সংবাদ শিরোনাম ::
তারেক রহমানের চীন সফর নিয়ে ভারতের গণমাধ্যমে উদ্বেগ জানা গেল ফাইনাল পর্যন্ত আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ও সূচি ভূমিকম্পে কাঁপল দিল্লি, জম্মু-কাশ্মীর প্রধানমন্ত্রীর সামনেই সংসদে কিল-ঘুষি, থমকে গেল অধিবেশন চীন-মায়ানমার করিডরে বাংলাদেশ যুক্ত হলে বিনিয়োগ বাড়বে : বাণিজ্যমন্ত্রী সাবেক এমডির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে দুদকের চিঠিকেও পাত্তা দেননি আইএফআইসি চেয়ারম্যান মৌলভীবাজারের বড়লেখা সীমান্তবর্তী ডিমাই বাজারে কমিউনিটি পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত মৌলভীবাজারের বড়লেখার উত্তর শাহবাজপুরে অবৈধ মাটি কাটার হিড়িক, টনক নড়ছে না প্রশাসনের ওসমান হাদিকে নিয়ে পাগলা মসজিদের দানবাক্সে চিঠি গিলাতলা-কালীগঞ্জ সড়ক সংস্কার কাজ পরিদর্শনে কর্তৃপক্ষ, কাজের মান সন্তোষজনক

ভোলা প্রেস ক্লাব দখল করতে মরিয়া আওয়ামী ফ্যাসিস্টখ্যাত আফজাল

  • বিশেষ প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় ০৯:১১:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৭৩০ বার পড়া হয়েছে

ভোলা প্রেসক্লাব দখলে নিতে ফের মরিয়া হয়ে উঠেছে জেলার আওয়ামীলীগ ও তাদের চেলাচামুন্ডারা। আর এই দখলবাজীর প্রকাশ্য নেতৃত্ব দিচ্ছেন,ভোলা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম নবী আলমগীর। ভোলার পেশাদার গণমাধ্যম কর্মীদের শায়েস্তা করতে সাথে রাখা হয়েছে,ভোলা-০২ আসনের সাবেক এমপি হাফিজ ইব্রাহিমের বিতর্কিত ভগ্নিপতি ফজলুর রহমান বাচ্চু মোল্লা, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহব্বায়ক এনামুল হক,হুমায়ুন কবির সোপান ও ভূমিদস্যুখ্যাত বশির হাওলাদারকে।
ভোলার পেশাদার গণমাধ্যমকর্মীরা জানিয়েছেন,আওয়ামী ফ্যাসিস্ট জমানায় তারা কখনো ভোলা প্রেসক্লাবের সদস্য হতে পারেননি। সেখানকার সন্ত্রাসীদের গডফাদার তোফায়েল আহমেদের নোংড়া হস্তক্ষেপের কারনে গণমাধ্যমকর্মীরা সবসময়ই ছিল নিগৃহীত,লাঞ্চিত আর বঞ্চনার শিকার। তখন আওয়ামী এ দানবদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে ভোলার সাংবাদিকরা জীবন বাঁজী রেখে তাদের পেশায় নিয়োজিত ছিল। তথ্যমতে, স্বৈর শাসনের সেই কালোযুগে তোফায়েলের সেকেন্ড ইন কমান্ড ছিলো বর্তমান ভোলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম নবী আলমগীর। অন্ধকারাচ্ছন্ন ওই যুগে ফ্যাসিস্ট বিরোধী আন্দোলন সংগ্রামে শত শত মামলা, হামলা আর নির্যাতনের শিকার হয়ে বিএনপির হাজারো নেতাকর্মীদের কেউ জেলের ঘানি টেনেছেন,কেউ পালিয়ে বেরিয়েছেন আবার পুলিশের গুলিতে জীবন হারিয়ে শহীদ হয়েছেন,জেলা ছাত্রদল সভাপতি নুরে আলম,স্বেচ্ছাসেবকদল কর্মী আব্দুর রহীমের