লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলায় কিশোর লিয়াকত আলী লাদেন (১৪) হ/ত্যা মামলার প্রধান আসামি রকি (১৮) ও তার বাবা জুয়েল আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।
গত ৮ জুন রাতে উপজেলার সারপুকুর ইউনিয়নের বালাটারী এলাকায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সং/ঘ/র্ষের একপর্যায়ে ছুরিকাঘাতে নি/হ/ত হন লাদেন। তিনি ওই এলাকার আশরাফ আলীর ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন রাতে লাদেনের সঙ্গে একই ইউনিয়নের দাসপাড়া এলাকার জুয়েলের ছেলে রকির কথা কাটাকাটি ও বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে রকি তার কাছে থাকা ধারালো ছু/রি দিয়ে লাদেনকে এলোপাতাড়ি আ/ঘা/ত করলে তিনি গু/রু?তর আ/হ/ত হন।
স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃ/ত ঘোষণা করেন। ঘটনার পরপরই রকি পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় নি/হ/তের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে আদিতমারী থানায় হত্যা মা/ম/লা দায়ের করা হয়। ঘটনার পর থেকেই এলাকাজুড়ে উত্তেজনা ও থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
এদিকে কিশোর লাদেন হ/ত্যা/র বিচার দাবিতে সম্প্রতি উপজেলার সাপ্টিবাড়ী এলাকায় বি/ক্ষো/ভ ও সড়ক অ/ব/রোধ কর্মসূচি পালন করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। আন্দোলনকারীরা দ্রুত আসামিদের গ্রে/প্তা/র এবং দৃষ্টান্তমূলক শা/স্তি/র দাবি জানান। পরে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দো/ষী/দের আইনের আওতায় এনে বি/চা/রের আশ্বাস দেওয়া হলে অ/ব/রো/ধ প্রত্যাহার করে নেন বি/ক্ষো/ভকারীরা।
এরই ধারাবাহিকতায় মামলার প্রধান আসামি রকি ও তার বাবা জুয়েল আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।
মোঃ মিজানুর রহমান লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি 




















