সংবাদ শিরোনাম ::
স্পেনের প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা, পাসপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ অর্থনৈতিক সংকট সমাধানে দুই বছর লাগবে: অর্থমন্ত্রী ইরানের সঙ্গে চুক্তি করায় ইসরায়েলের তোপের মুখে ট্রাম্প বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে সুইডেন রাষ্ট্রদূতের বৈঠক দুদকের মামলায় মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী চার দিনের রিমান্ড বিকেলে মালয়েশিয়ার উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী চলতি বছরের শেষে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল উদ্বোধন : বিমানমন্ত্রী জামিন পেলেন অগ্রযাত্রা প্রতিদিনের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক রেজানুর সেই ২০ জনকে আবারও পুশ-ইনের চেষ্টা, এবার লাঠি নিয়ে পাহারায় জনগণ নাফরিজা শ্যামার সিদ্ধান্তে কাজ ছাড়াই ১০০ কোটি টাকা উত্তোলন

ইরানে আজ কঠোর আঘাত হানা হবে : ট্রাম্প

ইরানে আজ কঠোর আঘাত হানা হবে বলে হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে ইরানের নতুন নতুন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছেন তিনি। শনিবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, ‌‌‘‘আজ ইরানে অত্যন্ত কঠোর আঘাত হানা হবে!’’

তিনি বলেন, ‘‘ইরানের অশোভন আচরণের কারণে এমন কিছু এলাকা ও জনগোষ্ঠীকে সম্পূর্ণ ধ্বংস এবং নিশ্চিত মৃত্যুর জন্য গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে; যা এই মুহূর্ত পর্যন্ত আমাদের লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় ছিল না।’’

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান শনিবার এক বক্তব্যে ‘‘তেহরান কখনো ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আত্মসমর্পণ করবে না’’ বলে মন্তব্য করার পরই ট্রাম্প ওই হুমকি দিয়েছেন।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এর জবাবে ইরানও ইসরায়েল এবং উপসাগরীয় অঞ্চলসহ বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে আসছে।

রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সম্প্রচারিত ভাষণে পেজেশকিয়ান ইরানের হামলার জন্য প্রতিবেশী উপসাগরীয় দেশগুলোর কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। তিনি বলেছেন, তেহরান প্রতিবেশীদের লক্ষ্যবস্তু করবে না; যদি তাদের ভূখণ্ড থেকে ইরানের ওপর কোনও হামলা না চালানো হয়।

ট্রুথ সোশ্যাল পোস্টে পেজেশকিয়ানের এই ক্ষমার বিষয়ে ট্রাম্প লিখেছেন, ইরান মধ্যপ্রাচ্যের প্রতিবেশীদের কাছে ‘ক্ষমা চেয়েছে এবং নতি স্বীকার করেছে’। ইরান প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, আর তাদের ওপর গুলি চালাবে না।

ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের নিরবচ্ছিন্ন হামলার কারণেই কেবল এই প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। ইরান এখন আর ‘মধ্যপ্রাচ্যের গুন্ডা’ নয়; বরং তারা এখন ‘মধ্যপ্রাচ্যের পরাজিত শক্তি’। তারা আত্মসমর্পণ না করা অথবা পুরোপুরি ধসে না পড়া পর্যন্ত আগামী বহু দশক এই অবস্থাতেই থাকবে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্পেনের প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা, পাসপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ

ইরানে আজ কঠোর আঘাত হানা হবে : ট্রাম্প

আপডেট সময় ০৭:৫৫:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

ইরানে আজ কঠোর আঘাত হানা হবে বলে হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে ইরানের নতুন নতুন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছেন তিনি। শনিবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, ‌‌‘‘আজ ইরানে অত্যন্ত কঠোর আঘাত হানা হবে!’’

তিনি বলেন, ‘‘ইরানের অশোভন আচরণের কারণে এমন কিছু এলাকা ও জনগোষ্ঠীকে সম্পূর্ণ ধ্বংস এবং নিশ্চিত মৃত্যুর জন্য গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে; যা এই মুহূর্ত পর্যন্ত আমাদের লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় ছিল না।’’

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান শনিবার এক বক্তব্যে ‘‘তেহরান কখনো ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আত্মসমর্পণ করবে না’’ বলে মন্তব্য করার পরই ট্রাম্প ওই হুমকি দিয়েছেন।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এর জবাবে ইরানও ইসরায়েল এবং উপসাগরীয় অঞ্চলসহ বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে আসছে।

রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সম্প্রচারিত ভাষণে পেজেশকিয়ান ইরানের হামলার জন্য প্রতিবেশী উপসাগরীয় দেশগুলোর কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। তিনি বলেছেন, তেহরান প্রতিবেশীদের লক্ষ্যবস্তু করবে না; যদি তাদের ভূখণ্ড থেকে ইরানের ওপর কোনও হামলা না চালানো হয়।

ট্রুথ সোশ্যাল পোস্টে পেজেশকিয়ানের এই ক্ষমার বিষয়ে ট্রাম্প লিখেছেন, ইরান মধ্যপ্রাচ্যের প্রতিবেশীদের কাছে ‘ক্ষমা চেয়েছে এবং নতি স্বীকার করেছে’। ইরান প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, আর তাদের ওপর গুলি চালাবে না।

ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের নিরবচ্ছিন্ন হামলার কারণেই কেবল এই প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। ইরান এখন আর ‘মধ্যপ্রাচ্যের গুন্ডা’ নয়; বরং তারা এখন ‘মধ্যপ্রাচ্যের পরাজিত শক্তি’। তারা আত্মসমর্পণ না করা অথবা পুরোপুরি ধসে না পড়া পর্যন্ত আগামী বহু দশক এই অবস্থাতেই থাকবে।