বাঁচার জন্য খাবার খাই-আর সেই খাবারই যদি হয় নীরব ঘাতক, তাহলে আমরা নিরাপদ কোথায়? বাঁচার জন্য খাই মরার জন্য নয়। রংপুর পীরগঞ্জের বহু হোটেল-রেস্তোরাঁয় বাসি খাবার, অপরিচ্ছন্ন রান্নাঘর, খোলা তেল, পুনব্যবহৃত তেল,খাবারের মূল্য তালিকা বিহীন ব্যবসা, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ—সবই যেন স্বাভাবিক ব্যাপার হয়ে গেছে ! এই সবই হচ্ছে মানুষের পাতে!
বাজারের দ্রব্যমূল্যের দামের চেয়েও কয়েক গুণ দাম নিচ্ছে এই হোটেল গুলোতে । যা চাঁদা ও দাদন ব্যবসায় চেয়েও ভয়ঙ্কর । খেয়ে দেয়ে নিরুপায় ভোজনরসিক গ্রাহকগণ আর কিছু বলতে না পারায় সুযোগ ব্যবহার করছে কতিপয় অসাধু হোটেল মালিকগণ। শীঘ্রই এদের প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া দরকার ।
প্রশ্ন হচ্ছে—ভোক্তা অধিকার কোথায়? প্রশাসনের নজর কি ঘুমিয়ে আছে?
অবিলম্বে পীরগঞ্জের সব হোটেল-রেস্তোরাঁয় জরুরি ভিত্তিতে ভোক্তা অধিকার অভিযানের জোর দাবি জানাচ্ছি। মানুষ মরবে, আর আমরা চুপ থাকব-এটা হতে পারে না।
খাবারের নামে মৃত্যুফাঁদ আর নয়! দামে ১৮ আনা মানে স্বাস্থ্যঝুঁকির কারখানা । এমনটা হতে দেয়া যায় না। জনস্বাস্থ্যের সঙ্গে ছিনিমিনি খেললে রেহাই নেই-এই বার্তাটা সময় থাকতেই এখনই দিতে হবে। নিরব ঘাতকের হাত থেকে মানুষ বাঁচাও!
দয়া নয়—আমরা আমাদের অধিকার চাই। নিরাপদ খাবার চাই। সুস্থতায় বেঁচে থাকার নিশ্চয়তা চাই । নীরব ঘাতকের হাত থেকে মানুষকে বাঁচাতে প্রশাসনসহ ভোক্তা অধিকারের এখনই কার্যকর পদক্ষেপের আহ্বান জানাচ্ছি।
তারিকুল ইসলাম তারিক পীরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি 






















