সিডিউল অনুযায়ী সকাল সাড়ে ৬টায় রাজধানীর কমলাপুর রেল স্টেশনে পৌঁছানোর কথা রংপুর এক্সপ্রেস নামে ট্রেনটির। কিন্তু ইতোমধ্যে সাড়ে ৫ ঘণ্টা বিলম্ব হলেও ট্রেনটি ঢাকায় আসতে পারেনি। বেলা ১২টা নাগাদ এই ট্রেন ঢাকায় আসবে কিনা সে বিষয়ে নিশ্চিত নয় কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের সংশ্লিষ্টরা। ফলে প্রায় ৬ ঘণ্টার অধিক সময় বিলম্ব করছে এ ট্রেনটি।
রোববার (২৯ মার্চ) রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশন ঘুরে এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এমন চিত্র দেখা গেছে।
রংপুর এক্সপ্রেসের বিলম্বে একদিকে আজ পুরোদমে সরকারি-বেসরকারি অফিস চালু হওয়ায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অফিসে পৌঁছাতে পারছেন না ঢাকামুখী যাত্রীরা। অপরদিকে যারা ঢাকা ছাড়ছেন তারাও নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যে ফিরতে পারছেন না।
এদিকে রংপুর এক্সপ্রেস ছাড়াও বিলম্ব করেছে বুড়িমারী এক্সপ্রেসসহ বেশ কয়েকটি ট্রেন। তবে এসব ট্রেন ১৫ থেকে ৩০ মিনিট বিলম্ব করেছে। বেশকিছু ট্রেন আবার ঢাকায় প্রবেশ করেছে যথাসময়ে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শনিবার গার্মেন্টস ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান চালু হওয়ায় গতকালই ছিল সর্বোচ্চ যাত্রীর চাপ। আজ সরকারি-বেসরকারি সবকিছু পুরোদমে চালু হওয়ায় সেই চাপ তুলনামূলক অনেকটা কম।
জানা গেছে, আজ সকাল থেকে ঢাকায় এসেছে নীলসাগর এক্সপ্রেস, সুন্দরবন এক্সপ্রেস, বুড়িমারী এক্সপ্রেস, তিতাস এক্সপ্রেস, একতা এক্সপ্রেস, কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস। আর রংপুর এক্সপ্রেস এখনো পথিমধ্যে রয়েছে।
এদিকে আজ ঢাকা থেকে ছেড়ে যাবে রংপুর এক্সপ্রেস, একতা এক্সপ্রেস, কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস, জয়দেবপুর কমিউটার, জয়ন্তীকা এক্সপ্রেস, নকশিকাথা এক্সপ্রেস এবং অগ্নিবীনা এক্সপ্রেস। এছাড়া পর্যায়ক্রমে বেশ কয়েকটি ট্রেন ঢাকা ছাড়বে আজ।
ঢাকা থেকে রংপুর যাবেন সামান্তা হক। ঢাকা পোস্টের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, ট্রেন কখন আসবে আমরা জানি না। সেই কখন থেকে বসে আছি। ট্রেন আসার নাম নেই। মানুষের সময়ের মূল্য নেই।
ইদ্রিস আলী নামে আরেক যাত্রী বলেন, এক ট্রেনে যেতে যদি এত লম্বা সময় অপেক্ষা করতে হয় তাহলে তো বাসেই যাওয়া ভালো। ঘণ্টার পর ঘণ্টা বয়স্ক লোকজন কীভাবে অপেক্ষা করবে? সরকারের উচিত এদিকে খেয়াল করা।
এদিকে এ বিষয়ে জানতে কমলাপুর স্টেশনের ম্যানেজার সাজেদুল ইসলামের কক্ষে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি।
আমাদের মার্তৃভূমি ডেস্ক : 



