মতো হতভাগ্যরা। কিন্তু দলীয় পদ ধরে রাখা গোলাম নবী আলমগীর ছিলেন দানব তোফায়েল আহমেদের ছোটভাইখ্যাত সোনায়সোহাগা এক নিস্পাপ হরিন সাবকের মতো। স্বৈরাচারের সীমাহীন নির্যাতন ও মামলাতো দূরের কথা তোফায়েলের বদাণ্যতায় হাজী সাহেবের নিস্পাপ শরীরে সামান্য কাঁটার আঁচড় পর্যন্ত লাগেনি। যেমূহুর্তে বিএনপি নেতারা জেলের ঘাণি টানছিলেন,তাদের সন্তানরা ছিলেন অনাহারে-অর্ধ্বাহারে। বাবা জেলে,তাই ছেলেটি টাকার অভাবে পড়ালেখা করতে পারেনি,মেয়েটির বিয়ে হচ্ছিলনা,অভাবের তাড়নায় স্ত্রী তার কারারুদ্ধ স্বামীকে ছেড়ে চলে গিয়েছিলো, ঠিক সেমুহুর্তে গোলামনবী আলমগীরের লঞ্চ ব্যবসা,বিকাশ ও নানা পন্যের বাহারী সব ব্যবসা-ই ছিলো জমজমাট। বড়ভাই তোফায়েল আহমেদ তার ছোটভাই আলমগীরকে শতকোটি টাকার ব্যাংক লোন সুবিধা দিয়ে ভ্রাতৃত্বের এক নতুন বন্ধনের নজির দেখিয়েছেন। তাই বড়ভাই তোফায়েল আহমেদের রেখে যাওয়া ঈমানদার আওয়ামী সাংবাদিক আফজাল হোসেনকে প্রেসক্লাবে বসিয়ে গোলাম নবী আলমগীর তোফায়েলকে খুশী করার নয়া মিশন শুরু করেছেন। সে লক্ষ্যে তিনি ভোলার শতাধিক সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে যেনো জেহাদ ঘোষণা করলেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,আওয়ামী ওই ফ্যাসিস্ট দালাল সাংবাদিক আফজালকে প্রেসক্লাবে বসাতে হাজী সাহেবের সাথে এই নোংড়াখেলায় রয়েছেন,ভোলা-০২ আসনের বিএনপির সাবেক সাংসদ হাফিজ ইব্রাহিমের আলোচিত ভগ্নিপতি ফজলুর রহমান বাচ্চু মোল্লা,জেলার নেয়ামতপুর চরের দুর্র্ধষ ভূমিদস্যু নেতা বশির হাওলাদার,জেলা বিএনপির যুগ্ম আহব্বায়ক এনামুল হক ও হুমায়ুন ?কবির সোপান।
এদিকে ভোলা প্রেসক্লাব নিয়ে এমন নোংরামি না করতে গত শুক্রবার
(১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে ভোলার প্রায় শতাধিক পেশাদার গণমাধ্যমকর্মী গোলামনবী আলমগীরের সাথে মহাজনপট্রি তার ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠান মেসার্স এ রহমান এন্ড সন্সে গিয়ে দেখা করেন। তারা তাকে অনুরোধ করে বলেন,আপনি এসব বাঁজে সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসুন। কিন্তু শত সাংবাদিকদের অসংখ্য অনুরোধকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে তিনি তোফায়েল আহমেদ তথা আওয়ামী দালাল সাংবাদিক আফজালকে নিয়ে প্রেসক্লাব দখলবাজীর কার্যক্রম থেকে সরে আসেননি। তথ্যমতে,বিগত জুলাই বিপ্লবে ভোলার যেসব সাংবাদিকরা স্বৈরাচারের নির্যাতন-নিপীড়নকে উপেক্ষা করে সম্মূখ সারির যোদ্ধা হিসেবে রাজপথে থেকে সংবাদ সংগ্রহ করে প্রচার করেছিলেন,আ’লীগকে খুশী করতে গোলাম নবী আলমগীর এখন তাদের পাত্ত্বা দিতে নারাজ। ওদিকে একজন আওয়ামী স্বৈরাচার সাংবাদিক নামধারীকে প্রেসক্লাব