ঢাকা ০৮:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শিক্ষার মানোন্নয়ন সভায় শিক্ষকদেরই ঠাঁই হলো না মঞ্চে; কালিহাতীতে তীব্র ক্ষোভ বিদ্যুৎ-গ্যাসের সমস্যা সমাধানে অন্তত দুই বছর লাগবে : অর্থমন্ত্রী বংশালে হেলমেটের গোডাউনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৭ ইউনিট অনার্স পর্যন্ত নারীদের ফ্রিতে পড়াশোনার ব্যবস্থা করা হবে : প্রধানমন্ত্রী মুক্তিপণ দিয়েও মেলেনি মুক্তি, ফরিদপুরে শিকলবন্দি নিলয় উদ্ধার; গ্রেফতার- ৩ পীরগঞ্জে জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ উদ্বোধন সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন অসুস্থ, পা অবশ হওয়ায় চলাফেরা সীমিত ফ্যাসিস্ট আমলে শিক্ষাব্যবস্থায় চরম ধস নেমেছিল : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উপলক্ষে কালুখালী উপজেলায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত বাংলাদেশে প্রতিটি মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার হবে : আইনমন্ত্রী

অস্ত্র মামলায় ১৭ বছর সাজাপ্রাপ্ত আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেপ্তার

নোয়াখালীর চাটখিল থানার অস্ত্র মামলার ১৭ বছর সাজাপ্রাপ্ত আসামি মো. সাইফুল ইসলাম ফয়সালকে (৩৪) গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টা ১০ মিনিটের দিকে র‍্যাব-১১ ও র‍্যাব-৭ এর যৌথ অভিযানে চট্টগ্রাম মহানগরীর কোতোয়ালি থানা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত সাইফুল ইসলাম ফয়সাল নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার নোয়াখলা ইউনিয়নের পূর্ব নোয়াখলা গ্রামের মৃত আব্দুল মোতালেবের ছেলে।
র‍্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-১১, সিপিসি-৩, নোয়াখালী এবং র‍্যাব-৭, সিপিএসসি, পতেঙ্গা, চট্টগ্রামের একটি আভিযানিক দল কোতোয়ালি থানার আসাদগঞ্জ চাঁন মিয়া লেন এলাকায় অভিযান চালায়। এসময় নোয়াখালীর চাটখিল থানার মামলা নং-১০, তাং-১৫/০৮/২০১৩, ধারা-১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়সালকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ওয়ারেন্ট সূত্রে জানা যায়, অস্ত্র মামলায় আদালত তাকে ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের ১৯এ ধারায় ১০ বছর এবং ১৯(এফ) ধারায় ১৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। দীর্ঘদিন ধরে গ্রেপ্তার এড়াতে সে দেশের বিভিন্ন এলাকায় পলাতক ছিলেন। গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে ফয়সাল নিজের নাম-ঠিকানা ও মামলার সত্যতা স্বীকার করেন। পরবর্তীতে তাকে আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে নোয়াখালীর চাটখিল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‍্যাব।

র‍্যাব-১১ সিপিসি-৩ নোয়াখালী ক্যাম্পের কমান্ডার (ভারপ্রাপ্ত) এবং সহকারী পুলিশ সুপার মিঠুন কুমার কুণ্ডু ঢাকা পোস্টকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, আসামি দীর্ঘ সময় বিভিন্ন স্থানে ছদ্মবেশে আত্মগোপন ছিলেন। বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হবে। জনস্বার্থে এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষার মানোন্নয়ন সভায় শিক্ষকদেরই ঠাঁই হলো না মঞ্চে; কালিহাতীতে তীব্র ক্ষোভ

অস্ত্র মামলায় ১৭ বছর সাজাপ্রাপ্ত আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০৪:০৬:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নোয়াখালীর চাটখিল থানার অস্ত্র মামলার ১৭ বছর সাজাপ্রাপ্ত আসামি মো. সাইফুল ইসলাম ফয়সালকে (৩৪) গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টা ১০ মিনিটের দিকে র‍্যাব-১১ ও র‍্যাব-৭ এর যৌথ অভিযানে চট্টগ্রাম মহানগরীর কোতোয়ালি থানা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত সাইফুল ইসলাম ফয়সাল নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার নোয়াখলা ইউনিয়নের পূর্ব নোয়াখলা গ্রামের মৃত আব্দুল মোতালেবের ছেলে।
র‍্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-১১, সিপিসি-৩, নোয়াখালী এবং র‍্যাব-৭, সিপিএসসি, পতেঙ্গা, চট্টগ্রামের একটি আভিযানিক দল কোতোয়ালি থানার আসাদগঞ্জ চাঁন মিয়া লেন এলাকায় অভিযান চালায়। এসময় নোয়াখালীর চাটখিল থানার মামলা নং-১০, তাং-১৫/০৮/২০১৩, ধারা-১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়সালকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ওয়ারেন্ট সূত্রে জানা যায়, অস্ত্র মামলায় আদালত তাকে ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের ১৯এ ধারায় ১০ বছর এবং ১৯(এফ) ধারায় ১৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। দীর্ঘদিন ধরে গ্রেপ্তার এড়াতে সে দেশের বিভিন্ন এলাকায় পলাতক ছিলেন। গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে ফয়সাল নিজের নাম-ঠিকানা ও মামলার সত্যতা স্বীকার করেন। পরবর্তীতে তাকে আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে নোয়াখালীর চাটখিল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‍্যাব।

র‍্যাব-১১ সিপিসি-৩ নোয়াখালী ক্যাম্পের কমান্ডার (ভারপ্রাপ্ত) এবং সহকারী পুলিশ সুপার মিঠুন কুমার কুণ্ডু ঢাকা পোস্টকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, আসামি দীর্ঘ সময় বিভিন্ন স্থানে ছদ্মবেশে আত্মগোপন ছিলেন। বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হবে। জনস্বার্থে এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।