সংবাদ শিরোনাম ::
আইজিপির সঙ্গে জাতিসংঘ বাংলাদেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টার সাক্ষাৎ ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মামলা করলেন আইসিসির তিন বিচারক গণমাধ্যম খাতে সহযোগিতায় বাংলাদেশ-চীনের মধ্যে চারটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হোটেল রুমে স্বামী, পাকিস্তান নারী ক্রিকেট দলের ঘরে বিবাদ ১ টাকার দুর্নীতি বের করতে পারলে ইস্তফা দেবো: হাসনাত  আশুরা মানুষকে অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হতে শেখায় : রাষ্ট্রপতি তিস্তা মহাপরিকল্পনায় কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী চীন নরসিংদীতে কুকুরের গলায় ইট বেঁধে নদীতে নিক্ষেপ, যুবক আটক ভূমিকম্পে ধ্বংসস্তূপের নিচে জীবিত আটকা বহু, উদ্ধারে আসছেন না কেউ বরগুনায় সরকারি চাল আত্মসাতের অভিযোগে প্যানেল চেয়ারম্যান (ইউপি সদস্যের) বিরুদ্ধে মামলা

আজহারুল হকের নির্যাতনের শিকার শিক্ষক ও ছাত্ররা

নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির মধ্য দিয়ে চলছে ভোলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়। মানসিক রোগী প্রধান শিক্ষক আজহারুল হক আজাদ। অত্যাচার ও নির্যাতনের শিকার শিক্ষক ও ছাত্ররা।

তথ্য সূত্রে জানা যায়, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের পতনের পর ভোলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় চলছে ডিমেঢালে। আজহারুল হক আজাদ দায়িত্ব আসার পর শিক্ষকরা অতিষ্ঠ তার আচরণে। তার অত্যাচারের বলি হয়ে স্ট্রোক করে মৃত্যু বরণ করেন স্কুলের দপ্তরি স্যামল। প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করার পর থেকে অনেক শিক্ষক নাজেহাল হয়েছে আজাদের হাতে। তথ্য সূত্রে আরও জানা যায়,বিগত ২২ অক্টোবর বিদ্যালয়ের দপ্তরি স্যামল ষ্ট্রোক করে মারা যান। বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, দপ্তরি স্যামলকে আট মাস পূর্বে অন্যায়ভাবে সাসপেন্ড করে। অন্যায়ভাবে বহিস্কারের কারণ আজোও ধোঁয়াশায় রয়ে গেল মরে ফিরে পেলনা তার অধিকার। এব্যাপারে ছাত্র অভিভাবক নাম না প্রকাশ করার শর্তে বলেন, বিগত ১৪ অক্টোবর বিদ্যালয়ের হাফ এন্ড আওয়ার চলাকালীন সময়ে ছাত্ররা মাঠে খেলতে চাইলে প্রধান শিক্ষক নিচতলার কলাপসিবল গেট আটকিয়ে দিয়ে ছাত্রদেরকে বাধাগ্ৰস্থ করেন। তাতে ছাত্ররা ক্ষিপ্ত হয়ে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্লোগান দেয়। প্রধান শিক্ষক সকল ছাত্রের উপর অমানবিক বেত্রাঘাত করে অন্তত ত্রিশজন ছাত্র গুরুতর আহত হন।

এব্যাপারে শিক্ষকদের অনেকেই নাম না প্রকাশ করার শর্তে বলেন, আমাদের প্রধান শিক্ষক একজন সাইকো রোগী সে কখন কাকে কি বলে তার ইয়াত্তা নেই। সে আমাদের অনেককে সময় সময় গালিগালাজ করে এমনকি মারতে উদ্যত হন। আমরা একাধিকবার জেলা প্রশাসককে অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে অবহিত করার পরও কোন প্রকার সমাধান পাইনি । এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষককে তার ব্যবহৃত মুঠো ফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে যা শুনেছেন তা একদল কুচক্রী শিক্ষকদের কাজ। আমি কোন ছাত্রের গাঁয়ে হাত তুলিনি আমার বিরুদ্ধে চক্রান্ত চলছে। বিদ্যালয়ের দপ্তরি স্যামল আপনার কারণে ষ্ট্রোক করে মৃত্যু বরণ করেছে এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন,স্যামল বেসরকারি নিয়োগকৃত ছিল। স্যামল স্কুলের মধ্যে মাদকের ব্যবসা শুরু করেন। তার কারণে পুরো স্কুল মাদকে সয়লাব। স্যামল বিদ্যালয়ের অনেক মালামাল চুরি করে বাহিরে নিয়ে বিক্রি করেছে যা দায়িত্ব প্রাপ্ত শিক্ষকদের হাতে ধরা পড়েছে। আপনিতো জেলা শিক্ষা অফিসারের দায়িত্ব পালন করে আসছেন উত্তরে বলেন জি আমি বর্তমানে জেলা শিক্ষা অফিসার হিসেবে কর্মরত আছি। তিনি আরো বলেন আমার বিরুদ্ধে একদল কুচক্রী মহল উঠে পরে লেগেছে। সঠিক পাঠদান ও কঠোর নিয়ম শৃঙ্খলা প্রনয়নের কারণে ছাত্র শিক্ষক ও অভিভাবকরা আমাকে অপছন্দ করা শুরু করেছে। আপনারা একটু ভালো করে খোঁজ খবর নিয়ে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবেন বলে আশা করছি।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আইজিপির সঙ্গে জাতিসংঘ বাংলাদেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টার সাক্ষাৎ