দখল করে বসানোর এমন ন্যাক্কারজনক চেষ্টার ঘটনায় ক্ষুদ্ধ ভোলার গণমাধ্যমকর্মীরা। তারা একবাক্যে বলেন,গোলাম নবী আলমগীরের নেতৃত্বে পরিচালিত আফজাল মিশন আমরা সফল হতে দেবনা। তারা প্রেসক্লাব নিয়ে বিএনপির এ নেতার নগ্ন হস্তক্ষেপ প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়েছেন। বর্তমান ভোলা প্রেসক্লাব নিয়ে উদ্ভূত এ ঘটনাটি এখন জেলার টক অব দ্যা টাউনে পরিনত হয়েছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তারেক রহমানের চীন সফর নিয়ে ভারতের গণমাধ্যমে উদ্বেগ

ভোলা প্রেস ক্লাব দখল করতে মরিয়া আওয়ামী ফ্যাসিস্টখ্যাত আফজাল

আপডেট সময় ০৯:১১:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ভোলা প্রেসক্লাব দখলে নিতে ফের মরিয়া হয়ে উঠেছে জেলার আওয়ামীলীগ ও তাদের চেলাচামুন্ডারা। আর এই দখলবাজীর প্রকাশ্য নেতৃত্ব দিচ্ছেন,ভোলা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম নবী আলমগীর। ভোলার পেশাদার গণমাধ্যম কর্মীদের শায়েস্তা করতে সাথে রাখা হয়েছে,ভোলা-০২ আসনের সাবেক এমপি হাফিজ ইব্রাহিমের বিতর্কিত ভগ্নিপতি ফজলুর রহমান বাচ্চু মোল্লা, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহব্বায়ক এনামুল হক,হুমায়ুন কবির সোপান ও ভূমিদস্যুখ্যাত বশির হাওলাদারকে।
ভোলার পেশাদার গণমাধ্যমকর্মীরা জানিয়েছেন,আওয়ামী ফ্যাসিস্ট জমানায় তারা কখনো ভোলা প্রেসক্লাবের সদস্য হতে পারেননি। সেখানকার সন্ত্রাসীদের গডফাদার তোফায়েল আহমেদের নোংড়া হস্তক্ষেপের কারনে গণমাধ্যমকর্মীরা সবসময়ই ছিল নিগৃহীত,লাঞ্চিত আর বঞ্চনার শিকার। তখন আওয়ামী এ দানবদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে ভোলার সাংবাদিকরা জীবন বাঁজী রেখে তাদের পেশায় নিয়োজিত ছিল। তথ্যমতে, স্বৈর শাসনের সেই কালোযুগে তোফায়েলের সেকেন্ড ইন কমান্ড ছিলো বর্তমান ভোলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম নবী আলমগীর। অন্ধকারাচ্ছন্ন ওই যুগে ফ্যাসিস্ট বিরোধী আন্দোলন সংগ্রামে শত শত মামলা, হামলা আর নির্যাতনের শিকার হয়ে বিএনপির হাজারো নেতাকর্মীদের কেউ জেলের ঘানি টেনেছেন,কেউ পালিয়ে বেরিয়েছেন আবার পুলিশের গুলিতে জীবন হারিয়ে শহীদ হয়েছেন,জেলা ছাত্রদল সভাপতি নুরে আলম,স্বেচ্ছাসেবকদল কর্মী আব্দুর রহীমের মতো হতভাগ্যরা। কিন্তু দলীয় পদ ধরে রাখা গোলাম নবী আলমগীর ছিলেন দানব তোফায়েল আহমেদের ছোটভাইখ্যাত সোনায়সোহাগা এক নিস্পাপ হরিন সাবকের মতো। স্বৈরাচারের সীমাহীন নির্যাতন ও মামলাতো দূরের কথা তোফায়েলের বদাণ্যতায় হাজী সাহেবের নিস্পাপ শরীরে সামান্য কাঁটার আঁচড় পর্যন্ত লাগেনি। যেমূহুর্তে বিএনপি নেতারা জেলের ঘাণি টানছিলেন,তাদের সন্তানরা ছিলেন অনাহারে-অর্ধ্বাহারে। বাবা