ঢাকা ০২:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মাতারবাড়ি কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী কচুয়ায় দেড় কিলোমিটার সড়ক বেহাল: ঝুঁকিতে ২৫০ শিক্ষার্থী, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ রাষ্ট্রপতি পদে দুটি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করল বিএনপি সোমবার এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ উদ্বোধন করবেন শিক্ষামন্ত্রী গোপালগঞ্জে প্যারোলে মুক্তি পেয়ে পিতার জানাজায় আওয়ামী লীগ নেতা  নগর গুলিস্তান স্টপওভার বাস-মিনিবাস টার্মিনাল শ্রমিক পরিচালনা কমিটির পরিচিতি সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত গাজায় ধসে পড়া ভবনের নিচ থেকে ১৯ মরদেহ উদ্ধার দাম বাড়ানোর পর দেশে আজ সোনার ভরি কত? কক্সবাজারের মাতারবাড়ী পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী বেরোবির শিক্ষার্থীদের ‘দরিচা’, বিহারি নারীদের দক্ষতায় খুলছে সম্ভাবনার নতুন জানালা

বাংলাদেশের প্রথম কার্বন-নিউট্রাল শিশু রুহাব

বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ‘কার্বন-নিউট্রাল শিশু’ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে সাতক্ষীরার তালা উপজেলার শিবপুর গ্রামের শিশু আয়ান খান রুহাব। মাত্র আট মাস বয়সেই রুহাব এই বিশেষ স্বীকৃতি অর্জন করেছে। রুহাবের বাবা ইমরান রাব্বি, পরিবেশবাদী সংগঠন গ্রীনম্যানের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং মা আয়শা আক্তার কিরণের সমন্বয়ক হিসেবে কাজ করছেন। তাদের এই উদ্যোগের লক্ষ্য- শিশুর জন্মের মুহূর্ত থেকেই পৃথিবীর প্রতি দায়িত্ববোধ তৈরি করা।

রুহাবের জন্ম ২০২৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি। তার জীবনব্যাপী কার্বন নিঃসরণ অফসেট করতে সেপ্টেম্বর মাসে তারা সাতক্ষীরার শিবপুর গ্রামে ৫৮০টি ফলজ ও বনজ গাছ রোপণ করেছেন। রোপিত গাছের মধ্যে রয়েছে আম, জাম, কাঁঠাল, আমড়া, সুপারি ও নিম। এই উদ্যোগের স্বীকৃতি দিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (ICCCAD)। সংস্থার গ্রান্টজয়ী প্রকল্প ঢাকা প্ল্যান্টারস-এর আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে রুহাবকে বাংলাদেশের প্রথম কার্বন-নিউট্রাল শিশু হিসেবে সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।

রুহাবের বাবা ইমরান রাব্বি বলেন, আমরা রুহাবের জন্য গাছ লাগিয়েছি, যেন সে বিশুদ্ধ বাতাস ও সবুজ পরিবেশে বড় হতে পারে। এটা তার ভবিষ্যৎ ও পৃথিবীর জন্য আমাদের ছোট্ট একটি উদ্যোগ মাত্র। সবাই রুহাবের জন্য দোয়া করবেন, যেন সে সুন্দর মনের মানুষ হয় এবং প্রকৃতির সঙ্গে বেড়ে ওঠে। রুহাবের মা আয়শা আক্তার বলেন, আমাদের ছেলের জন্য গাছ লাগিয়েছি আমরা, কিন্তু তা সব শিশুদের জন্যই উপকারে আসবে। আপনি চাইলে আপনার পরিবারের নতুন সদস্য এলে কিছু গাছ লাগিয়ে ফেলতে পারেন, যা তার ভবিষ্যৎকে সুন্দর করবে।

পরিবেশ সচেতনতার এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ স্থানীয়ভাবে প্রশংসিত হওয়া ছাড়াও বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়ন ও জলবায়ু অভিযোজন প্রচেষ্টায় এক নতুন দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মাতারবাড়ি কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশের প্রথম কার্বন-নিউট্রাল শিশু রুহাব

আপডেট সময় ১০:৪৮:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫

বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ‘কার্বন-নিউট্রাল শিশু’ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে সাতক্ষীরার তালা উপজেলার শিবপুর গ্রামের শিশু আয়ান খান রুহাব। মাত্র আট মাস বয়সেই রুহাব এই বিশেষ স্বীকৃতি অর্জন করেছে। রুহাবের বাবা ইমরান রাব্বি, পরিবেশবাদী সংগঠন গ্রীনম্যানের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং মা আয়শা আক্তার কিরণের সমন্বয়ক হিসেবে কাজ করছেন। তাদের এই উদ্যোগের লক্ষ্য- শিশুর জন্মের মুহূর্ত থেকেই পৃথিবীর প্রতি দায়িত্ববোধ তৈরি করা।

রুহাবের জন্ম ২০২৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি। তার জীবনব্যাপী কার্বন নিঃসরণ অফসেট করতে সেপ্টেম্বর মাসে তারা সাতক্ষীরার শিবপুর গ্রামে ৫৮০টি ফলজ ও বনজ গাছ রোপণ করেছেন। রোপিত গাছের মধ্যে রয়েছে আম, জাম, কাঁঠাল, আমড়া, সুপারি ও নিম। এই উদ্যোগের স্বীকৃতি দিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (ICCCAD)। সংস্থার গ্রান্টজয়ী প্রকল্প ঢাকা প্ল্যান্টারস-এর আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে রুহাবকে বাংলাদেশের প্রথম কার্বন-নিউট্রাল শিশু হিসেবে সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।

রুহাবের বাবা ইমরান রাব্বি বলেন, আমরা রুহাবের জন্য গাছ লাগিয়েছি, যেন সে বিশুদ্ধ বাতাস ও সবুজ পরিবেশে বড় হতে পারে। এটা তার ভবিষ্যৎ ও পৃথিবীর জন্য আমাদের ছোট্ট একটি উদ্যোগ মাত্র। সবাই রুহাবের জন্য দোয়া করবেন, যেন সে সুন্দর মনের মানুষ হয় এবং প্রকৃতির সঙ্গে বেড়ে ওঠে। রুহাবের মা আয়শা আক্তার বলেন, আমাদের ছেলের জন্য গাছ লাগিয়েছি আমরা, কিন্তু তা সব শিশুদের জন্যই উপকারে আসবে। আপনি চাইলে আপনার পরিবারের নতুন সদস্য এলে কিছু গাছ লাগিয়ে ফেলতে পারেন, যা তার ভবিষ্যৎকে সুন্দর করবে।

পরিবেশ সচেতনতার এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ স্থানীয়ভাবে প্রশংসিত হওয়া ছাড়াও বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়ন ও জলবায়ু অভিযোজন প্রচেষ্টায় এক নতুন দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।