ঢাকা ১০:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পবিপ্রবি’র পিজিএস কমিটির ৭৩ তম সভা অনুষ্ঠিত প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে ‘৩% দুলাল’ খ্যাত আহসানুজ্জামানের দুর্নীতি বসুন্দিয়া ভূমি অফিস এখন ঘুষের অভায়রণ্য! টাকা না দিলে ফাইল গায়েব চার বছরেও থেমে আছে বিচার-ভোলায় নূরে আলমকে স্মরণে বিএনপি-ছাত্রদলের শ্রদ্ধা ও বিচার দাবি ভারত থেকে ২ হাজার ৯০০ টন কাঁচামরিচ আমদানির অনুমতি ববিসাস’র আয়োজনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান আলোকচিত্র প্রদর্শনী পাবনায় ‘মদ্যপ অবস্থায়’ ২ রাশিয়ান নাগরিকের মারামারি, নিহত ১ সব মোটরযানের জন্য সতর্কবার্তা আত্রাইয়ে ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ পালন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

জয়পুরহাট প্রেসক্লাবে সাংগঠনিক শক্তি ব্যবহার করে অর্থ আত্মসাৎ

জয়পুরহাট প্রেসক্লাবের বর্তমান নেতৃত্বের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ওএমএস ডিলারশিপ পাওয়ার উদ্দেশ্যে প্রেসক্লাবের একটি ঘর ডিড জালিয়াতির মাধ্যমে হস্তান্তর করেন তখনকার সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা। উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে, ৮ আগস্টের আগে মাসুদ রানা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন না, কিন্তু ডিডের নথিতে জুলাই মাসকে নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দেখানো হয়েছে। ওই সময় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন রতন খাঁ।

অন্যদিকে, প্রেসক্লাবের এক বছরের আয়-ব্যয় একই পরিমাণ দেখানো হয়, যা নিয়ে নির্বাহী কমিটির সদস্যরা সন্দেহ প্রকাশ করেন। এ কারণে চার সদস্যের একটি অডিট কমিটি গঠন করা হয়।

অডিট কমিটি গঠনের পর সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা ৫১ হাজার টাকা এবং কোষাধ্যক্ষ মুসা ১ লাখ ১৪ হাজার টাকা সংগঠনের তহবিলে ফেরত দেন। অর্থ ফেরত দেওয়ার মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের অপরাধের দায় স্বীকারের বিষয়টি স্পষ্ট হয় বলে অভিযোগকারীদের দাবি। মোট ১ লাখ ৬৬ হাজার টাকা সংগঠনে ফিরে আসে।

অভিযোগ করা হয়, এই অর্থ ফেরত আসত না যদি সংগঠনের প্রতিবাদী সদস্যরা সক্রিয় ভূমিকা না নিতেন। সাধারণ সদস্যরা বিষয়গুলো আমলে নেওয়ার জন্য দুই দফায় নির্বাহী কমিটির কাছে আবেদন করেন, কিন্তু প্রেসক্লাবের সভাপতি তা আমলে নেননি৷

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পবিপ্রবি’র পিজিএস কমিটির ৭৩ তম সভা অনুষ্ঠিত

জয়পুরহাট প্রেসক্লাবে সাংগঠনিক শক্তি ব্যবহার করে অর্থ আত্মসাৎ

আপডেট সময় ০৭:৪৯:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫

জয়পুরহাট প্রেসক্লাবের বর্তমান নেতৃত্বের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ওএমএস ডিলারশিপ পাওয়ার উদ্দেশ্যে প্রেসক্লাবের একটি ঘর ডিড জালিয়াতির মাধ্যমে হস্তান্তর করেন তখনকার সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা। উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে, ৮ আগস্টের আগে মাসুদ রানা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন না, কিন্তু ডিডের নথিতে জুলাই মাসকে নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দেখানো হয়েছে। ওই সময় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন রতন খাঁ।

অন্যদিকে, প্রেসক্লাবের এক বছরের আয়-ব্যয় একই পরিমাণ দেখানো হয়, যা নিয়ে নির্বাহী কমিটির সদস্যরা সন্দেহ প্রকাশ করেন। এ কারণে চার সদস্যের একটি অডিট কমিটি গঠন করা হয়।

অডিট কমিটি গঠনের পর সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা ৫১ হাজার টাকা এবং কোষাধ্যক্ষ মুসা ১ লাখ ১৪ হাজার টাকা সংগঠনের তহবিলে ফেরত দেন। অর্থ ফেরত দেওয়ার মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের অপরাধের দায় স্বীকারের বিষয়টি স্পষ্ট হয় বলে অভিযোগকারীদের দাবি। মোট ১ লাখ ৬৬ হাজার টাকা সংগঠনে ফিরে আসে।

অভিযোগ করা হয়, এই অর্থ ফেরত আসত না যদি সংগঠনের প্রতিবাদী সদস্যরা সক্রিয় ভূমিকা না নিতেন। সাধারণ সদস্যরা বিষয়গুলো আমলে নেওয়ার জন্য দুই দফায় নির্বাহী কমিটির কাছে আবেদন করেন, কিন্তু প্রেসক্লাবের সভাপতি তা আমলে নেননি৷