্স একটি অত্যন্ত সাধারণ ও নামমাত্র বিষয়, যা একটি সাধারণ মুদি দোকানেরও থাকে। কিন্তু অমলেন্দু রায়ের নির্দেশে হেড অফিস থেকে বিভিন্ন শাখা ম্যানেজারদের ওপর চাপ সৃষ্টি করে ব্যবসায়ীদের ট্রেড লাইসেন্স ও ঠিকানা যাচাইয়ের নামে ফাইল আটকে রাখা হচ্ছে। দীর্ঘ ২০ থেকে ৩৬ বছর ধরে সততার সাথে ব্যবসা করে আসা প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ীদেরও এই ঠুনকো অজুহাতে কোণঠাসা করা হচ্ছে।

মর্টগেজ ও সিসি লিমিট থাকার পরও ঋণ সুবিধা থেকে বঞ্চিত ব্যবসায়ীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, ব্যাংকিং নিয়ম অনুযায়ী গ্রাহকদের এফডিআর (FDR), এসওডি (SOD) বা সিসি (CC) লিমিট দেখার কথা। অনেক ব্যবসায়ীর ঋণের বিপরীতে ব্যাংকে তিন গুণ মূল্যের প্রপার্টি বা সম্পদ মর্টগেজ রাখা আছে। এমনকি ৩-৪টি ফ্ল্যাট বন্ধক রাখার বিপরীতে মাত্র একটি ফ্ল্যাটের সমপরিমাণ (নামমাত্র ৫০, ৬০ বা ৮০ লাখ টাকা) লোন নেওয়া সত্ত্বেও অমলেন্দু রায় উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাদের ব্যবসায়িক সুবিধা আটকে দিচ্ছেন।

বিগত ৫ বছরে যেসকল আমদানিকারক ও রপ্তানিকারক ব্যবসায়ীদের ৫০ থেকে ৬০ কোটি টাকার বিশাল ট্রানজেকশন রয়েছে, তাদের সিসি সীমা ও সরকারি প্রণোদনা আটকে দিয়ে ব্যবসা ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। এমডি-ডিএমডিদের বেতন ১ লক্ষ টাকা করার জোর দাবি**ব্যবসায়ী ও সাধারণ গ্রাহকদের মতে, মূলত গ্রাহকদের এফডিআর এবং আমানতের টাকা দিয়েই ব্যাংক পরিচালিত হয়। গ্রাহকদের সঠিক সেবা দেওয়ার মাধ্যমেই ব্যাংকের আয় নিশ্চিত হয় এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন দেওয়া হয়।

অথচ কোনো যৌক্তিক অবদান ছাড়াই ব্যাংকের ডিএমডি-এমডিরা প্রতি মাসে ১০, ১২, ২০ এমনকি ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত মোটা অঙ্কের বেতন নিচ্ছেন। এর পাশাপাশি বিভিন্ন লোন অনুমোদন ও এফডিআর করিয়ে দেওয়ার বিপরীতে তারা মোটা অঙ্কের ‘কমিশন’ ও গাড়ি-ফ্ল্যাটসহ নানা সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছেন।ব্যবসায়ীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, মাঠ পর্যায়ে আসল কাজ করেন অডিট অফিসার, এসভিপি (SVP) বা শাখা ব্যবস্থাপকেরা।

ডিএমডি বা এমডিদের তেমন কোনো মাঠ পর্যায়ের কাজই নেই। তাই দেশের ব্যাংক খাতকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে এবং জনগণের আমানত রক্ষা করতে দেশের সকল ব্যাংকের এমডি ও ডিএমডিদের মাসিক বেতন সর্বোচ্চ ১ লক্ষ টাকা নির্ধারণ করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট জোর দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা। একই সাথে তাদের গাড়ি, ফ্ল্যাট ও কমিশন সুবিধা পুরোপুরি বাতিল করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

জুলাই আন্দোলন দমনে অর্থায়ন ও অবৈধ সম্পদ অর্জন অমলেন্দু রায়ের বিরুদ্ধে আরও গুরুতর অভিযোগ উঠেছে যে, বিগত জুলাই মাসে সংঘটিত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন নস্যাৎ করতে এবং তৎকালীন স্বৈরাচারী সরকারের পক্ষে গোপনে কোটি কোটি টাকা অনুদান বা অর্থায়ন করেছেন। সাবেক ফ্যাসিস্ট সরকারের ব্যাংকিং প্যানেল ও প্রিমিয়ার ব্যাংকের তৎকালীন চেয়ারম্যান ইকবালের সাথে যোগসাজশে অমলেন্দু রায় শত শত কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়েছেন।

তার নিজের নামে এবং বিভিন্ন বেনামে বিপুল পরিমাণ ঋণ নেওয়া, অঢেল সম্পত্তি, বাড়ি, প্লট এবং বিভিন্ন বিদেশি ব্যবসায় অংশীদারিত্বের তথ্যও প্রকাশ পাচ্ছে।ভুক্তভোগী সাধারণ ব্যবসায়ী ও ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এই দুর্নীতিবাজ ও বৈষম্য সৃষ্টিকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অবিলম্বে সুষ্ঠু তদন্ত, ব্যাংক থেকে তার অপসারণ এবং দৃষ্টান্তমূলক আইনি শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। ব্যবসায়ীরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, অবিলম্বে অমলেন্দু রায়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া হলে তারা বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দিতে বাধ্য হবেন।*নিউজটি সম্পূর্ণ প্রফেশনাল ও জার্নালিস্টিক ফরম্যাটে সাজানো হয়েছে। কোনো শব্দ বা বাক্য পরিবর্তন করতে চাইলে বলতে পারেন।