ঢাকা ১০:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.৫৯ বিলিয়ন ডলার ছাত্রদলের পরিণতি ছাত্রলীগের চেয়েও খারাপ হবে : সারজিস আলম যাদের কমিশনার হওয়ার যোগ্যতা ছিল না, তারা উপদেষ্টা হয়েছিল : পার্থ ভারতে যাওয়ার সময় কৃষক লীগ নেতা গ্রেপ্তার হাসিনা কোনো বক্তব্য দিলে দায় নেবে না ভারত: রণধীর জয়সওয়াল আগামী প্রজন্মের স্বার্থেই সংবিধান সংশোধন করা হবে : চিফ হুইপ জনগণ পরিবর্তন চেয়েছে বলেই জুলাই আন্দোলন সফল : প্রধানমন্ত্রী ‘তৃতীয় ভাষা শিক্ষায় চীনা ভাষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে’ জুলাই চেতনায় গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক ও বৈষম্যহীন দেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির স্বামীর বন্ধুর সঙ্গে ২৮ দিনের সন্তান নিয়ে উধাও গৃহবধূ

বড় বিনিয়োগের পরিকল্পনা, বাংলাদেশে আলফামার্টের লক্ষ্য ৫ হাজার আউটলেট

বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার বিনিয়োগ সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হচ্ছে। রিটেইল, কৃষি ও জ্বালানি খাতে ইন্দোনেশিয়ার বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়ছে। দুই দেশের মধ্যে বিনিয়োগ সহযোগিতা আরও বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েও আলোচনা চলছে।

এরই অংশ হিসেবে সোমবার বিডা কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত লিস্টিয়াওয়াতি বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীর সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং সম্ভাবনাময় খাতগুলোতে যৌথ সহযোগিতার বাস্তব উপায় নিয়ে আলোচনা হয়।

রাষ্ট্রদূত লিস্টিয়াওয়াতি বলেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অর্থনৈতিক উন্নয়নকে এগিয়ে নিতে ইন্দোনেশিয়া আগ্রহী। তিনি বাংলাদেশে ইন্দোনেশীয় বিনিয়োগকারীদের বাড়তে থাকা আস্থার কথাও তুলে ধরেন।

এই আস্থার অন্যতম উদাহরণ ইন্দোনেশিয়ার বড় খুচরা বিক্রয় চেইন আলফামার্টের বাংলাদেশে প্রবেশ। প্রতিষ্ঠানটি ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ দেশে ৫০টি আউটলেট চালুর পরিকল্পনা করেছে। দীর্ঘমেয়াদে আগামী ৫ থেকে ১০ বছরে পাঁচ হাজারের বেশি আউটলেটে সম্প্রসারণের লক্ষ্য রয়েছে।

বৈঠকে কৃষি ও জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ সম্ভাবনাও গুরুত্ব পায়। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এসব খাতে ইন্দোনেশিয়ার বিনিয়োগ ও অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করতে পারে।

এদিকে বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী বিনিয়োগ উন্নয়ন সংস্থাগুলোর যৌথ ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনার অগ্রাধিকার তুলে ধরেন। বিশেষ করে সরকারি অব্যবহৃত সম্পদকে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) মডেলে ব্যবহারের ক্ষেত্রে ইন্দোনেশিয়ার অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জন্য কার্যকর হতে পারে বলে তিনি জানান।

সংশ্লিষ্টদের মতে, নতুন এই বিনিয়োগ উদ্যোগ দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে এবং কর্মসংস্থান ও ব্যবসা সম্প্রসারণে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.৫৯ বিলিয়ন ডলার

বড় বিনিয়োগের পরিকল্পনা, বাংলাদেশে আলফামার্টের লক্ষ্য ৫ হাজার আউটলেট

আপডেট সময় ১১:৪৪:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার বিনিয়োগ সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হচ্ছে। রিটেইল, কৃষি ও জ্বালানি খাতে ইন্দোনেশিয়ার বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়ছে। দুই দেশের মধ্যে বিনিয়োগ সহযোগিতা আরও বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েও আলোচনা চলছে।

এরই অংশ হিসেবে সোমবার বিডা কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত লিস্টিয়াওয়াতি বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীর সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং সম্ভাবনাময় খাতগুলোতে যৌথ সহযোগিতার বাস্তব উপায় নিয়ে আলোচনা হয়।

রাষ্ট্রদূত লিস্টিয়াওয়াতি বলেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অর্থনৈতিক উন্নয়নকে এগিয়ে নিতে ইন্দোনেশিয়া আগ্রহী। তিনি বাংলাদেশে ইন্দোনেশীয় বিনিয়োগকারীদের বাড়তে থাকা আস্থার কথাও তুলে ধরেন।

এই আস্থার অন্যতম উদাহরণ ইন্দোনেশিয়ার বড় খুচরা বিক্রয় চেইন আলফামার্টের বাংলাদেশে প্রবেশ। প্রতিষ্ঠানটি ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ দেশে ৫০টি আউটলেট চালুর পরিকল্পনা করেছে। দীর্ঘমেয়াদে আগামী ৫ থেকে ১০ বছরে পাঁচ হাজারের বেশি আউটলেটে সম্প্রসারণের লক্ষ্য রয়েছে।

বৈঠকে কৃষি ও জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ সম্ভাবনাও গুরুত্ব পায়। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এসব খাতে ইন্দোনেশিয়ার বিনিয়োগ ও অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করতে পারে।

এদিকে বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী বিনিয়োগ উন্নয়ন সংস্থাগুলোর যৌথ ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনার অগ্রাধিকার তুলে ধরেন। বিশেষ করে সরকারি অব্যবহৃত সম্পদকে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) মডেলে ব্যবহারের ক্ষেত্রে ইন্দোনেশিয়ার অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জন্য কার্যকর হতে পারে বলে তিনি জানান।

সংশ্লিষ্টদের মতে, নতুন এই বিনিয়োগ উদ্যোগ দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে এবং কর্মসংস্থান ও ব্যবসা সম্প্রসারণে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে।