রাজধানী ধোলাইপার রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ রাজউক এর নকশা বিকৃত করে ভবন নির্মাণ এর অভিযোগে ব্যবস্থা নিতে গড়িমসি করেছেন রাজউক। সিটি আইডিয়া ডেভেলপার কোম্পানি চেয়ারম্যান শরীফ পাঠানের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তোলার কারণে ব্যবস্থা নেয়নি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা। ইমারত নির্মাণ আইন লঙ্ঘন করে চলছে নির্মাণ কাজ। স্থানীয়দের বাধা উপেক্ষা করে নিজের খেয়াল খুশি মত ভবন নির্মাণ করে স্থানীয়দের মাঝে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছেন। ভবন নির্মাণের শুরুতে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ রাজউক এর ইমারত পরিদর্শক সাহিদা পারভিন পরিদর্শনের দায়িত্বে থাকলেও কোন আইনি পদক্ষেপ নেয়নি। সাহিদা পারভিন ডেভেলপার এর সাথে ছিল আর্থিক সখ্যতা। ৭ তলার অনুমোদন নিয়ে দশ তলার নির্মাণ কাজ চলমান। আড়াই কাঠা জমির উপর ভবন নির্মাণ শুরু করে বর্তমানে সাড়ে দশ তলার নির্মাণ কাজ চলমান থাকলেও এখনো অনিয়মগুলো রাজউকের দৃষ্টিগোচর হয়নি। এই অনিয়মের কারণে রাষ্ট্রীয় আস্থাশীল প্রতিষ্ঠানের ভাব মূর্তি ক্ষুণ্ন করছে কিছু অসাধু কর্মকর্তা কর্মচারীগণ। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ নগরবাসীর জন্য একটি সুন্দর নগর উপহার দেওয়ার অভিপ্রায় ব্যক্ত করলেও কিছু অসাধু কর্মচারী বাধাগ্রস্ত করে আসছেন।
জানা গেছে ২০২১ সালের শুরুতে ধোলাই পার স্কুল গলি ৬ ফিট সরু রাস্তায় ২৯ নম্বর মুরাদ ও সোহেল গংদের বাড়ির ২.৫০ কাঠা জমির ওপর ভবন নির্মাণ কাজ শুরু করে সিটি ডেভলাপার কোম্পানি। ভবন নির্মাণের শুরুতে পরিদর্শনের দায়িত্বে ইমারত পরিদর্শক
সাহিদা পারভিন , আবুল হাদিস , মাসুদ রানা চলতি দায়িত্ব পালন করছেন। রাজউকের ইমারত নির্মাণ আইনে দশতলা ভবনের ৫০ ভাগ জমি ছেড়ে ভবন নির্মাণ করার বিধান থাকলেও তা মানা হয়নি। ১৯৫২ সালের সর্বশেষ সংশোধনীসহ ৩ ধারার বিধান মতে উক্ত নির্মাণ কাজের সমর্থনে রাজউকের ইমারত নির্মাণ কমিটির অনুমোদিত নকশা থাকা প্রয়োজন এবং এই আইনের (১০) ২ অনুযায়ী পরিদর্শনকালে অথরাইজড অফিসার বা ক্ষমতা প্রাপ্ত ব্যক্তিদের প্রদর্শনের জন্য এক ফর্দ নকশা বা অনুমোদন পত্র সংশ্লিষ্ট সাইটে সংরক্ষণ করার বিধান থাকলেও তা গণমাধ্যমের নজরে আসেনি । অধিকন্ত নির্মাণ সাইটে অনুমোদন তথ্যসম্বলিত কোন সাইনবোর্ড বা বিলবোর্ড প্রদর্শন করেন নাই। অন্যদিকে নির্মাণ কাজ শুরুর কোন তারিখ রাজউকের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে অবহিত করার নিয়ম থাকলেও গণমাধ্যমের দৃষ্টিগোচর হয়নি।
এসব অনিয়মের বিষয় জানতে চাওয়া হলে জোন ৭/১ এর ইমারত পরিদর্শক মাসুদ রানার কাছে জানতে চাওয়া হলে গণমাধ্যমকে জানান , আমি ওখানে নতুন দায়িত্ব পালন করছি অনিয়মের বিষয়টি জানতে পেরেছি। আপনার অভিযোগ ভিত্তিতে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।অথরাইজড অফিসার ইহসানুল হক বলেন,ওই এলাকায় ইমারত পরিদর্শক মাসুদ রানা দায়িত্ব পালন করছেন তার কাছে জেনে নেন।আমরা দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
উল্লেখ্য যে ডেভেলপার কোম্পানির অনিয়মের বিরুদ্ধে গণমাধ্যমে একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশ পেলেও দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন নি।
এসব বিষয় জানতে চেয়ে ডেভেলপার কোম্পানির চেয়ারম্যান শরীফ পাঠানের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে ফোন কল গ্রহণ করেননি। হোয়াটসঅ্যাপ খুদেবার্তা পাঠানো হলেও কোনো জবাব দেয়নি।
মোস্তাফিজুর রহমান 
























