ঢাকা ১২:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
৫ প্লট, ৪ ফ্ল্যাট ও একাধিক বিলাসবহুল গাড়ি, প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার সম্পদের অভিযোগ প্রধানমন্ত্রীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি: কালুখালীর সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একযোগে বৃক্ষরোপণ বিদেশি মালিকানাধীন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নিয়ম তৃতীয় বিয়ে নিয়ে ‘মহাবিপদে’ আমির খান! খেলা শুরুর আগে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের দুই গ্রুপের মধ্যে তুমুল মারামারি, আটক ৩ সমগ্র উত্তরবঙ্গের ইয়াবার ডিলার শা আপেল কে নিয়ে নানান বিতর্কের গুণজন যৌন নিপীড়ন মামলায় ৫৬ লাখ ডলারের বেশি ক্ষতিপূরণ দিলেন ট্রাম্প শেখ হাসিনা ও ১০ শিল্প গ্রুপের ৭৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ জব্দ বাংলাদেশে বিয়ের ব্যাপারে নাগরিকদের সতর্ক করল চীন বিনা প্রেসক্রিপশনে অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি রোধে কঠোর অভিযান চলবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান নাহিদের

  • বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় ০৩:১২:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৬৩০ বার পড়া হয়েছে

এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করে বলেছেন, নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকেই সারাদেশে সন্ত্রাস, প্রতিহিংসা ও দখলদারিত্বের রাজনীতি শুরু হয়েছে— যা গভীরভাবে উদ্বেগজনক এবং গণতন্ত্রের জন্য সরাসরি হুমকি। ক্ষমতার উল্লাসে ভিন্ন মত ও প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তির ওপর হামলা চালিয়ে তারা প্রমাণ করছে— তাদের লক্ষ্য গণতান্ত্রিক সহাবস্থান নয়, ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি করা। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ অভিযোগ করেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে এগারো দলীয় জোটের নেতাকর্মী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের সমর্থকদের ওপর ধারাবাহিক হামলা হয়েছে। বহু মানুষ আহত হয়েছেন, প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে। এটি কোনো বিচ্ছিন্ন উচ্ছৃঙ্খলতা নয়; এটি সংগঠিত শক্তিপ্রদর্শন এবং রাজনৈতিক আধিপত্য কায়েমের অপচেষ্টা।

আমরা স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিতে চাই— নির্বাচনের পর সন্ত্রাস চালিয়ে মাঠ দখলের রাজনীতি সফল হবে না। জনগণের ম্যান্ডেটকে ঢাল বানিয়ে যারা গণভয় তৈরি করছে, তারা ইতিহাসের ভুল পাশে দাঁড়াচ্ছে। রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা দমন করে নয়, ন্যায়সংগত প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়েই টিকে থাকে।

প্রশাসনের প্রতি আমাদের সুস্পষ্ট দাবি— অবিলম্বে সব সহিংসতা বন্ধ করতে হবে, জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে হবে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। নীরবতা, গড়িমসি বা পক্ষপাত এই সংকটকে আরও গভীর করবে এবং রাষ্ট্রের নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ করবে।

চব্বিশ-পরবর্তী বাংলাদেশ আর ভীত-সন্ত্রস্ত নয়। নতুন করে সন্ত্রাস ও দখলদারিত্ব কায়েমের চেষ্টা হলে ছাত্র-জনতা ও সচেতন নাগরিক সমাজ গণতান্ত্রিক উপায়ে তার কঠোর জবাব দেবে। সহিংসতা বন্ধ হোক। দোষীদের গ্রেপ্তার করা হোক। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হোক। গণতন্ত্র ভয়ের নয়— জনগণের আস্থা ও অংশগ্রহণের ওপরই দাঁড়াক।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৫ প্লট, ৪ ফ্ল্যাট ও একাধিক বিলাসবহুল গাড়ি, প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার সম্পদের অভিযোগ

নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান নাহিদের

আপডেট সময় ০৩:১২:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করে বলেছেন, নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকেই সারাদেশে সন্ত্রাস, প্রতিহিংসা ও দখলদারিত্বের রাজনীতি শুরু হয়েছে— যা গভীরভাবে উদ্বেগজনক এবং গণতন্ত্রের জন্য সরাসরি হুমকি। ক্ষমতার উল্লাসে ভিন্ন মত ও প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তির ওপর হামলা চালিয়ে তারা প্রমাণ করছে— তাদের লক্ষ্য গণতান্ত্রিক সহাবস্থান নয়, ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি করা। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ অভিযোগ করেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে এগারো দলীয় জোটের নেতাকর্মী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের সমর্থকদের ওপর ধারাবাহিক হামলা হয়েছে। বহু মানুষ আহত হয়েছেন, প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে। এটি কোনো বিচ্ছিন্ন উচ্ছৃঙ্খলতা নয়; এটি সংগঠিত শক্তিপ্রদর্শন এবং রাজনৈতিক আধিপত্য কায়েমের অপচেষ্টা।

আমরা স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিতে চাই— নির্বাচনের পর সন্ত্রাস চালিয়ে মাঠ দখলের রাজনীতি সফল হবে না। জনগণের ম্যান্ডেটকে ঢাল বানিয়ে যারা গণভয় তৈরি করছে, তারা ইতিহাসের ভুল পাশে দাঁড়াচ্ছে। রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা দমন করে নয়, ন্যায়সংগত প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়েই টিকে থাকে।

প্রশাসনের প্রতি আমাদের সুস্পষ্ট দাবি— অবিলম্বে সব সহিংসতা বন্ধ করতে হবে, জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে হবে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। নীরবতা, গড়িমসি বা পক্ষপাত এই সংকটকে আরও গভীর করবে এবং রাষ্ট্রের নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ করবে।

চব্বিশ-পরবর্তী বাংলাদেশ আর ভীত-সন্ত্রস্ত নয়। নতুন করে সন্ত্রাস ও দখলদারিত্ব কায়েমের চেষ্টা হলে ছাত্র-জনতা ও সচেতন নাগরিক সমাজ গণতান্ত্রিক উপায়ে তার কঠোর জবাব দেবে। সহিংসতা বন্ধ হোক। দোষীদের গ্রেপ্তার করা হোক। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হোক। গণতন্ত্র ভয়ের নয়— জনগণের আস্থা ও অংশগ্রহণের ওপরই দাঁড়াক।