ঢাকা ০৫:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কৃষিসহ বিভিন্ন খাতে যুক্তরাষ্ট্রকে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর আগামী বছর নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই খাল খনন কর্মসূচি শেষ হবে: কৃষিমন্ত্রী আগস্ট মাসে ঢাকা-কক্সবাজার রুটে আরও একজোড়া ট্রেন চালু ঘোষণা কারিগরি শিক্ষার ওপর সর্বোচ্চ জোর দিচ্ছে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী সুগার মিল সারা বছর উৎপাদনশীল করার চিন্তা সরকারের : রিজভী চীনের এআই জোটে যোগ দিচ্ছে বাংলাদেশ নাগরিক দুর্ভোগ দূর করতে কুমিল্লায় সুজনের মানববন্ধন সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষে শান্তির আহ্বান নেপালের প্রধানমন্ত্রীর ফ্যাসিবাদের ভয়াবহতার সাক্ষী ‘আয়নাঘরের’ দেয়াল : চিফ প্রসিকিউটর সংসদের চেয়ে রাজপথকে প্রাধান্য গণতন্ত্রের জন্য শুভ নয়: তথ্যমন্ত্রী

খুলনার বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক খন্দকার গোলাম মোস্তফা আর নেই

ছবি- সংগৃহীত

খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার সুগন্ধি গ্রামের কৃতী সন্তান, প্রবীণ শিক্ষাবিদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক আলহাজ্ব খন্দকার গোলাম মোস্তফা (৮২) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

তিনি দৌলতপুর (দিবা-নৈশ) কলেজের সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এবং এই অঞ্চলের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি এক পুত্র, অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, শিক্ষার্থী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বুধবার বাদ জোহর দৌলতপুর কলেজ প্রাঙ্গণে মরহুমের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে বাদ আসর তার জন্মস্থান দিঘলিয়ার সুগন্ধি গ্রামে দ্বিতীয় জানাজা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

বর্ণাঢ্য কর্মজীবনের অধিকারী অধ্যাপক খন্দকার গোলাম মোস্তফা শিক্ষা ও সমাজসেবায় অসামান্য অবদান রেখেছেন। তিনি দিঘলিয়ার ঐতিহ্যবাহী সরকারি সেনহাটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। শিক্ষানুরাগী এই ব্যক্তিত্ব সুগন্ধি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও সুগন্ধি আছিয়া খাতুন দাখিল মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি সুগন্ধি কেন্দ্রীয় মসজিদ ও পাবলা বড় মসজিদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছিলেন।

রাজনীতিতেও তার বিচরণ ছিল উল্লেখযোগ্য। তিনি স্বাধীনতা পূর্ব ও পরবর্তী সময়ে দৌলতপুর থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। সাহিত্যমনা এই গুণী ব্যক্তি ২০২১ সালে ‘মুক্তির উপায়’ নামে একটি বই রচনা করেন।

সৎ, পরোপকারী এবং ইসলামী মূল্যবোধে বিশ্বাসী এই শিক্ষাবিদের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা বলছেন, তার মৃত্যুতে এলাকাবাসী একজন অভিভাবকতুল্য আদর্শবান ব্যক্তিকে হারাল, যার শূন্যতা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কৃষিসহ বিভিন্ন খাতে যুক্তরাষ্ট্রকে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

খুলনার বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক খন্দকার গোলাম মোস্তফা আর নেই

আপডেট সময় ১১:১২:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫

খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার সুগন্ধি গ্রামের কৃতী সন্তান, প্রবীণ শিক্ষাবিদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক আলহাজ্ব খন্দকার গোলাম মোস্তফা (৮২) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

তিনি দৌলতপুর (দিবা-নৈশ) কলেজের সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এবং এই অঞ্চলের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি এক পুত্র, অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, শিক্ষার্থী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বুধবার বাদ জোহর দৌলতপুর কলেজ প্রাঙ্গণে মরহুমের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে বাদ আসর তার জন্মস্থান দিঘলিয়ার সুগন্ধি গ্রামে দ্বিতীয় জানাজা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

বর্ণাঢ্য কর্মজীবনের অধিকারী অধ্যাপক খন্দকার গোলাম মোস্তফা শিক্ষা ও সমাজসেবায় অসামান্য অবদান রেখেছেন। তিনি দিঘলিয়ার ঐতিহ্যবাহী সরকারি সেনহাটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। শিক্ষানুরাগী এই ব্যক্তিত্ব সুগন্ধি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও সুগন্ধি আছিয়া খাতুন দাখিল মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি সুগন্ধি কেন্দ্রীয় মসজিদ ও পাবলা বড় মসজিদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছিলেন।

রাজনীতিতেও তার বিচরণ ছিল উল্লেখযোগ্য। তিনি স্বাধীনতা পূর্ব ও পরবর্তী সময়ে দৌলতপুর থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। সাহিত্যমনা এই গুণী ব্যক্তি ২০২১ সালে ‘মুক্তির উপায়’ নামে একটি বই রচনা করেন।

সৎ, পরোপকারী এবং ইসলামী মূল্যবোধে বিশ্বাসী এই শিক্ষাবিদের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা বলছেন, তার মৃত্যুতে এলাকাবাসী একজন অভিভাবকতুল্য আদর্শবান ব্যক্তিকে হারাল, যার শূন্যতা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।