যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর যৌথ বিমান হামলায় ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় খুজেস্তান প্রদেশের বন্দর ইমাম পেট্রোকেমিক্যাল কারখানা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শনিবার ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা মেহের নিউজের এক প্রতিবেদ ওই তথ্য জানানো হয়েছে।
খুজেস্তানের প্রাদেশিক গভর্নরের বরাত দিয়ে দেশটির আরেক সংবাদমাধ্যম ফারস নিউজ এজেন্সি বলেছে, ওই হামলায় ফজর-১ এবং ফজর-২ পেট্রোকেমিক্যাল কোম্পানিসহ আশপাশের কিছু স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। শিল্পাঞ্চলটিতে কয়েকটি শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
গত কয়েক সপ্তাহে ইরানের শিল্প ও উৎপাদনশীল খাতগুলোকে লক্ষ্য করে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার যে ধারা শুরু হয়েছে, এই হামলাকে তারই অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর আগে, গত কয়েক দিনে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ইস্পাত কারখানা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও একই ধরনের হামলা চালিয়েছে মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনী।
তবে এই সংকটের মধ্যেও ইরানের জ্বালানি পরিস্থিতি স্থিতিশীল রয়েছে বলে দাবি করেছেন দেশটির পার্লামেন্টের জ্বালানি কমিশনের চেয়ারম্যান মুসা আহমাদি। দেশটির সংবাদমাধ্যম ইসনা নিউজ এজেন্সিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, যুদ্ধের মধ্যেও ইরানের তেল রপ্তানি বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং যেকোনও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় কর্তৃপক্ষ পূর্ণ প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।
তিনি বলেন, অভ্যন্তরীণ বাজারে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে এবং এখন পর্যন্ত কোথাও কোনও ধরনের বিঘ্ন ঘটেনি। তবে শিল্পাঞ্চলগুলোতে ধারাবাহিক হামলার ফলে দীর্ঘমেয়াদে দেশটির উৎপাদন খাতে বড় ধরনের প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক 
























