ঢাকা ১০:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মাদারীপুরের রাজৈর এ অনুষ্ঠিতব্য এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা -২০২৬ এর পরীক্ষা শুরু ডিপ্লোমা পাস করার ৩ বছর পূর্বেই সহকারী কৃষি শিক্ষক নিয়োগ পেয়েছে আবুল কালাম আজাদ গণপূর্তের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সারোয়ার জাহানের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ বরিশালে কাস্টমস কর্মকর্তাকে ঘিরে গুরুতর অভিযোগ—ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি মামলা, প্রত্যাহারে হুমকির দাবি এক মাসে দুইবার বাড়লো এলপিজির দাম, ১২ কেজি ১৯৪০ টাকা ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু সেই ভুয়া আজিজের সহযোগী ইউসুফ রিমান্ডে জ্বালানির সংকট নেই, অসাধু সিন্ডিকেটে পাম্পগুলোতে কৃত্রিম সংকট হচ্ছে তারাকান্দায় বিএনপির দুই গ্রুপের কর্মসূচি ঘিরে ১৪৪ ধারা জারি চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে হঠাৎ ছিটকে পড়ে বাসচাপায় ঠিকাদার নিহত

গুলশানে বিএনপির নাম ভাঙ্গিয়ে চাঁদাবাজি, নেপথ্যে আলমগীর-লিটন সিন্ডিকেট

  • স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় ০৮:২৭:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৮৮১ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশানে দিন দিন বেড়ে চলেছে চাঁদাবাজির ঘটনা। স্থানীয় ব্যবসায়ী, ঠিকাদার থেকে শুরু করে রেস্তোরাঁ মালিকরাও এখন আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। তদন্তে জানা গেছে, এ সমস্ত ঘটনার নেপথ্যে রয়েছেন আলোচিত আলমগীর, লিটন ও তার প্রভাবশালী সিন্ডিকেট। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কড়া নির্দেশনা সত্বেও থেমে নাই বিএনপির কর্মীদের চাঁদাবাজি। গুলশান-১ ডি এন সি সি কাঁচা ও পাকা মার্কেটের আশেপাশে, নিকেতন গেইট থেকে আজাদ মসজিদ, গুদারাঘাট এলাকায় অবৈধভাবে দোকানপাট বসিয়ে নিয়মিত চাঁদাবাজি করে যাচ্ছেন এই আলমগীর-লিটন সিন্ডিকেট। ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন ভয়-ভীতি প্রদর্শন ও হুমকি দিয়ে নিয়মিত ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করছে এই সিন্ডিকেট। অনুসন্ধানে জানা যায় গুলশান -১ ডিএনসিসি ইউনিটের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন আলমগীর এবং ১৯ নং ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন লিটন। ৫ ই আগস্ট পতিত স্বৈরাচার সরকারের পদত্যাগের পর এই সিন্ডিকেটের আতঙ্কে ব্যবসায়ীরা দিশেহারা। ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সভাপতি ও সদস্য সচিবের নির্দেশনাকে কোন রকম পাত্তা না দিয়ে সব অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। অনুসন্ধান আরও জানা যায়,গুলশান -১ ডিএনসিসি মার্কেট এর লাগেজ চোরাকারবারির সাথে জড়িত এই চক্র।লাগেজ চোরাকারবারি মাধ্যমে অবৈধ টাকার মালিক হয়েছেন তারা।
ব্যবসায়ীদের চাপে রাখছে চক্র : গুলশানের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যবসায়ী জানান, নতুন কোনো ব্যবসা শুরু হলে প্রথমেই আলমগীর ও লিটনের লোকজন হাজির হয়। প্রাথমিকভাবে তারা শুভেচ্ছা জানালেও অল্পদিনের মধ্যেই মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করে। টাকা না দিলে নানা অজুহাতে হয়রানি, ভাঙচুর কিংবা ভীতিপ্রদর্শনের ঘটনা ঘটে।
প্রভাব খাটিয়ে কার্যক্রম : স্থানীয় সূত্র বলছে, আলমগীর ও লিটন রাজনৈতিক পরিচিতি ও প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক কাজে লাগিয়ে এ এলাকায় তার দাপট বজায় রেখেছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানের আগাম খবরও নাকি তাদের কাছে পৌঁছে যায়। ফলে ব্যবসায়ীরা প্রকাশ্যে মুখ খুলতে ভয় পান।
পুলিশের একজন সদস্যের ভাষ্যমতে, গুলশান এলাকায় চাঁদাবাজির অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এ ব্যাপারে কিছু চক্রের নামও পুলিশের কাছে আছে। তবে ব্যবসায়ীরা লিখিত অভিযোগ না করায় কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। তবুও সাম্প্রতিক সময়ে আলমগির লিটনকে ঘিরে যে অভিযোগ উঠছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদারীপুরের রাজৈর এ অনুষ্ঠিতব্য এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা -২০২৬ এর পরীক্ষা শুরু

