ঢাকা ০৮:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
স্কুলমুখী করতে সাড়ে তিন লাখ শিশুকে স্কুল ড্রেস দেবে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী ফতুল্লায় ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা সমর্থকদের তুমুল সংঘর্ষ, আহত ৮ চাঁদাবাজির অভিযোগে কনটেন্ট ক্রিয়েটর কাফির বিরুদ্ধে মামলা সারা বাংলাদেশের ২০২৫ এবং ২০২৬ এর টিসিবি ডিলারদের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত সরকারবিরোধী আন্দোলন থেকে রাহুল-প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক তনু হত্যা মামলায় আরও ২ সন্দেহভাজনের ডিএনএ সংগ্রহের নির্দেশ নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের জাতীয় পর্ব শুরু, খেলাধুলাই পারে জাতিকে এক সুতোয় গাঁথতে: প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক  হোসেনপুর উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত কুমিল্লা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ২ কোটি ৩৮ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি জব্দ স্বপ্নভঙ্গের মূল্য: ব্রুনাই থেকে ফিরে আসা শ্রমিকদের মানবিক বেদনা, রাষ্ট্রের দায় ও নিরপেক্ষ তদন্তের প্রশ্ন

বগুড়া শহরে কৈগাড়ী আগুনে বাড়ি পুড়ে নিঃস্ব ৩ পরিবার

বগুড়া শহরের কৈগাড়ী পূর্বপাড়া এলাকায় অগ্নিকাণ্ডে তিন পরিবারের ঘরবাড়ি পুড়ে ছাই। ঘর-বাড়ী ও সমস্ত আসবাবপত্র হারিয়ে অসহায় পরিবারটি খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছে।

(৫ এপ্রিল শনিবার) দুপুর ১ টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এঘটনায় ওই এলাকার বিধবা তিন অসহায় নারী সমস্ত আসবাবপত্র ও নগদ টাকা পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

অসহায় তিন বিধবা নারী হলেন, কৈগাড়া পূর্বপাড়া এলাকার আমেনা বেগম, সাফিয়া বেগম ও হামিদা বেগম

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, বাড়িতে আগুন দেখে আমরা ছুটে আসি। তবে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেও পারিনি। আগুনের তাপের কারণে আমরা কাছে যেতে পারেনি। এতে পরিবারটির ঘরের আসবাবপত্র পুড়ে ছাই হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ঘর থেকেই কিছুই উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। এতে ঘরের আসবাবপত্র, নগদ টাকা-পয়সা সব পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। পরিবারটি সব হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে গেছে। পরে ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, তারা তিনটি পরিবারই খুবই অসহায়। তাদের স্বামী না থাকায় অন্যের জমিতে ঘর তুলে বসবাস করছেন। তাদের পরিবারের রোজগারের মানুষ না থাকায় তারা নিজেরাই রাস্তার পাশে ছোট্ট টং দোকানে শাক-সবজি বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করেন। এমন মর্মাহত ঘটনায় ভেঙ্গে পড়েছেন তিনটি পরিবারই।

ক্ষতিগ্রস্ত আমেনা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘আগুন দেখে বাড়িতে ছুটে এসে দেখি সব পুড়ে গেছে। থাকার মতো কোনো উপায় নেই। আমরা খুব গরিব-অসহায়। আমরা নিঃস্ব হয়ে গেলাম।’

এ বিষয়ে বগুড়া সদর ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ শহিদুল ইসলাম বলেন, অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে আসার চেষ্টা করি। কিন্তু শহরে কিছু যানজট হওয়ার কারণে আমাদের আসতে কিছুটা বিঘ্ন ঘটে। তবে খুব দ্রুত এসেই আগুন নিয়ন্ত্রণ করি।

তিনি আরো জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। অগ্নিকাণ্ডে ৮ থেকে ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে এ অগ্নিকাণ্ডে কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলমুখী করতে সাড়ে তিন লাখ শিশুকে স্কুল ড্রেস দেবে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী

বগুড়া শহরে কৈগাড়ী আগুনে বাড়ি পুড়ে নিঃস্ব ৩ পরিবার

আপডেট সময় ০৯:৩৭:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫

বগুড়া শহরের কৈগাড়ী পূর্বপাড়া এলাকায় অগ্নিকাণ্ডে তিন পরিবারের ঘরবাড়ি পুড়ে ছাই। ঘর-বাড়ী ও সমস্ত আসবাবপত্র হারিয়ে অসহায় পরিবারটি খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছে।

(৫ এপ্রিল শনিবার) দুপুর ১ টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এঘটনায় ওই এলাকার বিধবা তিন অসহায় নারী সমস্ত আসবাবপত্র ও নগদ টাকা পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

অসহায় তিন বিধবা নারী হলেন, কৈগাড়া পূর্বপাড়া এলাকার আমেনা বেগম, সাফিয়া বেগম ও হামিদা বেগম

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, বাড়িতে আগুন দেখে আমরা ছুটে আসি। তবে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেও পারিনি। আগুনের তাপের কারণে আমরা কাছে যেতে পারেনি। এতে পরিবারটির ঘরের আসবাবপত্র পুড়ে ছাই হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ঘর থেকেই কিছুই উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। এতে ঘরের আসবাবপত্র, নগদ টাকা-পয়সা সব পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। পরিবারটি সব হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে গেছে। পরে ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, তারা তিনটি পরিবারই খুবই অসহায়। তাদের স্বামী না থাকায় অন্যের জমিতে ঘর তুলে বসবাস করছেন। তাদের পরিবারের রোজগারের মানুষ না থাকায় তারা নিজেরাই রাস্তার পাশে ছোট্ট টং দোকানে শাক-সবজি বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করেন। এমন মর্মাহত ঘটনায় ভেঙ্গে পড়েছেন তিনটি পরিবারই।

ক্ষতিগ্রস্ত আমেনা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘আগুন দেখে বাড়িতে ছুটে এসে দেখি সব পুড়ে গেছে। থাকার মতো কোনো উপায় নেই। আমরা খুব গরিব-অসহায়। আমরা নিঃস্ব হয়ে গেলাম।’

এ বিষয়ে বগুড়া সদর ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ শহিদুল ইসলাম বলেন, অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে আসার চেষ্টা করি। কিন্তু শহরে কিছু যানজট হওয়ার কারণে আমাদের আসতে কিছুটা বিঘ্ন ঘটে। তবে খুব দ্রুত এসেই আগুন নিয়ন্ত্রণ করি।

তিনি আরো জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। অগ্নিকাণ্ডে ৮ থেকে ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে এ অগ্নিকাণ্ডে কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।