কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার ৫ নং দক্ষিণ ঝলম ইউনিয়ন ৬ নং মৈশাতুয়া ইউনিয়ন ও উওর ঝলম ইউনিয়নের উপর দিয়ে বয়ে গেছে ডাকাতিয়া নদী। নদীর পশ্চিম পাড়ে দিকচান্দা,ভাটগাঁও,বচইড়- দৈয়ারা, হাড়িয়া হোসানপু, কেশতলা, পূর্ব পাড়ে মৈশাতুয়া, আমতলী, ছিখটিয়া, ডুমুরিয়াসহ ১০ গ্রাম দীর্ঘদিন ধরে একটি সেতুর অভাবে চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
গ্রামের একমাত্র সংযোগ পথে নেই কোনো পাকা সেতু। বাধ্য হয়ে বাঁশের তৈরি একটি সাঁকো দিয়ে প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন হাজারো মানুষ।স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রায় ৩০ হাজার মানুষের বাস এই তিন ইউনিয়নের ১০গ্রামে। রয়েছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও উচ্চ বিদ্যালয় । পার্শ্ববর্তী গ্রামের প্রায় ৩০ হাজার মানুষ ঝুঁকিপূর্ণ এই বাঁশের সাঁকো ব্যবহার করে উপজেলায় বিভিন্ন প্রশাসনিক কাজে ও হাটবাজার, স্কুল,কলেজ, চিকিৎসা ও অন্যান্য জরুরি প্রয়োজনে যাতায়াত করে থাকেন। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে বাঁশের সাঁকোটি আরো বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। অতিরিক্ত স্রোত ও পানির উচ্চতায় সাঁকো হেলে পড়ে। এমনকি প্রায় সময় সাঁকোর কাঠামোও ভেঙে যায়।
ফলে শিক্ষার্থী, রোগী, শিশু ও বৃদ্ধদের চলাচলে চরম বিপাকে পড়তে হয়।দিকচান্দা গ্রামের বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন -এত বছর ধরে এখানে একটা পাকা সেতুর দাবি করে আসছি, কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। প্রতিবার নির্বাচনের আগে আশ্বাস পাই, পরে আর কেউ ফিরেও তাকায় না।ছিখটিয়া গ্রামের মো,,মিন্টু মিয়া বলেন -এই অঞ্চলের জন্য এটি একটি চরম অবিচার। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন বাঁশের সাঁকো পার হচ্ছেন সবাই। আমরা বারবার দাবি জানিয়েছি কিন্তু দেখার কেউ নেই।দিকচান্দা গ্রামের হাজী ছায়েদুর রহমান বলেন – আমরা গ্রাম বাসি সবাই গ্রাম থেকে বাঁশ এনে নিজেদের অর্থায়নে সাঁকোটি তৈয়ার করেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)গাজালা পারভীন রুহি জানান – আমি সরেজমিনে গিয়ে দেখব এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে এ বিষয়ে আলাপ করব।
আবদুর রহিম মনোহরগঞ্জ( কুমিল্লা) প্রতিনিধি 




















