ঢাকা ০৭:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে সম্মত ঢাকা-দিল্লি : পররাষ্ট্রমন্ত্রী শ্রীমঙ্গলে পুলিশের সঙ্গে হাসনাত-নাসীরুদ্দীনের ধাক্কাধাক্কি সংবাদেই মিলল বিমলার আশ্রয়ের আশা, সহায়তা নিয়ে হাজির প্রশাসন কালুখালীতে ট্রাক-প্রাইভেটকার সংঘর্ষে পাংশা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সহ ৬ জন আহত ব্রাহ্মণপাড়ায় নিখোঁজের পরদিন ডোবায় মিলল সাবেক মেম্বারের ছেলের লাশ, হত্যার অভিযোগ হোসেনপুরে ৩৬ জুলাই উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত  কোটালীপাড়ায় কৃষক কার্ড হালনাগাদ কাযক্রম পরিদর্শনে কৃষি বিভাগের উপপরিচালক রামগতিতে মাটির নিচে মিলল ৩টি মর্টারশেল, পুলিশি হেফাজতে পাঁচবিবির ইউএনও মহিলা এমপি আন্নাকে উপহার দিলেন গাছের চারা বদলি-বাণিজ্যের অভিযোগে আলোচনায় সাবেক বনমন্ত্রী ও তাঁর ছেলে

মুরাদনগরে সাংবাদিক মনির আমাদের মাঝে আর বেচে নেই

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার সাংবাদিক অঙ্গনের পরিচিত মুখ দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকার মুরাদনগর উপজেলা প্রতিনিধি মনির খান আর নেই। তিনি এলাকাবাসীর কাছে ‘ইনকিলাব মনির’ নামেই বেশি পরিচিত ছিলেন। সোমবার (২৯ ডিসেম্বর ) রাতে তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৪৫ বছর।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সোমবার সারাদিন তিনি উপজেলা পর্যায়ে রাজনৈতিক কার্যক্রম কভার করেন। ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার কর্মসূচি শেষ করে রাত আনুমানিক ১০টার দিকে তিনি নিজ বাসায় ফিরে আসেন। রাতের খাবার শেষে তিনি স্বাভাবিকভাবেই ঘুমাতে যান। তবে রাত আনুমানিক ২টার দিকে হঠাৎ করে তিনি বুকে তীব্র ব্যথা অনুভব করেন।
পরিস্থিতি বুঝতে পেরে তার স্বজনরা দ্রুত তাকে মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। চিকিৎসকদের ধারণা, তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন।
সাংবাদিক মনির খানের আকস্মিক মৃত্যুতে মুরাদনগর উপজেলায় নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। বিশেষ করে সাংবাদিক মহলে তার মৃত্যুতে শোক ও বেদনার আবহ বিরাজ করছে। সহকর্মী সাংবাদিকরা জানান, মনির খান ছিলেন অত্যন্ত সাহসী, সৎ ও নিষ্ঠাবান একজন সংবাদকর্মী। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ইনকিলাব পত্রিকায় দায়িত্বশীলতার সঙ্গে সংবাদ সংগ্রহ ও পরিবেশন করে আসছিলেন। উপজেলার বিভিন্ন সমস্যা, অনিয়ম ও জনদুর্ভোগের বিষয় তুলে ধরতে তিনি সবসময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন।
তার মৃত্যুতে স্থানীয় সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সামাজিক সংগঠন এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তারা শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।
মঙ্গলবার বাদ জোহর মুরাদনগর উপজেলার বড় মাদ্রাসা মাঠে মরহুমের জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় বিপুল সংখ্যক সাংবাদিক, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন। পরে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
তার মৃত্যুতে মুরাদনগরের সাংবাদিক অঙ্গনে এক অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হলো।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে সম্মত ঢাকা-দিল্লি : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

মুরাদনগরে সাংবাদিক মনির আমাদের মাঝে আর বেচে নেই

আপডেট সময় ০৪:১৩:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার সাংবাদিক অঙ্গনের পরিচিত মুখ দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকার মুরাদনগর উপজেলা প্রতিনিধি মনির খান আর নেই। তিনি এলাকাবাসীর কাছে ‘ইনকিলাব মনির’ নামেই বেশি পরিচিত ছিলেন। সোমবার (২৯ ডিসেম্বর ) রাতে তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৪৫ বছর।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সোমবার সারাদিন তিনি উপজেলা পর্যায়ে রাজনৈতিক কার্যক্রম কভার করেন। ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার কর্মসূচি শেষ করে রাত আনুমানিক ১০টার দিকে তিনি নিজ বাসায় ফিরে আসেন। রাতের খাবার শেষে তিনি স্বাভাবিকভাবেই ঘুমাতে যান। তবে রাত আনুমানিক ২টার দিকে হঠাৎ করে তিনি বুকে তীব্র ব্যথা অনুভব করেন।
পরিস্থিতি বুঝতে পেরে তার স্বজনরা দ্রুত তাকে মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। চিকিৎসকদের ধারণা, তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন।
সাংবাদিক মনির খানের আকস্মিক মৃত্যুতে মুরাদনগর উপজেলায় নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। বিশেষ করে সাংবাদিক মহলে তার মৃত্যুতে শোক ও বেদনার আবহ বিরাজ করছে। সহকর্মী সাংবাদিকরা জানান, মনির খান ছিলেন অত্যন্ত সাহসী, সৎ ও নিষ্ঠাবান একজন সংবাদকর্মী। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ইনকিলাব পত্রিকায় দায়িত্বশীলতার সঙ্গে সংবাদ সংগ্রহ ও পরিবেশন করে আসছিলেন। উপজেলার বিভিন্ন সমস্যা, অনিয়ম ও জনদুর্ভোগের বিষয় তুলে ধরতে তিনি সবসময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন।
তার মৃত্যুতে স্থানীয় সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সামাজিক সংগঠন এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তারা শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।
মঙ্গলবার বাদ জোহর মুরাদনগর উপজেলার বড় মাদ্রাসা মাঠে মরহুমের জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় বিপুল সংখ্যক সাংবাদিক, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন। পরে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
তার মৃত্যুতে মুরাদনগরের সাংবাদিক অঙ্গনে এক অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হলো।