ঢাকা ০৫:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আত্রাই নদীর দুই তীরে বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে দোল খাচ্ছে সবুজের সমারোহ

নওগাঁর আত্রাইয়ের ঐতিহ্যবাহী আত্রাই নদীর দুই তীরে গড়ে উঠেছে সবুজের সমারোহ। নদী মাত্রিক এলাকা হিসেবে নদীর দুই তীরে বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে দোল খাচ্ছে সবুজ পাতা।কোথাও ভুট্টা কোথাও আলু কোথাও বাদামসহ বিভিন্ন রবিশস্যে এখন দোলা খাচ্ছে কৃষকের স্বপ্ন।

উপজেলার ৮ ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত আত্রাই এ উপজেলা।উপজেলার ৮ ইউনিয়নের মধ্যে ৭ ইউনিয়নেরই বুক চিড়ে বয়ে গেছে আত্রাই নদী। বর্ষা মৌসুমে নদীতে পানি থৈ থৈ করলেও শুস্ক মৌসুমে নদীর চরসহ দুই কূলের বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে কৃষকরা ফসল উৎপাদন করে থাকে।

বিশেষ করে উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের শলিয়া, তাড়ানগর, বাউল্লাপাড়া, রায়পুর,শাহাগোলা ইউনিয়নের রসুলপুর, জাতোপাড়া, ভোঁপাড়া ইউনিয়নের সদুপুর, মহাদিঘী, কাশিয়াবাড়ি, ভরতেঁতুলিয়া, আহসাগঞ্জ ইউনিয়নের চৌরবাড়ি,বেওলা,কুমঘাট, পাঁচুপুর ইউনিয়নের মধুগুড়নই, পাঁচুপুর, মালিপুকুর, পারগুড়নই, গুড়নই, বিশা ইউনিয়নের বৈঠাখালী, উদয়পুর,খালপাড়া পারমোহনঘোষসহ বিভিন্ন গ্রামের হাজার হাজার কৃষক নদীর তীরে তাদের জমিতে আলু, ভুট্টা, বাদামসহ বিভিন্ন প্রকারের ফসল ও শাকসব্জি চাষ করেছেন।

এসব এলাকার নদীর দুই তীর এখন সবুজে ছেয়ে গেছে।বিশেষ করে আলু ভুট্টা ও বাদামের সবুজ গাছ কৃষকদের চোখে মুখে হাসির ঝিলিক ফুটিয়ে তুলেছে।

এদিকে এবারে আলুতে বেশ লভবান হওয়ার স্বপ্নে অধিক হারে আলু চাষ করেছেন এলাকার কৃষক।অনুকূল আবহাওয়া ও ভাল পরিচর্যায় এবার আলুর বাম্পার ফলন হবে বলে কৃষকরা মনে করছেন।

উপজেলার সদুপুর গ্রামের সিরাজুল ইসলাম বলেন, আমাদের মাঠে চৈতালী ফসল তেমন হয়না শুধু ধানের জন্যই আমাদের মাঠ বিখ্যাত।তবে নদীর তীরের জমিগুলোতে আলু ভুট্টা সরিষা ও বাদামের খুব ভাল ফলন হয়।এবারে আমি নদীর তীরে ৫ বিঘার অধিক জমিতে আলু চাষ করেছি।আলুর গাছ দেখে বাম্পার ফলন হবে বলে আশা করছি।

উপজেলা কৃষি অফিসার প্রসেনজিৎ কুমার তালুকদার বলেন, এ অঞ্চলের কৃষকরা যাতে রবিশস্য উৎপাদনে উৎসাহিত হন এ জন্য মাঠ পর্যায়ে আমাদের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাগণ নিরলসভাবে কৃষকদের পরামর্শ প্রদান করছেন।এবার বিপুল সংখ্যক কৃষকদের আমরা রবিশস্য উৎপাদনে কৃষি প্রণোদনা সহায়তা প্রদান করেছি।সেই সাথে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে স্বল্প খরচে ফসল উৎপাদনেও আমরা কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করছি।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আত্রাই নদীর দুই তীরে বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে দোল খাচ্ছে সবুজের সমারোহ

