ঢাকা ১২:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চট্টগ্রামের ডিসি হতে ৬৯ কোটির দুর্নীতি, ফাঁস হলো উপসচিবের ‘সম্মতিপত্র’ হাছান মাহমুদ-নওফেলসহ ২২ জনের বিচারে সাক্ষ্য শুরু আজ জ্বালানি সংকট ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে ১১ দলীয় জোটের অবস্থান সরকারকে ব্যর্থ করতে দেশের বিরুদ্ধে একটি দল চক্রান্ত করছে : রিজভী বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.৫৯ বিলিয়ন ডলার ছাত্রদলের পরিণতি ছাত্রলীগের চেয়েও খারাপ হবে : সারজিস আলম যাদের কমিশনার হওয়ার যোগ্যতা ছিল না, তারা উপদেষ্টা হয়েছিল : পার্থ ভারতে যাওয়ার সময় কৃষক লীগ নেতা গ্রেপ্তার হাসিনা কোনো বক্তব্য দিলে দায় নেবে না ভারত: রণধীর জয়সওয়াল আগামী প্রজন্মের স্বার্থেই সংবিধান সংশোধন করা হবে : চিফ হুইপ

নেতার ছেলে যোগ্য শিক্ষক, এটা কি অপরাধ— প্রশ্ন রাশেদ খানের

নেতার ছেলে যোগ্য শিক্ষক হলেও কি অপরাধ— এমন প্রশ্ন তুলে গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান বলেছেন, আমাদের মনমানসিকতার পরিবর্তন না হলে এই দেশ ভালো মানুষের জন্য বসবাস অযোগ্য হয়ে পড়বে।

শনিবার নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা বলেন তিনি। মিথ্যাচার ও কারও চরিত্র হরন করা কোনো নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত নয় উল্লেখ করে পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (AIUB) এর সহকারী অধ্যাপক সাঈদ ইব্রাহিম আহমেদের একাডেমিক ক্যারিয়ার বেশ বর্ণাঢ্য। তিনি University of Toronto, University of Kent, Imperial College London থেকে স্কলারশিপে পড়াশোনা করেছেন।

২০১৯ সাল থেকে তিনি AIUB তে নিয়মিত শিক্ষকতা করছেন। প্রতিদিন নেন ক্লাস নেন, শিক্ষার্থীদের পড়ান ও নিজে পড়েন। মাঝেমধ্যে পত্রিকায় কলাম লেখেন।’
রাশেদ খান লিখেন, ‘আমার সঙ্গে অনেকবার তার কথা ও আলোচনা হয়েছে। সেই সুবাদে বন্ধুত্ব গড়ে উঠেছে। দেশ নিয়ে তার চিন্তা খুবই ইতিবাচক। বিশেষ করে শিক্ষাখাত, খেলাধুলা ও তরুণদের নিয়ে তিনি কাজ ও চিন্তা করেন। কিন্তু তার কি অপরাধ যে, সে একজন নেতার ছেলে? আমরা পরিবর্তনের রাজনীতির কথা বলি, কিন্তু নেতার ছেলে যোগ্য শিক্ষক সেটাও বুঝি অপরাধ? তিনি নেতার ছেলে হিসেবে মিডিয়া বা ফেসবুক গরম করে বেড়ান, তেমন লোক না!’

তিনি আরো লিখেন, ‘তিনি খুবই ভদ্র ও আন্তরিক একজন মানুষ।
তিনি কি তাহলে শিক্ষকতা ছেড়ে খারাপ কাজে লিপ্ত হলে খুশি হবে? মানে ফেসবুক এমন একটা জায়গা হয়ে পড়েছে, কোনো তথ্য উপাত্ত প্রমাণ ছাড়া যাকে নিয়ে যা খুশি লিখলাম, আর অন্ধ মুরিদরা সেগুলো বিশ্বাস করে প্রচার করবে! এই মিথ্যাচার ও কারও চরিত্র হরন করা কোন নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত নয়। হ্যাঁ, ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস স্যারের প্রতি অনেকের আকর্ষণ আছে। তিনি ৮৫ বছরের মানুষ। তার সঙ্গে স্মৃতি ধরে রাখাও গৌরবের বিষয়। ঠিক যেমন; ডাক্তার জাফরুল্লাহ চৌধুরীর সঙ্গে রয়েছে আমাদের স্মৃতি…. যাইহোক, আমাদের মনমানসিকতার পরিবর্তন না হলে এই দেশ ভালো মানুষের জন্য বসবাস অযোগ্য হয়ে পড়বে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামের ডিসি হতে ৬৯ কোটির দুর্নীতি, ফাঁস হলো উপসচিবের ‘সম্মতিপত্র’

