সংবাদ শিরোনাম ::
মুকসুদপুরে জাল নোট প্রচলন প্রতিরোধে জন সচেতনতা বৃদ্ধিমুলক ওয়ার্কসপ কিশোর নিবিরের প্রেমের বিয়ে, ৮ মাস পর রহস্যজনক মৃত্যু  কোটালীপাড়ায় নিবন্ধিত জেলেদের মাঝে বকনা বাছুর বিতরণ দৈনিক আমাদের মাতৃভূমির চট্টগ্রাম ব্যুরো চিফ মুরাদকে অব্যাহতি তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবিতে গঙ্গাচড়ায় হাজারো মানুষের মানববন্ধন ফরিদপুর এডুকেশন এনকারেজিং সোসাইটির আয়োজনে বিভিন্ন ক্যাটাগরীতে পুরস্কার বিতরণ ও সংবর্ধনা মুরাদনগরে কর্মরত এসি ল্যান্ড সাকিব হাসানের ওপর ডাকাত দলের বর্বরোচিত হামলা, দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ রংপুরে পাটক্ষেতে মিলল নিখোঁজ শিশুর মরদেহ, আতঙ্কে এলাকাবাসী চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ২০৭ পিস ভারতীয় যানবাহনের যন্ত্রাংশ আটক বড়লেখা হাজীগন্জ বাজার বনিক সমিতির সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দিতা করবেন ফখরুল ইসলাম পারুল

প্রাথমিকে সংগীত শিক্ষকের বদলে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবি হেফাজতের

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংগীত শিক্ষক নিয়োগ বাতিলের দাবি জানিয়েছে কওমি মাদরাসাভিত্তিক সংগঠন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। একইসঙ্গে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের নতুন বিধিমালা প্রণয়নের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

সোমবার (১৩ অক্টোবর) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) শফিকুল কবির মিলনায়তনে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা মুহিবুল্লাহ বাবুনগরী, মহাসচিব সাজিদুর রহমান, যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংগীত শিক্ষক নিয়োগ বাতিল ও ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের নতুন বিধিমালা প্রণয়ন, কুরআন অবমাননার বিচার, কাঠামোগত ইসলাম বিদ্বেষ ও ধর্ম অবমাননা রোধে সর্বোচ্চ কঠোর আইন প্রণয়নের দাবিতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, ইসলামে বাদ্যযন্ত্র ব্যবহার নিষেদ্ধ। তা সত্ত্বেও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংগীত শিক্ষক নিয়োগে বিধিমালা প্রণোয়ন করা হয়েছে। আমরা অনতিবিলম্বে ওই বিধিমালা প্রত্যাহার করে সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের নতুন বিধিমালা প্রণয়নের দাবি জানাচ্ছি।

মহাসচিব সাজিদুর রহমান বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নাচ-গানের শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছেন সরকার। আমাদের সুফি-জনতা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গান বাজনা চায় না। তারা একটি ইসলামী আদর্শের রাষ্ট্র চায়। অভিভাবকরাও তাদের ছেলে-মেয়েদের গান-বাজনা শেখাতে স্কুলে পাঠায় না।

তিনি আরও বলেন, আমরা সরকারকে অনতিবিলম্বে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংগীত শিক্ষকের নিয়োগ বাতিল করে সব বিদ্যালয়ে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের নতুন বিধিমালা প্রণয়নের দাবি জানাচ্ছি। পাশাপাশি কোরআন অবমাননায় সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রেখে আইন প্রণয়ন করার দাবি জানাচ্ছি।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মুকসুদপুরে জাল নোট প্রচলন প্রতিরোধে জন সচেতনতা বৃদ্ধিমুলক ওয়ার্কসপ

প্রাথমিকে সংগীত শিক্ষকের বদলে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবি হেফাজতের

আপডেট সময় ১২:৫৯:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৫

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংগীত শিক্ষক নিয়োগ বাতিলের দাবি জানিয়েছে কওমি মাদরাসাভিত্তিক সংগঠন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। একইসঙ্গে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের নতুন বিধিমালা প্রণয়নের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

সোমবার (১৩ অক্টোবর) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) শফিকুল কবির মিলনায়তনে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা মুহিবুল্লাহ বাবুনগরী, মহাসচিব সাজিদুর রহমান, যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংগীত শিক্ষক নিয়োগ বাতিল ও ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের নতুন বিধিমালা প্রণয়ন, কুরআন অবমাননার বিচার, কাঠামোগত ইসলাম বিদ্বেষ ও ধর্ম অবমাননা রোধে সর্বোচ্চ কঠোর আইন প্রণয়নের দাবিতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, ইসলামে বাদ্যযন্ত্র ব্যবহার নিষেদ্ধ। তা সত্ত্বেও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংগীত শিক্ষক নিয়োগে বিধিমালা প্রণোয়ন করা হয়েছে। আমরা অনতিবিলম্বে ওই বিধিমালা প্রত্যাহার করে সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের নতুন বিধিমালা প্রণয়নের দাবি জানাচ্ছি।

মহাসচিব সাজিদুর রহমান বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নাচ-গানের শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছেন সরকার। আমাদের সুফি-জনতা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গান বাজনা চায় না। তারা একটি ইসলামী আদর্শের রাষ্ট্র চায়। অভিভাবকরাও তাদের ছেলে-মেয়েদের গান-বাজনা শেখাতে স্কুলে পাঠায় না।

তিনি আরও বলেন, আমরা সরকারকে অনতিবিলম্বে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংগীত শিক্ষকের নিয়োগ বাতিল করে সব বিদ্যালয়ে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের নতুন বিধিমালা প্রণয়নের দাবি জানাচ্ছি। পাশাপাশি কোরআন অবমাননায় সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রেখে আইন প্রণয়ন করার দাবি জানাচ্ছি।