আপডেট সময় ০৭:০৫:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

নওগাঁর আত্রাইয়ের ঐতিহ্যবাহী আত্রাই নদীর দুই তীরে গড়ে উঠেছে সবুজের সমারোহ। নদী মাত্রিক এলাকা হিসেবে নদীর দুই তীরে বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে দোল খাচ্ছে সবুজ পাতা।কোথাও ভুট্টা কোথাও আলু কোথাও বাদামসহ বিভিন্ন রবিশস্যে এখন দোলা খাচ্ছে কৃষকের স্বপ্ন।

উপজেলার ৮ ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত আত্রাই এ উপজেলা।উপজেলার ৮ ইউনিয়নের মধ্যে ৭ ইউনিয়নেরই বুক চিড়ে বয়ে গেছে আত্রাই নদী। বর্ষা মৌসুমে নদীতে পানি থৈ থৈ করলেও শুস্ক মৌসুমে নদীর চরসহ দুই কূলের বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে কৃষকরা ফসল উৎপাদন করে থাকে।

বিশেষ করে উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের শলিয়া, তাড়ানগর, বাউল্লাপাড়া, রায়পুর,শাহাগোলা ইউনিয়নের রসুলপুর, জাতোপাড়া, ভোঁপাড়া ইউনিয়নের সদুপুর, মহাদিঘী, কাশিয়াবাড়ি, ভরতেঁতুলিয়া, আহসাগঞ্জ ইউনিয়নের চৌরবাড়ি,বেওলা,কুমঘাট, পাঁচুপুর ইউনিয়নের মধুগুড়নই, পাঁচুপুর, মালিপুকুর, পারগুড়নই, গুড়নই, বিশা ইউনিয়নের বৈঠাখালী, উদয়পুর,খালপাড়া পারমোহনঘোষসহ বিভিন্ন গ্রামের হাজার হাজার কৃষক নদীর তীরে তাদের জমিতে আলু, ভুট্টা, বাদামসহ বিভিন্ন প্রকারের ফসল ও শাকসব্জি চাষ করেছেন।

এসব এলাকার নদীর দুই তীর এখন সবুজে ছেয়ে গেছে।বিশেষ করে আলু ভুট্টা ও বাদামের সবুজ গাছ কৃষকদের চোখে মুখে হাসির ঝিলিক ফুটিয়ে তুলেছে।

এদিকে এবারে আলুতে বেশ লভবান হওয়ার স্বপ্নে অধিক হারে আলু চাষ করেছেন এলাকার কৃষক।অনুকূল আবহাওয়া ও ভাল পরিচর্যায় এবার আলুর বাম্পার ফলন হবে বলে কৃষকরা মনে করছেন।

উপজেলার সদুপুর গ্রামের সিরাজুল ইসলাম বলেন, আমাদের মাঠে চৈতালী ফসল তেমন হয়না শুধু ধানের জন্যই আমাদের মাঠ বিখ্যাত।তবে নদীর তীরের জমিগুলোতে আলু ভুট্টা সরিষা ও বাদামের খুব ভাল ফলন হয়।এবারে আমি নদীর তীরে ৫ বিঘার অধিক জমিতে আলু চাষ করেছি।আলুর গাছ দেখে বাম্পার ফলন হবে বলে আশা করছি।

উপজেলা কৃষি অফিসার প্রসেনজিৎ কুমার তালুকদার বলেন, এ অঞ্চলের কৃষকরা যাতে রবিশস্য উৎপাদনে উৎসাহিত হন এ জন্য মাঠ পর্যায়ে আমাদের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাগণ নিরলসভাবে কৃষকদের পরামর্শ প্রদান করছেন।এবার বিপুল সংখ্যক কৃষকদের আমরা রবিশস্য উৎপাদনে কৃষি প্রণোদনা সহায়তা প্রদান করেছি।সেই সাথে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে স্বল্প খরচে ফসল উৎপাদনেও আমরা কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করছি।