সংবাদ শিরোনাম ::

৬ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ফিলিপাইন

ফিলিপাইনে ৬ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার স্থানীয় সময় গভীর রাতে হয়েছে এ ভূমিকম্প। এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের ভূতত্ত্ব জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলীয় সুরিগাও দেল সুর প্রদেষের হিনাতুয়ান শহরের বাকুলিন গ্রামের ৬৮ কিলোমিটার পূর্বদিকে, ভূপৃষ্ঠের ১০ কিলোমিটার গভীরে।

এদিকে পৃথক এক বিবৃতিতে ফিলিপাইনের ভূতত্ত্ব গবেষণা সংস্থা ফিভোল্কস জানিয়েছে, ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ৪ এবং এটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের ২৩ কিলোমিটার গভীরে। পাশাপাশি জনগণের উদ্দেশে ভূমিকম্প পরবর্তী ‘আফটার শক’-এর সতর্কবার্তা দিয়েছে ফিভোল্কস।

ভূমিকম্পের জেরে হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির কোনো সংবাদ এখনও পাওয়া যায়নি। হিনাতুয়ান শহরের প্রধান পুলিশ কর্মকর্তা জোয়ে মোনোতো রয়টার্সকে বলেছেন, “এটা খুব শক্তিশালী ছিল না, তবে সাধারণ মানুষ খুব ভয় পেয়ে গিয়েছিল। অধিকাংশই মধ্যরাতে ঘুম ভেঙে সরাসরি সড়কে এসে পড়েছিল।” তবে এই ভূমিকম্পের জেরে সুনামির কোনো সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছে ইউএসজিএস এবং ফিভোল্কস।

ভৌগলিকভাবে প্রশান্ত মহাসাগরের ‘আগ্নেয় মেখলা’ বা ‘রিংস অব ফায়ার’ অঞ্চলের অপর অস্থানের কারণে ভূমিকম্প ফিলিপাইনের প্রায় নিয়মিত প্রাকৃতিক দুর্যোগ। বছরে কয়েকবার দেশটিতে মাঝারি ও বড় মাত্রার ভূমিকম্প হয়।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় ট্রাকের যন্ত্রাংশ জব্দ, আটক ১

৬ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ফিলিপাইন

আপডেট সময় ১২:১৭:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬

ফিলিপাইনে ৬ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার স্থানীয় সময় গভীর রাতে হয়েছে এ ভূমিকম্প। এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের ভূতত্ত্ব জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলীয় সুরিগাও দেল সুর প্রদেষের হিনাতুয়ান শহরের বাকুলিন গ্রামের ৬৮ কিলোমিটার পূর্বদিকে, ভূপৃষ্ঠের ১০ কিলোমিটার গভীরে।

এদিকে পৃথক এক বিবৃতিতে ফিলিপাইনের ভূতত্ত্ব গবেষণা সংস্থা ফিভোল্কস জানিয়েছে, ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ৪ এবং এটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের ২৩ কিলোমিটার গভীরে। পাশাপাশি জনগণের উদ্দেশে ভূমিকম্প পরবর্তী ‘আফটার শক’-এর সতর্কবার্তা দিয়েছে ফিভোল্কস।

ভূমিকম্পের জেরে হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির কোনো সংবাদ এখনও পাওয়া যায়নি। হিনাতুয়ান শহরের প্রধান পুলিশ কর্মকর্তা জোয়ে মোনোতো রয়টার্সকে বলেছেন, “এটা খুব শক্তিশালী ছিল না, তবে সাধারণ মানুষ খুব ভয় পেয়ে গিয়েছিল। অধিকাংশই মধ্যরাতে ঘুম ভেঙে সরাসরি সড়কে এসে পড়েছিল।” তবে এই ভূমিকম্পের জেরে সুনামির কোনো সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছে ইউএসজিএস এবং ফিভোল্কস।

ভৌগলিকভাবে প্রশান্ত মহাসাগরের ‘আগ্নেয় মেখলা’ বা ‘রিংস অব ফায়ার’ অঞ্চলের অপর অস্থানের কারণে ভূমিকম্প ফিলিপাইনের প্রায় নিয়মিত প্রাকৃতিক দুর্যোগ। বছরে কয়েকবার দেশটিতে মাঝারি ও বড় মাত্রার ভূমিকম্প হয়।