ঢাকা ১১:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে সম্মত ঢাকা-দিল্লি : পররাষ্ট্রমন্ত্রী শ্রীমঙ্গলে পুলিশের সঙ্গে হাসনাত-নাসীরুদ্দীনের ধাক্কাধাক্কি সংবাদেই মিলল বিমলার আশ্রয়ের আশা, সহায়তা নিয়ে হাজির প্রশাসন কালুখালীতে ট্রাক-প্রাইভেটকার সংঘর্ষে পাংশা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সহ ৬ জন আহত ব্রাহ্মণপাড়ায় নিখোঁজের পরদিন ডোবায় মিলল সাবেক মেম্বারের ছেলের লাশ, হত্যার অভিযোগ হোসেনপুরে ৩৬ জুলাই উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত  কোটালীপাড়ায় কৃষক কার্ড হালনাগাদ কাযক্রম পরিদর্শনে কৃষি বিভাগের উপপরিচালক রামগতিতে মাটির নিচে মিলল ৩টি মর্টারশেল, পুলিশি হেফাজতে পাঁচবিবির ইউএনও মহিলা এমপি আন্নাকে উপহার দিলেন গাছের চারা বদলি-বাণিজ্যের অভিযোগে আলোচনায় সাবেক বনমন্ত্রী ও তাঁর ছেলে

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাহমুদুল হাসানের জানাজায় মানুষের ঢল

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মেজর জেনারেল (অব.) মাহমুদুল হাসানের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) বিকেলে শহরের বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জানাজার আয়োজন করা হয়। জানাজা শেষে টাঙ্গাইল শহরের সন্তোষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

এ সময় মাহমুদুল হাসানের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম পিন্টু, আহমেদ আযম খান, বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী,সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির আহসান হাবীব মাসুদ, জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল, মাহমুদুল হাসানের ছেলে রাশেদ হাসানসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে গতকাল বুধবার বিকেলে ঢাকার গুলশানে তার নিজ বাসায় মাহমুদুল হাসান বার্ধক্যজনিত কারণে মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। মৃত্যুকালে তিনি এক ছেলে ও এক মেয়েসহ অনেক গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

জানা যায়, ১৯৩৬ সালের ১ মার্চ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মাকোরকোল গ্রামে তিনি এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। শিক্ষাজীবনে তিনি ১৯৫৬ সালে বিজ্ঞানে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৫৯ সালের ১৩ জুন তিনি পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কমিশনপ্রাপ্ত হয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং কোরে যোগদান করেন। কর্মজীবনে তিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন এবং ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধে কাশ্মীরের আখনুর সেক্টরে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। মাহমুদুল হাসান মেজর জেনারেল হিসেবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী থেকে অবসর গ্রহণ করেন।

মাহমুদুল হাসান প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন জাতীয় পার্টি থেকে ১৯৮৮ সালে। ১৯৯৬ ফেব্রুয়ারি ও ২০০১ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে। ২০১২ সালে জাতীয় পার্টির এমপি আবুল কাশেমের নির্বাচন বাতিল হওয়ার পর উপনির্বাচনে পুনরায় নির্বাচিত হন। ২০১৪ সালের নির্বাচনে বিএনপির দলীয় সিদ্ধান্তে অংশগ্রহণ করেন নাই। ডিসেম্বর ২০১৮ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ছানোয়ার হোসেনের কাছে পরাজিত হন।

এ ছাড়াও মাহমুদুল হাসান ১৯৮৯- ১৯৯০ পর্যন্ত জাতীয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের চেয়ারম্যান ছিলেন। ১৯৮৯ সালে টাঙ্গাইলে মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসান আদর্শ কলেজ প্রতিষ্ঠাতা করেন। ১৯৯৩ সালে মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসান নামে একটি মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা তিনি।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে সম্মত ঢাকা-দিল্লি : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাহমুদুল হাসানের জানাজায় মানুষের ঢল

আপডেট সময় ০৯:১৫:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মেজর জেনারেল (অব.) মাহমুদুল হাসানের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) বিকেলে শহরের বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জানাজার আয়োজন করা হয়। জানাজা শেষে টাঙ্গাইল শহরের সন্তোষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

এ সময় মাহমুদুল হাসানের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম পিন্টু, আহমেদ আযম খান, বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী,সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির আহসান হাবীব মাসুদ, জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল, মাহমুদুল হাসানের ছেলে রাশেদ হাসানসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে গতকাল বুধবার বিকেলে ঢাকার গুলশানে তার নিজ বাসায় মাহমুদুল হাসান বার্ধক্যজনিত কারণে মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। মৃত্যুকালে তিনি এক ছেলে ও এক মেয়েসহ অনেক গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

জানা যায়, ১৯৩৬ সালের ১ মার্চ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মাকোরকোল গ্রামে তিনি এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। শিক্ষাজীবনে তিনি ১৯৫৬ সালে বিজ্ঞানে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৫৯ সালের ১৩ জুন তিনি পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কমিশনপ্রাপ্ত হয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং কোরে যোগদান করেন। কর্মজীবনে তিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন এবং ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধে কাশ্মীরের আখনুর সেক্টরে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। মাহমুদুল হাসান মেজর জেনারেল হিসেবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী থেকে অবসর গ্রহণ করেন।

মাহমুদুল হাসান প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন জাতীয় পার্টি থেকে ১৯৮৮ সালে। ১৯৯৬ ফেব্রুয়ারি ও ২০০১ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে। ২০১২ সালে জাতীয় পার্টির এমপি আবুল কাশেমের নির্বাচন বাতিল হওয়ার পর উপনির্বাচনে পুনরায় নির্বাচিত হন। ২০১৪ সালের নির্বাচনে বিএনপির দলীয় সিদ্ধান্তে অংশগ্রহণ করেন নাই। ডিসেম্বর ২০১৮ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ছানোয়ার হোসেনের কাছে পরাজিত হন।

এ ছাড়াও মাহমুদুল হাসান ১৯৮৯- ১৯৯০ পর্যন্ত জাতীয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের চেয়ারম্যান ছিলেন। ১৯৮৯ সালে টাঙ্গাইলে মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসান আদর্শ কলেজ প্রতিষ্ঠাতা করেন। ১৯৯৩ সালে মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসান নামে একটি মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা তিনি।