ঢাকা ১২:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

বাংলাদেশে মুক্তি পাচ্ছে নেপালি ছবি

  • বিনোদন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:০১:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই ২০২৫
  • ৬৩৪ বার পড়া হয়েছে

দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (সাফটা) চুক্তির আওতায় এবার বাংলাদেশে মুক্তি পেতে যাচ্ছে নেপালি ছবি “মিসিং: কেটি হারায়েকো সূচনা”। শুক্রবার (১৮ জুলাই) ছবিটি বাংলাদেশের জনপ্রিয় মাল্টিপ্লেক্স চেইন স্টার সিনেপ্লেক্সের সব শাখায় প্রদর্শিত হবে।
নির্মাতা দিপেন্দ্র গৌচান পরিচালিত এ চলচ্চিত্রের কেন্দ্রে রয়েছেন নাজির হুসেন ও শ্রিষ্টি শ্রেষ্ঠা। ছবিটি আন্তর্জাতিক মহলে প্রশংসিত হয়েছে লোকজ ঐতিহ্য ও আন্তঃসাংস্কৃতিক বন্ধনের নিখুঁত মিশ্রণের জন্য।

গল্পের সূচনা হয় এক সাধারণ ডেটিং অ্যাপে পরিচয়ের মাধ্যমে। আরেকটি অকস্মাৎ ঈর্ষান্বিত মোড়ে, নায়ক মেয়েটির কফিতে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে তাকে অপহরণ করে। জাতিগত বিপর্যয়ের মধ্য দিয়ে নায়ক–নায়িকার যাত্রা স্থানান্তরিত হয় পাহাড়ি অঞ্চল থেকে নেপালের সমতল মধেশ প্রদেশে নিয়ে যায়।

প্রথমদিকে নির্জন হাওয়া আর ভিন্ন সংস্কৃতির সংস্পর্শে ভীত ওই নায়িকা ধীরে ধীরে আবিষ্কার করে নায়কের মানবিক সৌন্দর্য— মধেশের সজীব প্রকৃতি, অতিথিপরায়ণসহ এক নতুন পৃথিবী তার চোখে ফুটে ওঠে।

উল্লেখ্য, ছবিটি নেপালের মধেশ অঞ্চলের প্রাকৃতিক প্রেক্ষাপট, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য ও সাধারণ মানুষের জীবনধারাকে তুলে ধরে। এটি বাংলাদেশের নেপালি চলচ্চিত্রপ্রেমীদের জন্য একটি অনন্য সুযোগ হতে যাচ্ছে, যেখানে তারা এক ভিন্নধর্মী গল্প এবং সমৃদ্ধ সংস্কৃতির অভিজ্ঞতা লাভ করতে পারবেন।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গাজায় ধসে পড়া ভবনের নিচ থেকে ১৯ মরদেহ উদ্ধার

বাংলাদেশে মুক্তি পাচ্ছে নেপালি ছবি

আপডেট সময় ০৮:০১:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই ২০২৫

দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (সাফটা) চুক্তির আওতায় এবার বাংলাদেশে মুক্তি পেতে যাচ্ছে নেপালি ছবি “মিসিং: কেটি হারায়েকো সূচনা”। শুক্রবার (১৮ জুলাই) ছবিটি বাংলাদেশের জনপ্রিয় মাল্টিপ্লেক্স চেইন স্টার সিনেপ্লেক্সের সব শাখায় প্রদর্শিত হবে।
নির্মাতা দিপেন্দ্র গৌচান পরিচালিত এ চলচ্চিত্রের কেন্দ্রে রয়েছেন নাজির হুসেন ও শ্রিষ্টি শ্রেষ্ঠা। ছবিটি আন্তর্জাতিক মহলে প্রশংসিত হয়েছে লোকজ ঐতিহ্য ও আন্তঃসাংস্কৃতিক বন্ধনের নিখুঁত মিশ্রণের জন্য।

গল্পের সূচনা হয় এক সাধারণ ডেটিং অ্যাপে পরিচয়ের মাধ্যমে। আরেকটি অকস্মাৎ ঈর্ষান্বিত মোড়ে, নায়ক মেয়েটির কফিতে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে তাকে অপহরণ করে। জাতিগত বিপর্যয়ের মধ্য দিয়ে নায়ক–নায়িকার যাত্রা স্থানান্তরিত হয় পাহাড়ি অঞ্চল থেকে নেপালের সমতল মধেশ প্রদেশে নিয়ে যায়।

প্রথমদিকে নির্জন হাওয়া আর ভিন্ন সংস্কৃতির সংস্পর্শে ভীত ওই নায়িকা ধীরে ধীরে আবিষ্কার করে নায়কের মানবিক সৌন্দর্য— মধেশের সজীব প্রকৃতি, অতিথিপরায়ণসহ এক নতুন পৃথিবী তার চোখে ফুটে ওঠে।

উল্লেখ্য, ছবিটি নেপালের মধেশ অঞ্চলের প্রাকৃতিক প্রেক্ষাপট, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য ও সাধারণ মানুষের জীবনধারাকে তুলে ধরে। এটি বাংলাদেশের নেপালি চলচ্চিত্রপ্রেমীদের জন্য একটি অনন্য সুযোগ হতে যাচ্ছে, যেখানে তারা এক ভিন্নধর্মী গল্প এবং সমৃদ্ধ সংস্কৃতির অভিজ্ঞতা লাভ করতে পারবেন।