সংবাদ শিরোনাম ::
আয়াতুল্লাহ খামেনির জানাজা অনুষ্ঠিত, শেষ বিদায়ে মানুষের ঢল জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ উপলক্ষে স্মারক ডাক টিকেট উদ্বোধন করদাতাদের সতর্ক করে এনবিআরের ৪ নির্দেশনা ভেনেজুয়েলায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত ৩ হাজার ছুঁইছুঁই বিশ্বকাপে শক্তির নতুন হিসাব, সবার ওপরে ফ্রান্স, পিছিয়ে আর্জেন্টিনা: ব্রাজিল কোথায়? ভয়াবহ দাবানল ছড়িয়ে পড়ছে ফ্রান্সে সেনাবাহিনীর সুনাম আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সুবিদিত : রাষ্ট্রপতি দৈনিক আমাদের মাতৃভূমির স্টাফ রিপোর্টার প্রিয়া চৌধুরীকে অব্যাহতি শহীদ সন্তানের মায়ের হৃদয়বিদারক স্মৃতিচারণে অশ্রুসিক্ত চীফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি শনিবারকে ছুটির দিন ভেবে পরীক্ষা মিস শাহনাজের, পরে গিয়েও মিলল না প্রবেশের অনুমতি

কোন নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে অনিয়মকেই নিয়মে পরিনত করছেন মাদারীপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসার

কোন নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে অনিয়মকেই নিয়মে পরিনত করে মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও বিভিন্ন বরাদ্দের টাকা নিজ একাউন্টে রেখে প্রধান শিক্ষকদের হয়রানি, বদলি বানিজ্যেসহ বিভিন্ন অনিয়মে লিপ্ত রয়েছেন রমাদারীপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসার শরীফ মুহাম্মদ ইমারত।

তার অনিয়ম গুলো হলো
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্বে মাদারীপুরে ৩৯ টি নির্বাচন কেন্দ্র মেরামতের জন্য ১ কোটির ও অধিক টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয় যা ১০ মার্চের মধ্যে পরিশোধ করে প্রতিবেদন দাখিলেরও নির্দেশ রয়েছে। কিন্তু বড়ই পরিতাপের বিষয় তিনি টাকা গুলো প্রধান শিক্ষকদের পরিশোধ না করে নিজের একাউন্টেই রেখে প্রধান শিক্ষকদের বিল পাশের জন্য প্রধান শিক্ষকদের কাছ থেকে উল্টো ঘুষ চাচ্ছেন। চাকুরির ভয়ে প্রধান শিক্ষকরা মুখ খুলছেননা।

এছাড়াও ব্রড-ব্যান্ড/ ওয়াইফাই বাবদ প্রতিমাসে ১০০০/টাকা করে প্রধান শিক্ষকদের এ্যাকাউন্টে দেয়ার কথা থাকলেও সেই টাকাও তার একাউন্টেই রেখেছেন। বিল দিচ্ছেন না প্রধান শিক্ষকদের।

যদিও রাজৈর,কালকিনি,ডাসার এবং শিবচরে সমস্ত বিল প্রধান শিক্ষকদের একাউন্ট ইতিমধ্যে দেওয়া হয়েছে।

শুধু তাই নয়, মাদারীপুর সদর উপজেলার উপজেলা শিক্ষা অফিসার হিসাবে যোগদানের পর থেকেই তার বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ লেগেই আছে যার মধ্যে ১৮৭ নং দক্ষিণ পূর্ব মহিষেরচর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সাবিনা ইয়াসমিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়। ফলে সাবেক জেলা শিক্ষা অফিসার তাপস কুমার পাল সাবিনা ইয়াসমিনকে দক্ষিণ পূর্ব মহিষেরচর থেকে পূর্বরাস্তি সঃপ্রাবি এ প্রশাসনিক বদলি করেন। বদলি নীতিমালায় বলা আছে,একজন ব্যক্তি প্রশাসনিক বদলি হলে ২ বছরের মধ্যে অন্যত্র বদলি হতে পারবে না। কিন্তু বর্তমান উপজেলা শিক্ষা অফিসার কোন নীতিমালার তোয়াক্কা না করে বদলি বানিজ্য করে তাকে পূর্বের স্কুলেই পুনরায় পাঠিয়ে দেন যা নিয়ে জনমনে অসন্তোষ বিরাজ করছে।

এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসার শরীফ মুহাম্মদ ইমারত হোসেন বলেন বিল তৈরি করতে একটু সময় লাগছে। ওয়াইফাই বিল প্রসঙ্গে তিনি বলেন এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষকরা এখনো প্রতিবেদন জমা দেননি। অনৈকভাবে সহকারী শিক্ষিকাকে বদলির ব্যাপারে তিনি বলেন বিষয়টি আমার মনে নেই।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওয়াদিয়া সাবাব বলেন ওকে আমি বিষয়গুলো দেখবো।