আজহারুল হকের নির্যাতনের শিকার শিক্ষক ও ছাত্ররা

আপডেট সময় ০৫:০৯:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৫

নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির মধ্য দিয়ে চলছে ভোলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়। মানসিক রোগী প্রধান শিক্ষক আজহারুল হক আজাদ। অত্যাচার ও নির্যাতনের শিকার শিক্ষক ও ছাত্ররা।

তথ্য সূত্রে জানা যায়, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের পতনের পর ভোলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় চলছে ডিমেঢালে। আজহারুল হক আজাদ দায়িত্ব আসার পর শিক্ষকরা অতিষ্ঠ তার আচরণে। তার অত্যাচারের বলি হয়ে স্ট্রোক করে মৃত্যু বরণ করেন স্কুলের দপ্তরি স্যামল। প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করার পর থেকে অনেক শিক্ষক নাজেহাল হয়েছে আজাদের হাতে। তথ্য সূত্রে আরও জানা যায়,বিগত ২২ অক্টোবর বিদ্যালয়ের দপ্তরি স্যামল ষ্ট্রোক করে মারা যান। বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, দপ্তরি স্যামলকে আট মাস পূর্বে অন্যায়ভাবে সাসপেন্ড করে। অন্যায়ভাবে বহিস্কারের কারণ আজোও ধোঁয়াশায় রয়ে গেল মরে ফিরে পেলনা তার অধিকার। এব্যাপারে ছাত্র অভিভাবক নাম না প্রকাশ করার শর্তে বলেন, বিগত ১৪ অক্টোবর বিদ্যালয়ের হাফ এন্ড আওয়ার চলাকালীন সময়ে ছাত্ররা মাঠে খেলতে চাইলে প্রধান শিক্ষক নিচতলার কলাপসিবল গেট আটকিয়ে দিয়ে ছাত্রদেরকে বাধাগ্ৰস্থ করেন। তাতে ছাত্ররা ক্ষিপ্ত হয়ে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্লোগান দেয়। প্রধান শিক্ষক সকল ছাত্রের উপর অমানবিক বেত্রাঘাত করে অন্তত ত্রিশজন ছাত্র গুরুতর আহত হন।

এব্যাপারে শিক্ষকদের অনেকেই নাম না প্রকাশ করার শর্তে বলেন, আমাদের প্রধান শিক্ষক একজন সাইকো রোগী সে কখন কাকে কি বলে তার ইয়াত্তা নেই। সে আমাদের অনেককে সময় সময় গালিগালাজ করে এমনকি মারতে উদ্যত হন। আমরা একাধিকবার জেলা প্রশাসককে অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে অবহিত করার পরও কোন প্রকার সমাধান পাইনি । এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষককে তার ব্যবহৃত মুঠো ফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে যা শুনেছেন তা একদল কুচক্রী শিক্ষকদের কাজ। আমি কোন ছাত্রের গাঁয়ে হাত তুলিনি আমার বিরুদ্ধে চক্রান্ত চলছে। বিদ্যালয়ের দপ্তরি স্যামল আপনার কারণে ষ্ট্রোক করে মৃত্যু বরণ করেছে এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন,স্যামল বেসরকারি নিয়োগকৃত ছিল। স্যামল স্কুলের মধ্যে মাদকের ব্যবসা শুরু করেন। তার কারণে পুরো স্কুল মাদকে সয়লাব। স্যামল বিদ্যালয়ের অনেক মালামাল চুরি করে বাহিরে নিয়ে বিক্রি করেছে যা দায়িত্ব প্রাপ্ত শিক্ষকদের হাতে ধরা পড়েছে। আপনিতো জেলা শিক্ষা অফিসারের দায়িত্ব পালন করে আসছেন উত্তরে বলেন জি আমি বর্তমানে জেলা শিক্ষা অফিসার হিসেবে কর্মরত আছি। তিনি আরো বলেন আমার বিরুদ্ধে একদল কুচক্রী মহল উঠে পরে লেগেছে। সঠিক পাঠদান ও কঠোর নিয়ম শৃঙ্খলা প্রনয়নের কারণে ছাত্র শিক্ষক ও অভিভাবকরা আমাকে অপছন্দ করা শুরু করেছে। আপনারা একটু ভালো করে খোঁজ খবর নিয়ে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবেন বলে আশা করছি।