গুলশানে বিএনপির নাম ভাঙ্গিয়ে চাঁদাবাজি, নেপথ্যে আলমগীর-লিটন সিন্ডিকেট

আপডেট সময় ০৮:২৭:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশানে দিন দিন বেড়ে চলেছে চাঁদাবাজির ঘটনা। স্থানীয় ব্যবসায়ী, ঠিকাদার থেকে শুরু করে রেস্তোরাঁ মালিকরাও এখন আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। তদন্তে জানা গেছে, এ সমস্ত ঘটনার নেপথ্যে রয়েছেন আলোচিত আলমগীর, লিটন ও তার প্রভাবশালী সিন্ডিকেট। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কড়া নির্দেশনা সত্বেও থেমে নাই বিএনপির কর্মীদের চাঁদাবাজি। গুলশান-১ ডি এন সি সি কাঁচা ও পাকা মার্কেটের আশেপাশে, নিকেতন গেইট থেকে আজাদ মসজিদ, গুদারাঘাট এলাকায় অবৈধভাবে দোকানপাট বসিয়ে নিয়মিত চাঁদাবাজি করে যাচ্ছেন এই আলমগীর-লিটন সিন্ডিকেট। ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন ভয়-ভীতি প্রদর্শন ও হুমকি দিয়ে নিয়মিত ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করছে এই সিন্ডিকেট। অনুসন্ধানে জানা যায় গুলশান -১ ডিএনসিসি ইউনিটের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন আলমগীর এবং ১৯ নং ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন লিটন। ৫ ই আগস্ট পতিত স্বৈরাচার সরকারের পদত্যাগের পর এই সিন্ডিকেটের আতঙ্কে ব্যবসায়ীরা দিশেহারা। ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সভাপতি ও সদস্য সচিবের নির্দেশনাকে কোন রকম পাত্তা না দিয়ে সব অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। অনুসন্ধান আরও জানা যায়,গুলশান -১ ডিএনসিসি মার্কেট এর লাগেজ চোরাকারবারির সাথে জড়িত এই চক্র।লাগেজ চোরাকারবারি মাধ্যমে অবৈধ টাকার মালিক হয়েছেন তারা।
ব্যবসায়ীদের চাপে রাখছে চক্র : গুলশানের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যবসায়ী জানান, নতুন কোনো ব্যবসা শুরু হলে প্রথমেই আলমগীর ও লিটনের লোকজন হাজির হয়। প্রাথমিকভাবে তারা শুভেচ্ছা জানালেও অল্পদিনের মধ্যেই মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করে। টাকা না দিলে নানা অজুহাতে হয়রানি, ভাঙচুর কিংবা ভীতিপ্রদর্শনের ঘটনা ঘটে।
প্রভাব খাটিয়ে কার্যক্রম : স্থানীয় সূত্র বলছে, আলমগীর ও লিটন রাজনৈতিক পরিচিতি ও প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক কাজে লাগিয়ে এ এলাকায় তার দাপট বজায় রেখেছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানের আগাম খবরও নাকি তাদের কাছে পৌঁছে যায়। ফলে ব্যবসায়ীরা প্রকাশ্যে মুখ খুলতে ভয় পান।
পুলিশের একজন সদস্যের ভাষ্যমতে, গুলশান এলাকায় চাঁদাবাজির অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এ ব্যাপারে কিছু চক্রের নামও পুলিশের কাছে আছে। তবে ব্যবসায়ীরা লিখিত অভিযোগ না করায় কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। তবুও সাম্প্রতিক সময়ে আলমগির লিটনকে ঘিরে যে অভিযোগ উঠছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।