সংবাদ শিরোনাম ::
তিন মামলায় জামিন পেলেন কণ্ঠশিল্পী মমতাজ পরিপূর্ণ সুস্থতার দিকে মির্জা আব্বাস, চলছে পায়ের থেরাপি অর্থবিল-২০২৬ জাতীয় সংসদে পাস দাদির ভিডিও বার্তা দেখে কাঁদলেন ভিনিসিয়ুস গঙ্গাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে জসীমউদ্দীন বাবুলের পথচলায় দোয়া ও সমর্থন–জনগণের সেবায় সফলতা কামনা লক্ষ্মীপুরের সেরা ১০ উচ্চ বিদ্যালয়ের তালিকা প্রকাশ: শীর্ষে প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগে ভয়ংকর জালিয়াতির অভিযোগ ভোলাহাটে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি ২০২৬ শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত!  নবাগত শিশুকে স্বাগত জানিয়ে গাছ লাগাতে হবে : প্রধানমন্ত্রী ফরিদপুরে নিখোঁজের তিনদিন পর কাশবন থেকে ৯ বছরের শিশুর মরদেহ উদ্ধার, আটক ৫

গ্রাম পুলিশে নারী সদস্য নিয়োগ করা হবে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

গ্রাম আদালতের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা শক্তিশালী করতে গ্রাম পুলিশে নারী সদস্য নিয়োগ করা হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সোমবার (১১ মে) সচিবালয়ে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) প্রতিনিধিদলের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে মন্ত্রী এ কথা বলেন। এতে ইউএনডিপির ডেপুটি রেসিডেন্ট রিপ্রেজেনটেটিভ সোনালি দায়ারত্নে সহ চার সদস্যের প্রতিনিধিদল অংশ নেন।

মন্ত্রী বলেন, গ্রাম পর্যায়ে ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণ, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করা, নারীর অংশগ্রহণ বাড়ানো এবং গ্রাম আদালতের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা শক্তিশালী করতে গ্রাম পুলিশে নারী সদস্য নিয়োগ করা হবে।

নারী গ্রাম পুলিশ নিয়োগ স্থানীয় সরকারকে আরও জনবান্ধব করবে বলেও জানান তিনি।

এ সময় গ্রাম আদালত প্রকল্পের বর্তমান কার্যক্রম, অগ্রগতি ও এর প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়ানোর বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। বৈঠকে গ্রামীণ জনগণের জন্য সহজ, দ্রুত ও কম খরচে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে গ্রাম আদালতের ভূমিকা আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

মন্ত্রী বলেন, গ্রাম আদালত এ অঞ্চলে শতবর্ষ ধরে গ্রামীণ বিরোধ নিষ্পত্তিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। স্থানীয় পর্যায়ে ছোটখাটো বিরোধ দ্রুত নিষ্পত্তি হলে আদালতের ওপর চাপ কমবে এবং সাধারণ মানুষও সহজে ন্যায়বিচার পাবে।

বৈঠকে মন্ত্রী স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় নারীর অংশগ্রহণ বাড়ানোর বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন। নারী গ্রাম পুলিশ সদস্যরা নারী ও শিশু সংক্রান্ত বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন ও সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রম বাস্তবায়নে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বাড়ানো প্রয়োজন। এক্ষেত্রে উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাগুলোর কারিগরি ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

গ্রাম আদালতের কার্যকারিতা বৃদ্ধি, স্থানীয় পর্যায়ে ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণ এবং নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশ সরকার ও ইউএনডিপির মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়ে উভয়পক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করে।

এ সময় স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসানসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তিন মামলায় জামিন পেলেন কণ্ঠশিল্পী মমতাজ

গ্রাম পুলিশে নারী সদস্য নিয়োগ করা হবে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

আপডেট সময় ০৯:৪৭:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

গ্রাম আদালতের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা শক্তিশালী করতে গ্রাম পুলিশে নারী সদস্য নিয়োগ করা হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সোমবার (১১ মে) সচিবালয়ে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) প্রতিনিধিদলের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে মন্ত্রী এ কথা বলেন। এতে ইউএনডিপির ডেপুটি রেসিডেন্ট রিপ্রেজেনটেটিভ সোনালি দায়ারত্নে সহ চার সদস্যের প্রতিনিধিদল অংশ নেন।

মন্ত্রী বলেন, গ্রাম পর্যায়ে ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণ, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করা, নারীর অংশগ্রহণ বাড়ানো এবং গ্রাম আদালতের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা শক্তিশালী করতে গ্রাম পুলিশে নারী সদস্য নিয়োগ করা হবে।

নারী গ্রাম পুলিশ নিয়োগ স্থানীয় সরকারকে আরও জনবান্ধব করবে বলেও জানান তিনি।

এ সময় গ্রাম আদালত প্রকল্পের বর্তমান কার্যক্রম, অগ্রগতি ও এর প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়ানোর বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। বৈঠকে গ্রামীণ জনগণের জন্য সহজ, দ্রুত ও কম খরচে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে গ্রাম আদালতের ভূমিকা আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

মন্ত্রী বলেন, গ্রাম আদালত এ অঞ্চলে শতবর্ষ ধরে গ্রামীণ বিরোধ নিষ্পত্তিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। স্থানীয় পর্যায়ে ছোটখাটো বিরোধ দ্রুত নিষ্পত্তি হলে আদালতের ওপর চাপ কমবে এবং সাধারণ মানুষও সহজে ন্যায়বিচার পাবে।

বৈঠকে মন্ত্রী স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় নারীর অংশগ্রহণ বাড়ানোর বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন। নারী গ্রাম পুলিশ সদস্যরা নারী ও শিশু সংক্রান্ত বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন ও সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রম বাস্তবায়নে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বাড়ানো প্রয়োজন। এক্ষেত্রে উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাগুলোর কারিগরি ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

গ্রাম আদালতের কার্যকারিতা বৃদ্ধি, স্থানীয় পর্যায়ে ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণ এবং নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশ সরকার ও ইউএনডিপির মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়ে উভয়পক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করে।

এ সময় স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসানসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।