সংবাদ শিরোনাম ::
কেপ ভার্দে ও আর্জেন্টিনার মধ্যে কে জিতবে জানালেন ঘানার সেই তান্ত্রিক প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বাজেট-পরবর্তী নৈশভোজ বাতিল, সাশ্রয় ৫০ লাখ টাকা শত্রুতার জেরে পেট্রোল ঢেলে আগুন, পুড়লো বসতবাড়ি ৫ আগস্টের পর ভাগ্য বদলে গেছে জামায়াত নেতার ছেলের রোহিঙ্গা প্রকল্পের অর্থে প্রতিমন্ত্রীর পিএস-এপিএসের ইউরোপ সফর, উঠছে নানা প্রশ্ন ঢাকার গুলিস্তানে সিলগালা ভেঙে পার্কিংয়ে সহস্রাধিক অবৈধ দোকান কাজ না করেই সরকারি প্রকল্পের ১২ কোটি টাকা নিয়ে গেল ঠিকাদার বিপিসির আহম্মদুল্লাহর ঢাকায় বহুতল ভবন, গ্রামে বিলাসবহুল ডুপ্লেক্স বাড়ি রাষ্ট্রের টাকায় ব্যক্তিগত ‘ভবিষ্যৎ’ গড়লেন সামি! নেইমারকে না নামানোর কারণ জানালেন আনচেলত্তি

আতঙ্কে ঘর ছাড়া বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীরা

বাঘায় গ্রেফতার-আতঙ্কে ঘর ছাড়ছেন বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীরা। গত ৯ দিনে আটক হয়েছে ১৭ জন। বর্তমানে অনেক নেতাকর্মী আত্মগোপনে রয়েছেন।

কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে পুলিশের ওপর হামলা, স্থাপনা ভাঙচুর ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়াসহ সহিংসতার অভিযোগে দেশজুড়ে সাঁড়াশি অভিযান চালানো হচ্ছে।

বিভিন্ন গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার পর্যন্ত সারা দেশের ৫১টি মহানগর ও জেলায় প্রায় ৫৫০টি মামলা হয়েছে। বেশিরভাগ মামলার বাদী পুলিশ। এ ছাড়া ছাত্রলীগও অনেক মামলার বাদী।
এর ধারাবাহিকতায় রাজশাহীর বাঘায় গত ১৮ জুলাই পুলিশ বাদী হয়ে ৭ জনের নাম উল্লেখ করে ৪৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে একটি মামলা করা হয়।

এসব মামলায় এখন পর্যন্ত গ্রেফতার করা হয়েছে উপজেলার বাজুবাঘা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট ফিরোজ আহম্মেদ রঞ্জু, বাঘা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক তফিকুল ইসলাম তফি, আবদুল লতিফ, রবিউল ইসলাম মেম্বার, মশিউর রহমান, সাবদুল ইসলাম, সাব্দারুল হোসেন, মোস্তাফিজুর, আবদু সালাম, আড়ানি পৌরসভার সাবেক ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ও সাবেক কাউন্সিলর আবদুল আওয়াল, জামায়াত সমর্থক শহিদুল ইসলামসহ ১৭ জন।

এ বিষয়ে জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম মোস্তফা মামুন বলেন, বিএনপি নেতাকর্মীদের মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হচ্ছে। অবিলম্বে তাদের মুক্তি ও হয়রানি বন্ধের দাবি জানান তিনি। বিএনপি নেতাকর্মীদের গ্রেফতারের জন্য ঘরে ঘরে তল্লাশি করা হচ্ছে। তাদের না পেয়ে আত্মীয়স্বজনকে গ্রেফতার করা হচ্ছে।

বাঘা থানার ওসি আমিনুল ইসলাম বলেন, কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে বাঘা উপজেলার বিএনপি ও জামায়াত গোপন বৈঠক করছিল। এ অভিযোগে তাদের নামে একটি মামলা হয়েছে। এ মামলায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে শনিবার (২৭ জুলাই) পর্যন্ত ১৭ জনকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

 

Tag :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কেপ ভার্দে ও আর্জেন্টিনার মধ্যে কে জিতবে জানালেন ঘানার সেই তান্ত্রিক

আতঙ্কে ঘর ছাড়া বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীরা

আপডেট সময় ১২:৪৩:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুলাই ২০২৪

বাঘায় গ্রেফতার-আতঙ্কে ঘর ছাড়ছেন বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীরা। গত ৯ দিনে আটক হয়েছে ১৭ জন। বর্তমানে অনেক নেতাকর্মী আত্মগোপনে রয়েছেন।

কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে পুলিশের ওপর হামলা, স্থাপনা ভাঙচুর ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়াসহ সহিংসতার অভিযোগে দেশজুড়ে সাঁড়াশি অভিযান চালানো হচ্ছে।

বিভিন্ন গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার পর্যন্ত সারা দেশের ৫১টি মহানগর ও জেলায় প্রায় ৫৫০টি মামলা হয়েছে। বেশিরভাগ মামলার বাদী পুলিশ। এ ছাড়া ছাত্রলীগও অনেক মামলার বাদী।
এর ধারাবাহিকতায় রাজশাহীর বাঘায় গত ১৮ জুলাই পুলিশ বাদী হয়ে ৭ জনের নাম উল্লেখ করে ৪৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে একটি মামলা করা হয়।

এসব মামলায় এখন পর্যন্ত গ্রেফতার করা হয়েছে উপজেলার বাজুবাঘা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট ফিরোজ আহম্মেদ রঞ্জু, বাঘা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক তফিকুল ইসলাম তফি, আবদুল লতিফ, রবিউল ইসলাম মেম্বার, মশিউর রহমান, সাবদুল ইসলাম, সাব্দারুল হোসেন, মোস্তাফিজুর, আবদু সালাম, আড়ানি পৌরসভার সাবেক ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ও সাবেক কাউন্সিলর আবদুল আওয়াল, জামায়াত সমর্থক শহিদুল ইসলামসহ ১৭ জন।

এ বিষয়ে জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম মোস্তফা মামুন বলেন, বিএনপি নেতাকর্মীদের মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হচ্ছে। অবিলম্বে তাদের মুক্তি ও হয়রানি বন্ধের দাবি জানান তিনি। বিএনপি নেতাকর্মীদের গ্রেফতারের জন্য ঘরে ঘরে তল্লাশি করা হচ্ছে। তাদের না পেয়ে আত্মীয়স্বজনকে গ্রেফতার করা হচ্ছে।

বাঘা থানার ওসি আমিনুল ইসলাম বলেন, কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে বাঘা উপজেলার বিএনপি ও জামায়াত গোপন বৈঠক করছিল। এ অভিযোগে তাদের নামে একটি মামলা হয়েছে। এ মামলায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে শনিবার (২৭ জুলাই) পর্যন্ত ১৭ জনকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।