জেলে,তাই ছেলেটি টাকার অভাবে পড়ালেখা করতে পারেনি,মেয়েটির বিয়ে হচ্ছিলনা,অভাবের তাড়নায় স্ত্রী তার কারারুদ্ধ স্বামীকে ছেড়ে চলে গিয়েছিলো, ঠিক সেমুহুর্তে গোলামনবী আলমগীরের লঞ্চ ব্যবসা,বিকাশ ও নানা পন্যের বাহারী সব ব্যবসা-ই ছিলো জমজমাট। বড়ভাই তোফায়েল আহমেদ তার ছোটভাই আলমগীরকে শতকোটি টাকার ব্যাংক লোন সুবিধা দিয়ে ভ্রাতৃত্বের এক নতুন বন্ধনের নজির দেখিয়েছেন। তাই বড়ভাই তোফায়েল আহমেদের রেখে যাওয়া ঈমানদার আওয়ামী সাংবাদিক আফজাল হোসেনকে প্রেসক্লাবে বসিয়ে গোলাম নবী আলমগীর তোফায়েলকে খুশী করার নয়া মিশন শুরু করেছেন। সে লক্ষ্যে তিনি ভোলার শতাধিক সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে যেনো জেহাদ ঘোষণা করলেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,আওয়ামী ওই ফ্যাসিস্ট দালাল সাংবাদিক আফজালকে প্রেসক্লাবে বসাতে হাজী সাহেবের সাথে এই নোংড়াখেলায় রয়েছেন,ভোলা-০২ আসনের বিএনপির সাবেক সাংসদ হাফিজ ইব্রাহিমের আলোচিত ভগ্নিপতি ফজলুর রহমান বাচ্চু মোল্লা,জেলার নেয়ামতপুর চরের দুর্র্ধষ ভূমিদস্যু নেতা বশির হাওলাদার,জেলা বিএনপির যুগ্ম আহব্বায়ক এনামুল হক ও হুমায়ুন ?কবির সোপান।
এদিকে ভোলা প্রেসক্লাব নিয়ে এমন নোংরামি না করতে গত শুক্রবার
(১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে ভোলার প্রায় শতাধিক পেশাদার গণমাধ্যমকর্মী গোলামনবী আলমগীরের সাথে মহাজনপট্রি তার ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠান মেসার্স এ রহমান এন্ড সন্সে গিয়ে দেখা করেন। তারা তাকে অনুরোধ করে বলেন,আপনি এসব বাঁজে সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসুন। কিন্তু শত সাংবাদিকদের অসংখ্য অনুরোধকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে তিনি তোফায়েল আহমেদ তথা আওয়ামী দালাল সাংবাদিক আফজালকে নিয়ে প্রেসক্লাব দখলবাজীর কার্যক্রম থেকে সরে আসেননি। তথ্যমতে,বিগত জুলাই বিপ্লবে ভোলার যেসব সাংবাদিকরা স্বৈরাচারের নির্যাতন-নিপীড়নকে উপেক্ষা করে সম্মূখ সারির যোদ্ধা হিসেবে রাজপথে থেকে সংবাদ সংগ্রহ করে প্রচার করেছিলেন,আ’লীগকে খুশী করতে গোলাম নবী আলমগীর এখন তাদের পাত্ত্বা দিতে নারাজ। ওদিকে একজন আওয়ামী স্বৈরাচার সাংবাদিক নামধারীকে প্রেসক্লাব দখল করে বসানোর এমন ন্যাক্কারজনক চেষ্টার ঘটনায় ক্ষুদ্ধ ভোলার গণমাধ্যমকর্মীরা। তারা একবাক্যে বলেন,গোলাম নবী আলমগীরের নেতৃত্বে পরিচালিত আফজাল মিশন আমরা সফল হতে দেবনা। তারা প্রেসক্লাব নিয়ে বিএনপির এ নেতার নগ্ন হস্তক্ষেপ প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়েছেন। বর্তমান ভোলা প্রেসক্লাব নিয়ে উদ্ভূত এ ঘটনাটি এখন জেলার টক অব দ্যা টাউনে পরিনত হয়েছে।