ঢাকা ০৭:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মাসিক বেতন ১০ হাজার, ৪ কোটির প্রাসাদে বসবাস কর্মচারীর! হত্যা মামলার আসামি ও সাময়িক বরখাস্ত মহিউদ্দীন ববি সংলগ্ন দপদপিয়া ব্রিজে বাস-মাহিন্দ্র সংঘর্ষে প্রাণহানি ১, আহত ৪ স্ত্রী পালিয়ে যাওয়ায় ৪০ লিটার দুধ দিয়ে গোসল করলেন স্বামী আমাদের নেতা মানবিক, কোনো বৈষম্য হবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিরোধী দল দুর্ভাগ্যবশত হাসিনার ভাষায় কথা বলছে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ভারতে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর রহস্যজনক মৃত্যু, হত্যার অভিযোগ পরিবারের সঞ্জিতের ধর্মান্তর, বিয়ে, ২০ লাখ টাকা ও পিতৃপরিচয়ের জটিলতা ও প্রতারণা সালমান শাহ হত্যা মামলা : খলনায়ক ডনকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন বালিয়াডাঙ্গীতে স্কুলের ৪৭ শতক জমি নিয়ে বিরোধ, উদ্ধারে মানববন্ধন

আশুগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মরত ডা.ফয়সল আল আহসান বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ

  • আশিকুর রহমান রনি
  • আপডেট সময় ০৭:০৩:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৬৪৬ বার পড়া হয়েছে

চিকিৎসকদের কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা বা ডিউটি ফাঁকি দেওয়া গুরুতর দায়িত্ব অবহেলা, যা তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত অপরাধ । এমন ই এক অভিযোগ উঠেছে আশুগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কনসালটেন্ট ডা.ফয়সল আল আহসানের বিরুদ্ধে। তিনি আশুগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়মিত চেম্বার করেন না, শুক্রবার ব্যতিত সপ্তাহে ছয় দিন চেম্বার করার কথা থাকলে তিনি এক দিনও চেম্বার করেন না তারপর ও তার হাজিরা খাতায় নাম উঠে।
জানা যায় সে মাঝে মাঝে মনে চাইলে সরকারি হাসপাতালে যায় নয়তো যায় না। মনগড়া মতো আসা যাওয়া করা যেটা সরকারি নিয়ম নীতে বৃদ্ধাঙ্গলী দেখানো।
ফলে সরকারি স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সাধারণ অসহায় রোগীরা। আবার প্রায় অনেক ক্ষেত্রে ই দেখা যায় চিকিৎসকরা হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করে প্রাইভেট ক্লিনিকে রোগী দেখেন, যা সাধারণ মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত করা।
সরেজমিনে খোজ নিতে গিয়ে আরো জানা যায়,ডাক্তার ফয়সল আল আহসান তার ক্ষমতার প্রভাবের বলে সরকারি ডিউটি ফাকি দিচ্ছেন। এবং প্রত্যেক রোগীদের সাথে অসাদাচরন করেন। আরো জানা যায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত যারা আছেন তারাও তার ভয়ে অপকর্মের কথা মুখ খুলেন বলেন না।
এই বিষয়ে জানতে ফয়সল আল আহসানের সাথে মুঠোফোনে কথা বললে তিনি সাংবাদিকের সাথে অসোভন আচরণ করেন।অপকর্মের কথা জানতে চাইলে তিনি হামলা মামলার ভয় দেখান।
আরো তার বিস্তর অভিযোগ রয়েছে যে তিনি বিগত সরকারের আমলে আওয়ামীলীগ প্রন্থী ডাক্তার দের সংগঠন স্বাচিপের নেতা ছিলেন। যার ফলে তার দ্বারা ফ্যাসিবাদের সময়ে অনেক মানুষ অত্যাচারীত হয়।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে আশুগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা.জলিল কায়সার খোকন তার দ্বায় এড়িয়ে যান।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা সিভিল সার্জন ডা.মোঃ নোমান মিয়া বলেন,বিষয়টি আমি খতিয়ে দেখে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।সরকারি ডিউটি ফাকি দেওয়া অন্যায়। সে অন্যায় কাজ করবে কেন।আমি বিষয় টা দেখছি একটু সময় দেন।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মাসিক বেতন ১০ হাজার, ৪ কোটির প্রাসাদে বসবাস কর্মচারীর!

আশুগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মরত ডা.ফয়সল আল আহসান বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ

আপডেট সময় ০৭:০৩:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

চিকিৎসকদের কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা বা ডিউটি ফাঁকি দেওয়া গুরুতর দায়িত্ব অবহেলা, যা তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত অপরাধ । এমন ই এক অভিযোগ উঠেছে আশুগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কনসালটেন্ট ডা.ফয়সল আল আহসানের বিরুদ্ধে। তিনি আশুগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়মিত চেম্বার করেন না, শুক্রবার ব্যতিত সপ্তাহে ছয় দিন চেম্বার করার কথা থাকলে তিনি এক দিনও চেম্বার করেন না তারপর ও তার হাজিরা খাতায় নাম উঠে।
জানা যায় সে মাঝে মাঝে মনে চাইলে সরকারি হাসপাতালে যায় নয়তো যায় না। মনগড়া মতো আসা যাওয়া করা যেটা সরকারি নিয়ম নীতে বৃদ্ধাঙ্গলী দেখানো।
ফলে সরকারি স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সাধারণ অসহায় রোগীরা। আবার প্রায় অনেক ক্ষেত্রে ই দেখা যায় চিকিৎসকরা হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করে প্রাইভেট ক্লিনিকে রোগী দেখেন, যা সাধারণ মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত করা।
সরেজমিনে খোজ নিতে গিয়ে আরো জানা যায়,ডাক্তার ফয়সল আল আহসান তার ক্ষমতার প্রভাবের বলে সরকারি ডিউটি ফাকি দিচ্ছেন। এবং প্রত্যেক রোগীদের সাথে অসাদাচরন করেন। আরো জানা যায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত যারা আছেন তারাও তার ভয়ে অপকর্মের কথা মুখ খুলেন বলেন না।
এই বিষয়ে জানতে ফয়সল আল আহসানের সাথে মুঠোফোনে কথা বললে তিনি সাংবাদিকের সাথে অসোভন আচরণ করেন।অপকর্মের কথা জানতে চাইলে তিনি হামলা মামলার ভয় দেখান।
আরো তার বিস্তর অভিযোগ রয়েছে যে তিনি বিগত সরকারের আমলে আওয়ামীলীগ প্রন্থী ডাক্তার দের সংগঠন স্বাচিপের নেতা ছিলেন। যার ফলে তার দ্বারা ফ্যাসিবাদের সময়ে অনেক মানুষ অত্যাচারীত হয়।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে আশুগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা.জলিল কায়সার খোকন তার দ্বায় এড়িয়ে যান।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা সিভিল সার্জন ডা.মোঃ নোমান মিয়া বলেন,বিষয়টি আমি খতিয়ে দেখে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।সরকারি ডিউটি ফাকি দেওয়া অন্যায়। সে অন্যায় কাজ করবে কেন।আমি বিষয় টা দেখছি একটু সময় দেন।