এ বিষয়ে জেলা শিক্ষা অফিসার ফজলে এলাহি বলেন কেন্দ্র মেরামতের বিলতো নির্বাচনের আগেই দেওয়ার কথা এখনো দেয়নি কেন আমি তাকে বলবো। অন্যান্য বিষয় গুলো নিয়েও আমি তাকে অবশ্যই জিজ্ঞেস করবো।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আয়াতুল্লাহ খামেনির জানাজা অনুষ্ঠিত, শেষ বিদায়ে মানুষের ঢল

কোন নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে অনিয়মকেই নিয়মে পরিনত করছেন মাদারীপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসার

আপডেট সময় ০৯:৪১:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

কোন নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে অনিয়মকেই নিয়মে পরিনত করে মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও বিভিন্ন বরাদ্দের টাকা নিজ একাউন্টে রেখে প্রধান শিক্ষকদের হয়রানি, বদলি বানিজ্যেসহ বিভিন্ন অনিয়মে লিপ্ত রয়েছেন রমাদারীপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসার শরীফ মুহাম্মদ ইমারত।

তার অনিয়ম গুলো হলো
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্বে মাদারীপুরে ৩৯ টি নির্বাচন কেন্দ্র মেরামতের জন্য ১ কোটির ও অধিক টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয় যা ১০ মার্চের মধ্যে পরিশোধ করে প্রতিবেদন দাখিলেরও নির্দেশ রয়েছে। কিন্তু বড়ই পরিতাপের বিষয় তিনি টাকা গুলো প্রধান শিক্ষকদের পরিশোধ না করে নিজের একাউন্টেই রেখে প্রধান শিক্ষকদের বিল পাশের জন্য প্রধান শিক্ষকদের কাছ থেকে উল্টো ঘুষ চাচ্ছেন। চাকুরির ভয়ে প্রধান শিক্ষকরা মুখ খুলছেননা।

এছাড়াও ব্রড-ব্যান্ড/ ওয়াইফাই বাবদ প্রতিমাসে ১০০০/টাকা করে প্রধান শিক্ষকদের এ্যাকাউন্টে দেয়ার কথা থাকলেও সেই টাকাও তার একাউন্টেই রেখেছেন। বিল দিচ্ছেন না প্রধান শিক্ষকদের।

যদিও রাজৈর,কালকিনি,ডাসার এবং শিবচরে সমস্ত বিল প্রধান শিক্ষকদের একাউন্ট ইতিমধ্যে দেওয়া হয়েছে।

শুধু তাই নয়, মাদারীপুর সদর উপজেলার উপজেলা শিক্ষা অফিসার হিসাবে যোগদানের পর থেকেই তার বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ লেগেই আছে যার মধ্যে ১৮৭ নং দক্ষিণ পূর্ব মহিষেরচর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সাবিনা ইয়াসমিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়। ফলে সাবেক জেলা শিক্ষা অফিসার তাপস কুমার পাল সাবিনা ইয়াসমিনকে দক্ষিণ পূর্ব মহিষেরচর থেকে পূর্বরাস্তি সঃপ্রাবি এ প্রশাসনিক বদলি করেন। বদলি নীতিমালায় বলা আছে,একজন ব্যক্তি প্রশাসনিক বদলি হলে ২ বছরের মধ্যে অন্যত্র বদলি হতে পারবে না। কিন্তু বর্তমান উপজেলা শিক্ষা অফিসার কোন নীতিমালার তোয়াক্কা না করে বদলি বানিজ্য করে তাকে পূর্বের স্কুলেই পুনরায় পাঠিয়ে দেন যা নিয়ে জনমনে অসন্তোষ বিরাজ করছে।

এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসার শরীফ মুহাম্মদ ইমারত হোসেন বলেন বিল তৈরি করতে একটু সময় লাগছে। ওয়াইফাই বিল প্রসঙ্গে তিনি বলেন এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষকরা এখনো প্রতিবেদন জমা দেননি। অনৈকভাবে সহকারী শিক্ষিকাকে বদলির ব্যাপারে তিনি বলেন বিষয়টি আমার মনে নেই।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওয়াদিয়া সাবাব বলেন ওকে আমি বিষয়গুলো দেখবো।

এ বিষয়ে জেলা শিক্ষা অফিসার ফজলে এলাহি বলেন কেন্দ্র মেরামতের বিলতো নির্বাচনের আগেই দেওয়ার কথা এখনো দেয়নি কেন আমি তাকে বলবো। অন্যান্য বিষয় গুলো নিয়েও আমি তাকে অবশ্যই জিজ্ঞেস করবো।