সংবাদ শিরোনাম ::
মৌলভীবাজারের বড়লেখা সীমান্তবর্তী ডিমাই বাজারে কমিউনিটি পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত মৌলভীবাজারের বড়লেখার উত্তর শাহবাজপুরে অবৈধ মাটি কাটার হিড়িক, টনক নড়ছে না প্রশাসনের ওসমান হাদিকে নিয়ে পাগলা মসজিদের দানবাক্সে চিঠি গিলাতলা-কালীগঞ্জ সড়ক সংস্কার কাজ পরিদর্শনে কর্তৃপক্ষ, কাজের মান সন্তোষজনক নোরা ফাতেহির সঙ্গে নতুন গানে আবারও সঞ্জয় রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের পথ সামনে খুলবে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া-চীন সফর পররাষ্ট্রনীতির মানদণ্ড নিশ্চিত করেছে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে হোন্ডার ম্যাংগো ফেস্ট, উচ্চস্বরে মাইক বাজিয়ে পরিবেশ দূষণ আত্রাইয়ে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-অবহিতকরণ ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত আত্রাইয়ে নদী থেকে মানসিক প্রতিবন্ধী বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার

প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া-চীন সফর পররাষ্ট্রনীতির মানদণ্ড নিশ্চিত করেছে

প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমানের সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া এবং চীন সফর বাংলাদেশের নিজস্ব পররাষ্ট্রনীতির ওপর ভিত্তি করেই সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, এই সফরের মাধ্যমে অন্যান্য দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের মানদণ্ড নিশ্চিত করা হয়েছে।

শনিবার (২৭ জুন) সকাল ১১টায় স্পিকার হাফিজ আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের ১৬তম দিনের বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকের শুরুতেই স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গত ২১ থেকে ২৬ জুন পর্যন্ত অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া ও চীন সফরের ওপর একটি ধন্যবাদ প্রস্তাব উত্থাপন করেন।

এই ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী তার বক্তব্য তুলে ধরেন। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে ঐকমত্য প্রকাশ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি গুণগত ও সাংস্কৃতিক পরিবর্তনের প্রয়োজন ছিল, যা প্রধানমন্ত্রী শুরু করেছেন। বিদেশ যাওয়ার সময় বা দেশে ফেরার সময় বিমানবন্দরে হাজার হাজার লোকের সংবর্ধনা নেওয়ার যে রেওয়াজ ছিল, তিনি তা পরিহার করেছেন। এর মাধ্যমে তিনি আগামী দিনের বাংলাদেশের রাজনীতির জন্য একটি ইতিবাচক মানদণ্ড স্থাপন করলেন।

প্রধানমন্ত্রীর সফরের কূটনৈতিক দিক তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী জানান, এই ভ্রমণের মূল ভিত্তি ছিল পারস্পরিক শ্রদ্ধা, পারস্পরিক স্বার্থ, অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং নিজস্ব কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন। তিনি উল্লেখ করেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান প্রত্যেকটি দেশের সঙ্গে সম্পর্কের যে মানদণ্ড ও বহুমাত্রিক পররাষ্ট্রনীতি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, প্রধানমন্ত্রী তার এই সফরের মাধ্যমে সেই ধারাকেই অব্যাহত রেখেছেন। দেশের ও জনগণের স্বার্থ রক্ষায় সরকার কোনো জায়গাতেই আপস করবে না।

সফরের অর্থনৈতিক গুরুত্ব ও সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, মালয়েশিয়াতে বাংলাদেশের শ্রমবাজারের একটি বড় স্বার্থ রয়েছে। এছাড়া দেশটির সঙ্গে জ্বালানি, বাণিজ্য এবং বিনিয়োগের ক্ষেত্রেও আমাদের গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান। অন্যদিকে, চীন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্য অংশীদার। চীনের সঙ্গে বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি বিশাল বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনতে কীভাবে দেশটিতে বাংলাদেশের রপ্তানি আরও বাড়ানো যায়, সফরে সেই বিষয়েও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এই সফর শুধু আগামীর বাংলাদেশের রাজনীতিতেই নয়, বরং আন্তর্জাতিক বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক কেমন হবে, তার একটি স্পষ্ট মানদণ্ড স্থাপন করেছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মৌলভীবাজারের বড়লেখা সীমান্তবর্তী ডিমাই বাজারে কমিউনিটি পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত

প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া-চীন সফর পররাষ্ট্রনীতির মানদণ্ড নিশ্চিত করেছে

আপডেট সময় ০৬:২০:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমানের সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া এবং চীন সফর বাংলাদেশের নিজস্ব পররাষ্ট্রনীতির ওপর ভিত্তি করেই সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, এই সফরের মাধ্যমে অন্যান্য দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের মানদণ্ড নিশ্চিত করা হয়েছে।

শনিবার (২৭ জুন) সকাল ১১টায় স্পিকার হাফিজ আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের ১৬তম দিনের বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকের শুরুতেই স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গত ২১ থেকে ২৬ জুন পর্যন্ত অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া ও চীন সফরের ওপর একটি ধন্যবাদ প্রস্তাব উত্থাপন করেন।

এই ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী তার বক্তব্য তুলে ধরেন। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে ঐকমত্য প্রকাশ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি গুণগত ও সাংস্কৃতিক পরিবর্তনের প্রয়োজন ছিল, যা প্রধানমন্ত্রী শুরু করেছেন। বিদেশ যাওয়ার সময় বা দেশে ফেরার সময় বিমানবন্দরে হাজার হাজার লোকের সংবর্ধনা নেওয়ার যে রেওয়াজ ছিল, তিনি তা পরিহার করেছেন। এর মাধ্যমে তিনি আগামী দিনের বাংলাদেশের রাজনীতির জন্য একটি ইতিবাচক মানদণ্ড স্থাপন করলেন।

প্রধানমন্ত্রীর সফরের কূটনৈতিক দিক তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী জানান, এই ভ্রমণের মূল ভিত্তি ছিল পারস্পরিক শ্রদ্ধা, পারস্পরিক স্বার্থ, অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং নিজস্ব কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন। তিনি উল্লেখ করেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান প্রত্যেকটি দেশের সঙ্গে সম্পর্কের যে মানদণ্ড ও বহুমাত্রিক পররাষ্ট্রনীতি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, প্রধানমন্ত্রী তার এই সফরের মাধ্যমে সেই ধারাকেই অব্যাহত রেখেছেন। দেশের ও জনগণের স্বার্থ রক্ষায় সরকার কোনো জায়গাতেই আপস করবে না।

সফরের অর্থনৈতিক গুরুত্ব ও সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, মালয়েশিয়াতে বাংলাদেশের শ্রমবাজারের একটি বড় স্বার্থ রয়েছে। এছাড়া দেশটির সঙ্গে জ্বালানি, বাণিজ্য এবং বিনিয়োগের ক্ষেত্রেও আমাদের গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান। অন্যদিকে, চীন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্য অংশীদার। চীনের সঙ্গে বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি বিশাল বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনতে কীভাবে দেশটিতে বাংলাদেশের রপ্তানি আরও বাড়ানো যায়, সফরে সেই বিষয়েও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এই সফর শুধু আগামীর বাংলাদেশের রাজনীতিতেই নয়, বরং আন্তর্জাতিক বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক কেমন হবে, তার একটি স্পষ্ট মানদণ্ড স্থাপন করেছে।