নেতার ছেলে যোগ্য শিক্ষক, এটা কি অপরাধ— প্রশ্ন রাশেদ খানের

আপডেট সময় ১২:৩৯:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ নভেম্বর ২০২৫

নেতার ছেলে যোগ্য শিক্ষক হলেও কি অপরাধ— এমন প্রশ্ন তুলে গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান বলেছেন, আমাদের মনমানসিকতার পরিবর্তন না হলে এই দেশ ভালো মানুষের জন্য বসবাস অযোগ্য হয়ে পড়বে।

শনিবার নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা বলেন তিনি। মিথ্যাচার ও কারও চরিত্র হরন করা কোনো নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত নয় উল্লেখ করে পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (AIUB) এর সহকারী অধ্যাপক সাঈদ ইব্রাহিম আহমেদের একাডেমিক ক্যারিয়ার বেশ বর্ণাঢ্য। তিনি University of Toronto, University of Kent, Imperial College London থেকে স্কলারশিপে পড়াশোনা করেছেন।

২০১৯ সাল থেকে তিনি AIUB তে নিয়মিত শিক্ষকতা করছেন। প্রতিদিন নেন ক্লাস নেন, শিক্ষার্থীদের পড়ান ও নিজে পড়েন। মাঝেমধ্যে পত্রিকায় কলাম লেখেন।’
রাশেদ খান লিখেন, ‘আমার সঙ্গে অনেকবার তার কথা ও আলোচনা হয়েছে। সেই সুবাদে বন্ধুত্ব গড়ে উঠেছে। দেশ নিয়ে তার চিন্তা খুবই ইতিবাচক। বিশেষ করে শিক্ষাখাত, খেলাধুলা ও তরুণদের নিয়ে তিনি কাজ ও চিন্তা করেন। কিন্তু তার কি অপরাধ যে, সে একজন নেতার ছেলে? আমরা পরিবর্তনের রাজনীতির কথা বলি, কিন্তু নেতার ছেলে যোগ্য শিক্ষক সেটাও বুঝি অপরাধ? তিনি নেতার ছেলে হিসেবে মিডিয়া বা ফেসবুক গরম করে বেড়ান, তেমন লোক না!’

তিনি আরো লিখেন, ‘তিনি খুবই ভদ্র ও আন্তরিক একজন মানুষ।
তিনি কি তাহলে শিক্ষকতা ছেড়ে খারাপ কাজে লিপ্ত হলে খুশি হবে? মানে ফেসবুক এমন একটা জায়গা হয়ে পড়েছে, কোনো তথ্য উপাত্ত প্রমাণ ছাড়া যাকে নিয়ে যা খুশি লিখলাম, আর অন্ধ মুরিদরা সেগুলো বিশ্বাস করে প্রচার করবে! এই মিথ্যাচার ও কারও চরিত্র হরন করা কোন নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত নয়। হ্যাঁ, ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস স্যারের প্রতি অনেকের আকর্ষণ আছে। তিনি ৮৫ বছরের মানুষ। তার সঙ্গে স্মৃতি ধরে রাখাও গৌরবের বিষয়। ঠিক যেমন; ডাক্তার জাফরুল্লাহ চৌধুরীর সঙ্গে রয়েছে আমাদের স্মৃতি…. যাইহোক, আমাদের মনমানসিকতার পরিবর্তন না হলে এই দেশ ভালো মানুষের জন্য বসবাস অযোগ্য হয়ে পড়বে।